Inqilab Logo

মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ১৪ আষাঢ় ১৪২৯, ২৭ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী

শহীদ সোহরাওয়ার্দী গণতন্ত্রের অভিযাত্রায় অনুপ্রেরণার উৎস

সাংবাদিকদের ওবায়দুল কাদের

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ৬ ডিসেম্বর, ২০২১, ১২:০৮ এএম

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গণতন্ত্রের অভিযাত্রায় অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন। দেশের গণতন্ত্র শৃঙ্খলমুক্ত হলেও এখনো পুরোপুরি পরিপূর্ণতা পেয়েছে বলে দাবি করা যায় না। পঁচাত্তরের পর গণতন্ত্রকে বারবার লাশ বানানো হয়েছে। এজন্য গণতন্ত্রকে পরিপূর্ণতা দিতে হলে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই।

গতকাল রোববার সকালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ৫৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, ৭৫এর পর গণতন্ত্র ষড়যন্ত্রের ভেড়া জালে বারবার বলি হয়েছে, নির্বাচনের কফিনে গণতন্ত্রকে বারেবারে লাশ বানানো হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা এই গণতন্ত্রকে শৃঙ্খল মুক্ত করার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, অনেক আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে অবরুদ্ধ গণতন্ত্র শৃঙ্খলা মুক্ত হলেও গণতন্ত্র এখনো পুরোপুরি পরিপূর্ণতা পেয়েছে তা দাবী করা যায় না। গণতন্ত্রকে পরিপূর্ণতা দিতে হলে গণতন্ত্রের এই অভিযাত্রায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতন্ত্রের ক্রমবিকাশমান ধারাকে পরিপূর্ণতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে।

গণতন্ত্র প্রিয় সকল শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হবার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ৭৫ এর পর যে সা¤প্রদায়িক অপশক্তি হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি করেছে ক্ষমতার মঞ্চে বসে সেই অপশক্তির দোষররা এখনো বেঁচে আছে, তারাই বারেবারে বাধা সৃষ্টি করে চলেছে গণতন্ত্রের অভিযাত্রায়। এর ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সমাধীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
এ সময়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক আবদুস সবুর, ত্রাণ ও সমাজকল্যণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুনন্নাহার লাইলী, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রিয়াজুল কবির কাওছার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে বিকালে রাজধানীর গুলিস্তানে মহানগর নাট্যমঞ্চে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ইউনিট সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এতো উন্নয়ন এতো অর্জন জনগণ ভোট না দিয়ে যাবে কোথায় এই মানুষিকতা যাদের তারা আওয়ামী লীগের বন্ধু হতে পারে না। নেতা কর্মীদের প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘আমরা কি জমিদার? জনগণ কি আমাদের কর্মচারী? মানুষ কি আমাদের ভোট দিতে বাধ্য?’

ওবায়দুল কাদের বলেন শেখ হাসিনা উন্নয়ন করবেন আর আপনি ক্ষমতার দাপট দেখাবেন, খারাপ ব্যবহার করবেন, মানুষ কেন আপনার সাথে থাকবে? জায়গায় জায়গায় এসব অনুপ্রবেশকারী দলের সাথে শত্রুতা করছে। তিনি বলেন, আপনি বলছেন নৌকায় ভোট না দিলে এলাকা থেকে বের হয়ে যান। ভোটের দিন কেন্দ্রে আসবেন না। আপনি এলাকা ছেড়ে চলে যান। নৌকায় ভোট দিতে হবে। এরা কি আমাদের বন্ধু না শত্রু?এরা যদি আমাদের বন্ধু হয় তাহলে আওয়ামী লীগের আর শত্রুর দরকার নেই। এরাই আওয়ামী লীগের বড় শত্রু। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সম্মেলনে চলছে, সম্মেলনের পকেট থেকে বের করে কমিটি করলেন। এটা কি আওয়ামী লীগের স্বার্থে না স্বার্থের বিরুদ্ধে? এ ধরনের কাজ যারা করবে তারা আওয়ামী লীগের শত্রু।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ত্যাগী কর্মী দের বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ কে যারা কোনঠাসা করে তারা আওয়ামী লীগের বন্ধু হতে পারে না। তারা আওয়ামী লীগের ক্ষতি করছে। কাজেই এদের ব্যাপারে আমাদের সাবধান থাকতে হবে, সর্তক থাকতে হবে তা না হলে এতো বক্তৃতা দিয়ে লাভ হবে না, ভাষণে কারও মন ভরবে না। আজকে বিতর্কিত লোক, খারাপ লোক, খারাপকে খারাপ বলতে হবে। কোন চাঁদাবাজ আমাদের বন্ধু না। জনগণের সাথে খারাপ ব্যবহার করে তাদেরকে আমরা দলে নিব না।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: সাংবাদিকদের ওবায়দুল কাদের


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ