Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫, ১৩ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌
শিরোনাম

‘মাছি’ নিয়ে বিশ্বনবীর (সা.) কথা মানলো বিজ্ঞান

প্রকাশের সময় : ২৬ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

প্রায় ১৪০০ বছর আগে নাজিল হওয়া আল-কোরআনের বিশ্লেষণ করে মানুষ মঙ্গল গ্রহ পর্যন্ত পৌঁছেছে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ১৪০০ বছর আগে মাছি প্রসঙ্গে যে কথাটি বলেছিলেন, তা আমাদের আধুনিক বিজ্ঞানও মেনে নিয়েছে। বুখারি ও ইবনে মাজাহ হাদিসে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যদি তোমাদের কারো পাত্রে মাছি পতিত হয় সে যেন উক্ত মাছিটিকে ডুবিয়ে দেয়। কেননা তার একটি ডানায় রোগজীবাণু রয়েছে, আর অপরটিতে রয়েছে রোগনাশক ঔষধ’(বুখারি)। জ্ঞানবিজ্ঞানের যখন অগ্রগতি হলো, যখন ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস জীবাণু সম্পর্কে জ্ঞানের অগ্রগতির মাধ্যমে বর্ণিত হচ্ছে, ‘মাছি মানুষের শত্রু, সে রোগজীবাণু বহন করে এবং স্থানান্তরিত করে। মাছির ডানায় রোগজীবাণু রয়েছে তাতে কোন সন্দেহ নেই।’ তাই যদি হয় তাহলে কিভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রোগজীবাণু বহনকারী মাছিকে ডুবিয়ে নেয়ার আদেশ করলেন?
এ বিষয়ে কিং আব্দুল আজীজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উস্তাদ ডক্টর ওয়াজিহ বায়েশরী এই হাদিসের আলোকে মাছি নিয়ে কয়েকটি পরীক্ষা চালান। জীবাণুমুক্ত কিছু পাত্রের মধ্যে কয়েকটি মাছি ধরে নিয়ে জীবাণুমুক্ত টেস্টটিউবের মধ্যে আবদ্ধ করে রাখেন। তারপর নলটি একটি পানির গ্লাসে উপুড় করেন। মাছিগুলো পানিতে পতিত হওয়ার পর উক্ত পানি থেকে কয়েক ফোঁটা পানি নিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে পান, সেই পানিতে অসংখ জীবাণু রয়েছে।
তারপর জীবাণুমুক্ত একটি সূঁচ দিয়ে মাছিকে ওই পানিতেই ডুবিয়ে দেন। তারপর কয়েক ফোঁটা পানি নিয়ে পরীক্ষা করে দেখেন, সেই পানিতে আগের মতো আর জীবাণু নেই, বরং কম। তারপর আবার ডুবিয়ে দেন। তারপর কয়েক ফোঁটা পানি নিয়ে আবার পরীক্ষা করেন। এমনিভাবে কয়েকবার পরীক্ষা করে দেখেন যে, যত বার মাছিকে ডুবিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছেন ততই জীবাণু কমেছে অর্থাৎ ডক্টর ওয়াজীহ এটা প্রমাণ করে দেখিয়েছেন, মাছির একটি ডানায় রোগজীবাণু রয়েছে এবং অপরটিতে রোগনাশক ওষুধ রয়েছে।
সম্প্রতি সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত অষ্টম চিকিৎসা সম্মেলনে কানাডা থেকে দু’টি গবেষণা-রিপোর্ট পাঠিয়েছিল যাতে বর্ণিত ছিল, মাছিতে এমন কোন বস্তু রয়েছে যা জীবাণুকে ধ্বংস করে দেয়। শাইখ মোস্তফা এবং শাইখ খালীল মোল্লা এই বিষয়ে জার্মান ও ব্রিটেন থেকে রিসার্চগুলো ধারাবাহিক সংগ্রহের মাধ্যমে একটি বই বের করেছেন যার মূল বিষয় ছিল :
‘নিশ্চয়ই মাছির একটি ডানায় রয়েছে রোগ, আর অপরটিতে রয়েছে রোগ নাশক ঔষধ’ (বুখারি)।
মাছি যখন কোন খাদ্যে বসে তখন যে ডানায় জীবাণু থাকে সে ডানাটি খাদ্যে ডুবিয়ে দেয়। অথচ তার অপর ডানায় থাকে প্রতিরোধক ওষুধ। যদি মাছিকে ডুবিয়ে দেয়া হয়, তাহলে প্রতিরোধক খাদ্যের সঙ্গে মিশে মারাত্মক জীবাণুগুলোকে ধ্বংস করে দেয় এবং সেই খাদ্য স্বাস্থ্য ও সুস্থতার জন্য অনুকূল থাকে। নতুবা এই খাদ্যই জীবাণুযুক্ত হয়ে মানব ধ্বংসের কারণ হতে পারে।
সেই চৌদ্দশ বছর পূর্বে এই ক্ষুদ্র জীবাণু দেখার শক্তি মানুষের ছিল না। অথচ রাসূল (সা.) সেগুলোর দিকে ইঙ্গিত করেছেন এবং সে সম্পর্কে কথা বলেছেন এবং ঐ বিপদজনক দিক বর্ণনা করেছেন যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক।
ষ ফারজানা অমি
লালপুর, ফতুল্লা।



 

Show all comments
  • মো ফারবেজ হোসাইন ২৬ অক্টোবর, ২০১৬, ৭:০১ এএম says : 0
    দারুন! এ রিপোর্টাও নাস্তিকদের জন্য প্রতিরোধক
    Total Reply(0) Reply
  • MOHAMMAD IBRAHIM EMDAD ২৬ অক্টোবর, ২০১৬, ১:৩১ পিএম says : 1
    পৃথিবীর সব চাইতে বড় বিজ্ঞানী আমার প্রানের নবীজি(সা:)
    Total Reply(0) Reply
  • Shakil Chowdury ২৬ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:৩৬ পিএম says : 1
    Tara na manle kisu jay ase na hujur pak (s) jeta bolen setai science.
    Total Reply(0) Reply
  • Rashel Ul Islam ২৬ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:৩৭ পিএম says : 0
    মানতেই হবে।কারন হুজুর পাক(সঃ) পৃথিবীর সমস্ত সাইনটিস্টের গুরু।
    Total Reply(0) Reply
  • Ornop ২৬ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:৩৮ পিএম says : 1
    Subahan allah. Sotti mohan allahor sukriya aday kore ses kora jabe na.
    Total Reply(0) Reply
  • MD Shahin Alam ২৬ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:৩৮ পিএম says : 2
    আল্লাহু আকবার
    Total Reply(0) Reply
  • Liton Hossain ২৬ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:৩৯ পিএম says : 0
    মানতেই হবে
    Total Reply(0) Reply
  • Md Oliullah ২৬ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:৩৯ পিএম says : 1
    পৃথিবীর সব চাইতে বড় বিজ্ঞানী আমার প্রানের নবীজি(সা:)
    Total Reply(0) Reply
  • Shaheen Safiul ২৬ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:৩৯ পিএম says : 2
    সুবহানআল্লাহ
    Total Reply(0) Reply
  • তাওহীদ ৩০ অক্টোবর, ২০১৬, ৮:১৬ এএম says : 0
    শুধুমাত্র ১টি হাদিস নয়, সকল হাদিস ই বিজ্ঞান মতে উপকারি।নাজানা আমাদের কমতি
    Total Reply(0) Reply
  • MD Habibur Rahman ৯ এপ্রিল, ২০১৮, ৯:২৫ এএম says : 0
    Subhanallah
    Total Reply(1) Reply
    • MD DELWAR HOSSEN ২৭ এপ্রিল, ২০১৮, ৪:২৪ পিএম says : 0
      আল্লাহু আকবার

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।