Inqilab Logo

শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ০৭ মাঘ ১৪২৮, ১৭ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

বেইজিং অলিম্পিক কূটনৈতিক বয়কটে অস্ট্রেলিয়াও

অনলাইন ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৮ ডিসেম্বর, ২০২১, ৪:০৭ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের দেখাদেখি এবার অস্ট্রেলিয়াও বেইজিং অলিম্পিক কূটনৈতিক স্তরে বয়কটের কথা জানিয়ে দিয়েছে। সোমবার জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র, মঙ্গলবার অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়ে দিলেন, বেইজিংয়ে শীতকালীন অলিম্পিকে অস্ট্রেলিয়া কোনো সরকারি অফিসারকে পাঠাবে না।

চীনের মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক দূরত্ব তৈরি করাই এর কারণ বলে জানিয়েছেন মরিসন। তবে ৪০ জন খেলোয়াড় বেইজিং অলিম্পিকে অংশ নেবেন বলেও জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ‘গণহত্যা’ শব্দটি ব্যবহার করেছিল চীনের বিরুদ্ধে। অস্ট্রেলিয়া তা ব্যবহার না করলেও একই বিষয় উত্থাপন করেছে।

অস্ট্রেলিয়ার অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে চীন মানবাধিকার লঙ্গন করছে। দেশের মানুষের বিরুদ্ধে কড়া এবং অসহিষ্ণু ব্যবহার করছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে এ বিষয়ে কথা বলতেও চায়নি তারা। একইসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার বক্তব্য, অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক চ্যানেলেও কথা বলতে চায় না চীন। একাধিক বিষয়ে অস্ট্রেলিয়া তাদের সঙ্গে কূটনৈতিক চ্যানেলে কথা বলতে চেয়েছে, কিন্তু চীন গুরুত্ব দেয়নি। এরই প্রতিবাদে তারা বেইজিং অলিম্পিক কূটনৈতিক স্তরে বয়কট করছে।

অস্ট্রেলিয়ায় চীনের বিশাল বাজার। অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় বাণিজ্য পার্টনার চীন। তবে ২০১৮ সাল থেকে দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্ক ক্রমশ খারাপ হতে শুরু করে। করোনাকালে তা আরো খারাপ হয়। অন্যদিকে, তাইওয়ান এবং হংকং নিয়েও সরব অস্ট্রেলিয়া। দক্ষিণ চীন সাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় রাজনীতিতে চীনের একাধিপত্য বন্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ফলে কূটনীতিকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষণার পরেই বেইজিং অলিম্পিক বয়কটের যে সিদ্ধান্ত অস্ট্রেলিয়া নিল, তা চীন ভালো চোখে দেখবে না। সূত্র: রয়টার্স, এপি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: অস্ট্রেলিয়া


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ