Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৪ আশ্বিন ১৪২৬, ১৯ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী।

ভারতের কার্ড জালিয়াতির বিষয়ে রিপোর্ট চাইল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

প্রকাশের সময় : ২৩ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

কর্পোরেট ডেস্ক : সারা দেশে সাড়া ফেলে দেওয়া এটিএম কার্ড জালিয়াতির বিষয়ে রিজার্ভ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলির কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রনালয়। সাইবার নিরাপত্তা টপকে কী ভাবে টাকা এবং কার্ডের তথ্য হাতিয়ে নিল হ্যাকাররা তার কারণ জানতে চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই কথা জানতে চেয়ে বেশ কিছু ব্যাংককে চিঠি দিয়েছে মহারাষ্ট্র পুলিশের সাইবার অপরাধ দমন বিভাগও। জানিয়েছে, এ নিয়ে কোনও ব্যাংক তাদের কাছে সরাসরি অভিযোগ জানালে, তদন্ত করতে তারা তৈরি। শুক্রবার অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি জানিয়েছেন, কার্ডের ঘটনা নিয়ে রিপোর্ট চেয়েছি। প্রথম লক্ষ্য, ক্ষতি আর বাড়তে না দেওয়া। আর্থিক বিষয়ক সচিব শক্তিকা দাস বলেছেন, আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। ব্যাংকগুলির তথ্যপ্রযুক্তি নেটওয়ার্ক মজবুত। প্রয়োজনে পদক্ষেপ করবে সরকার। তিনি বলেন, অপরাধীদের রেখে যাওয়া চিহ্ন ধরে সহজেই তাদের খোঁজ মিলবে। বিষয়টি নিয়ে ফরেন্সিক তদন্ত শুরু করেছে পেমেন্ট কার্ড ইন্ডাস্ট্রি সিকিউরিটি স্ট্যান্ডার্ড কাউন্সিলও। মে থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যেই নেট-নিরাপত্তা ভেঙে টাকা ও তথ্য খোওয়া গিয়েছে বলে অনুমান। কার্ড জালিয়াতি নিয়ে ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন জানিয়েছে, এ ভাবে ১.৩০ কোটি টাকা খুইয়েছেন ১৯টি ব্যাংকের ৬শ ৪১ জন গ্রাহক। আশংকা করা হচ্ছে, ৩২ লক্ষেরও বেশি কার্ডের তথ্য গিয়েছে হ্যাকারদের হাতে। পুলিশ ও ব্যাংককর্তাদের ধারণা, এটিএম নেটওয়ার্কে ঢুকিয়ে দেওয়া ভাইরাসের মাধ্যমে গ্রাহকদের এটিএম কার্ডের তথ্য গিয়ে থাকতে পারে দুষ্কৃতীদের হাতে। যা কাজে লাগিয়ে বিদেশে বসেই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা সরিয়ে নিচ্ছে তারা। বিষয়টি নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি না-নিয়ে ৬ লক্ষ কার্ড বদলে দেওয়ার কথা বৃহস্পতিবারই জানিয়েছে স্টেট ব্যাংক। ব্যাংকটির দাবি, তাদের নিজেদের নেটওয়ার্ক সুরক্ষিত। কিন্তু আগাম সতর্কতা হিসেবেই এই ব্যবস্থা। একই পথে হেঁটেছে ব্যাংক অব বরোদা, সেন্ট্রাল ব্যাংকও। পিন পাল্টানোর পরামর্শ দিয়েছে এইচডিএফসি ব্যাংক, কানাড়া ব্যাংক, অ্যাক্সিস ব্যাংক। এইচডিএফসি ব্যাংক, স্টেট ব্যাংক আবার পরামর্শ দিচ্ছে তাদের নিজেদের এটিএম থেকেই টাকা তুলতে। সম্প্রতি একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের এটিএম নেটওয়ার্কে ভাইরাস হানার পরেই এ ভাবে নড়েচড়ে বসেছে দেশের অধিকাংশ ব্যাংক।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন