Inqilab Logo

মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৪ মাঘ ১৪২৮, ১৪ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

বিজয়ী হয়েই পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা

স্টাফ রিপোর্টার, মাদারীপুর থেকে : | প্রকাশের সময় : ৫ ডিসেম্বর, ২০২১, ১২:০২ এএম

মাদারীপুরের কালকিনিতে সদ্য সমাপ্ত ইউপি নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে মৌসুমী সুলতানা বিজয়ী হয়ে তার সমর্থকরা নির্বাচনের বিরোধকে কেন্দ্র করে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের ১০টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের মৃধারমোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দ্বিতীয় ধাপের লক্ষ্মীপুর ইউপিতে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুল হকের স্ত্রী মৌসুমী সুলতানা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী তোফাজ্জেল হোসেন। এ নির্বাচনে বিজয়ী হন মৌসুমী সুলতানা। এরপর থেকে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। বিরোধের জের ধরে মৌসুমী সুলতানার কর্মী-সমর্থকরা দেশি অস্ত্র নিয়ে গত শুক্রবার রাতে প্রতিপক্ষের বসতঘরে হামলা চালান। হামলায় পরাজিত প্রার্থী তোফাজ্জেল হোসেনের সমর্থক খোকন, শাজাহান ও মুক্তিযোদ্ধা আবদুল কাদের মাস্টারের বাড়িসহ ১০টি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। হামলাকারীদের বাধা দিতে গেলে ১০ জন আহত হন। আহত ব্যক্তিদের মাদারীপুর সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে রাতেই খাসেরহাট তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরাজিত প্রার্থী তোফাজ্জেল হোসেন বলেন, মৌসুমী সুলতানার স্বামী ফজলুল হকের নির্দেশে রাতের অন্ধকারে তার কর্মী-সমর্থকদের বাড়িঘরে অতর্কিত হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে। এর আগেও তার নেতা-কর্মীরা হামলার শিকার হয়েছেন। পুলিশ বিষয়গুলো জেনেও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজয়ী চেয়ারম্যান মৌসুমী সুলতানা।

কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসতিয়াক আসফাক গতকাল শনিবার দুপুরে বলেন, শুক্রবার রাতে সংঘর্ষের খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কয়েকটি বসতঘরে ভাঙচুর চালানো হলেও কেউ গুরুতর আহত নেই। ওই এলাকায় ফের সংঘর্ষ এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন আছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেননি। অভিযোগ পেলে তারা মামলা নেবেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ