Inqilab Logo

বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৬ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

রাজনৈতিক মিছিল ঘিরে সংঘর্ষ ফ্রান্সে

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৬ ডিসেম্বর, ২০২১, ১২:৩৬ পিএম

দক্ষিণপন্থি রাজনীতিবিদ এরিক জিমুরের মিছিল ঘিরে তীব্র সংঘর্ষ প্যারিসে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিতর্কিত ফরাসি ব্যক্তিত্ব এরিক জিমুর। অতি দক্ষিণপন্থি এই রাজনীতিক তথা লেখক বিখ্যাত এবং বিতর্কিত তার লিবারালবিরোধী অবস্থানের জন্য। ফ্রান্সের অভিবাসন সমস্যা নিয়েও তার নির্দিষ্ট অবস্থান আছে।

রোববার এরিক প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচার শুরু করেন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী বছর ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি লড়াই করবেন। রোববার প্যারিসে সমর্থকদের নিয়ে তিনি বেশ বড়সড় একটি মিছিলের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু বিরোধী শিবিরও প্রতিবাদ জানাতে তৈরি ছিল। মিছিল বার হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই এক ব্যক্তি নিরাপত্তার বেষ্টনী ভেঙে এরিকের একেবারে সামনে পৌঁছে যান। পুলিশ তাকে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। সভাস্থলে অভিবাসনের পক্ষে আন্দোলনরত একাধিক সংগঠন জড়ো হয়। পোস্টার এবং প্ল্যাকার্ড নিয়ে তারা বিক্ষোভ দেখায়। অভিযোগ, তাদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের উপর চড়াও হয় এরিকের সমর্থকরা। তাদের মারধর করা হয়। পুলিশ সেখানেও হস্তক্ষেপ করে এবং বিক্ষোভকারীদের ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেয়।

এক সময় নিয়মিত টেলিভিশনে অভিবাসনবিরোধী বক্তব্য পেশ করতেন এরিক। এদিন সভায় তিনি বলেছেন, সুযোগ পেলে ফ্রান্সের মানুষকে এক নতুন দেশ উপহার দেবেন তিনি। অভিবাসনপ্রত্যাশীদের দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে। এর আগেও অভিবাসন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন তিনি।

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম এরিকের ১৫ বছর আগে লেখা একটি বিতর্কিত বই নিয়ে নতুন করে মন্তব্য করতে শুরু করেছে। এরিক বলেছেন, ''বিরোধীরা আমায় রাজনৈতিকভাবে শেষ করতে চেষ্টা করছে। সংবাদমাধ্যম সামাজিকভাবে একঘরে করার চেষ্টা করছে। আর জেহাদিরা মেরে ফেলার চেষ্টা করছে। কিন্তু ফ্রান্সের মানুষ আমার সঙ্গে আছেন।'' এদিনের ঘটনার পর বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছেন, এরিকের বিরুদ্ধে তাদের লড়াই জারি থাকবে। তার মতো দক্ষিণপন্থি রাজনীতিককে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া হবে না। সূত্র: এএফপি, রয়টার্স।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ফ্রান্স


আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ