Inqilab Logo

বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৪ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

চোখে না দেখেও অসাধারণ সব ছবি তোলেন মিশরের তরুণী!

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৪ ডিসেম্বর, ২০২১, ৪:৪৭ পিএম

স্বপ্ন একটাই। ভবিষ্যতে সাংবাদিক হওয়া। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল শারীরিক প্রতিবন্ধকতা। তবে লক্ষ্যে অবিচলই থেকেছেন বরাবর। দৃষ্টিশক্তি নেই তো কী হয়েছে, কানে শুনে আর ছুঁয়ে দেখেই মিশরের আলেজান্দ্রিয়া শহরের রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে দৈনন্দিন জীবনের ছবি তুলে বেড়ান ২২ বছরের তরুণী ইসরা ইসমাইল।

পেশা হিসেবে সাংবাদিকতাকেই বেছে নিতে চান ইসমাইল। কলেজেও মাস মিডিয়া নিয়ে পড়াশোনা করতে চান তিনি। তাই এখন থেকেই ফটোগ্রাফির হাত পাকিয়ে নেয়া শুরু করে দিয়েছেন। ইসমাইল বলেন, ‘মাস মিডিয়া নিয়ে পড়াশোনা করব বলেই ফটোগ্রাফি বেছে নিয়েছি। আমি সব রকম ভাবেই চেষ্টা করছি, যাতে মাস মিডিয়া নিয়ে পড়াশোনা করতে পারি। কিন্তু ফটোগ্রাফির পরীক্ষায় আগে পাশ করতে হবে আমাকে। তাই কলেজেই ফটোগ্রাফি নিয়ে পড়াশোনা শুরু করি।’

শুরুতে মোবাইল দিয়ে ছবি তুলতেন ইসমাইল। কিন্তু নিজেও জানতেন, আসল ক্যামেরায় ছবি তোলা তাকে অভ্যাস করতেই হবে। সেই সময় তার পরিচয় হয় খালেদ ফারিদ নামে এক ফটোগ্রাফারের সঙ্গে। তিনিই আসল ক্যামেরায় ছবি তোলার পাঠ দেন ইসমাইলকে। তরুণীর কথায়, ‘মোবাইল দিয়ে ফটো তোলা নয়, ক্যামেরা দিয়ে কী ভাবে ফটো তুলতে হয়, খালেদই আমাকে দেখাল প্রথম।’

ইসমাইল বলছেন, ‘‘কোনও বস্তুকে আগে ছুঁয়ে দেখে তার মাপ, আয়তন সম্পর্কে নিজের মধ্যে ধারণা তৈরি করে নিই। কোনও ব্যক্তির মুখোচ্ছবি নেয়ার সময় তার সঙ্গে কথাও বলতে থাকি। যাতে আওয়াজ শুনে বুঝতে পারি, ওই ব্যক্তি ঠিক কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে আছেন। তার পর ছবি তুলি।’

রহমা আবদেলরহমান ও তার স্বামীর ছবি তুলে দিয়েছিলেন ইসমাইল। রহমা বলছেন, ‘ও আগে আমাদের ছুঁয়ে দেখে নিচ্ছিল। আমাদের সঙ্গে টানা কথাও বলে যাচ্ছিল। যাতে ও বুঝতে পারে, আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি। তার পর আমাদের অনেকগুলো ছবি তুলল ইসমাইল। সব ছবিই অপূর্ব।’ সূত্র: লেটেস্টলি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: মিশর

৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

আরও
আরও পড়ুন