Inqilab Logo

বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৩ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

পরস্পরবিরোধী বক্তব্য গৃহবধূ ও পুলিশের

কক্সবাজারে পর্যটককে ধর্ষণ

কক্সবাজার ব্যুরো : | প্রকাশের সময় : ২৫ ডিসেম্বর, ২০২১, ১২:০১ এএম

এক পর্যটক গৃহবধূ সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর ভুক্তভোগী নারী ৯৯৯-এ ফোন করে সেবা পাননি বলে করা অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেছে পুলিশ। কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. হাসানুজ্জামান দাবি করেছেন, ওই নারী সাহায্য চেয়ে ৯৯৯-এ ফোন করেননি। গতকাল শুক্রবার কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. হাসানুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত একজন ওই নারীর পূর্ব পরিচিত। তাদের মধ্যে কী নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল, অন্য কোনো বিষয় ছিল কি না, এসব বিষয় নিয়ে পুলিশ পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত চলছে।

৯৯৯-এ ফোন করে সাড়া না পাওয়ার অভিযোগ সম্পর্কে এসপি বলেন, ৯৯৯-এ যে কেউ ফোন করলে সেটি রেকর্ড থাকে। আমি নিজে ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে ও তার স্বামীর সঙ্গে কথা বলেছি, তারা বলেছেন ৯৯৯-এ ফোন করেননি তারা কেউই।

পুলিশে দাবি, ভুক্তভোগী নারী ঢাকার যাত্রাবাড়ির জুরাইন এলাকায় থাকার কথা বললেও ওই দম্পতি তাদের সন্তানসহ তিন মাস ধরে কক্সবাজারের বিভিন্ন হোটেলে থাকছিলেন। তারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নাম ব্যবহার করতেন। ওই নারী পুলিশের কাছে বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলেও দাবি করেছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।

ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর অভিযোগ, তিনি ৯৯৯ নম্বরে কল করলে তাকে সরাসরি কক্সবাজার সদর মডেল থানার সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হয়। থানা থেকে তাকে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে সড়কের পাশে টাঙানো সাইনবোর্ড থেকে র‌্যাব-১৫-এর নম্বর নিয়ে ফোন করলে তারা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। এদিকে ধর্ষিত পর্যটক গৃহবধূ দম্পতির বক্তব্য এবং পুলিশের বক্তব্যে বিস্তর ফারাক দেখা দেয়ায় সচেতন মহলে নানা ধরণের প্রশ্ন দেখা দেয়া স্বাভাবিক। অনেকের মতে ধর্ষণের বিষয়টি কোন মহলের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: কক্সবাজারে পর্যটককে ধর্ষণ
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ