Inqilab Logo

বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট ২০২২, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৯, ১২ মুহাররম ১৪৪৪
শিরোনাম

ইউপি নির্বাচনে সহিংসতা নিয়ে ক্ষোভ সামাজিক মাধ্যমে

৪র্থ ধাপে বিদ্রোহী প্রার্থীদের জয়জয়কার নিয়ে যে প্রতিক্রিয়া

সোশ্যাল মিডিয়া ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১, ১২:৫৯ পিএম

দেশব্যাপী ৪র্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে বিদ্রোহী, বিএনপি (স্বতন্ত্র), জামাত, জাপার প্রার্থীদের ঢেউয়ে নৌকার ভরাডুবি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটিজেনরা। একইসাথে নির্বাচনী সহিংসতা নিয়ে চরম ক্ষোভ জানান তারা। সামাজিক মাধ্যমে ভোট কারচুপির প্রতিবাদেও সরব হতে দেখা যায় অনেককে।

গতকাল রোববার (২৬ ডিসেম্বর) দেশের বিভিন্ন স্থানে চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অনুষ্ঠিত হয়। এদিন আ'লীগে প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট কারচুপির অভিযোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সাথে গ্রামবাসীর সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।

অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের জয়জয়কার নিয়েও নানা মন্তব্য ব্যক্ত করেন সমালোচকরা।

নেট দুনিয়ায় সমালোচকরা বলছেন, নির্দলীয় উপজেলা নির্বাচনকে দলীয় নির্বাচনের রূপ দেওয়া, স্থানীয় নির্বাচনকে আওয়ামী লীগ-বিএনপি জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের প্রতিযোগিতায় নামা ও ইসি নির্বাচনী আইনকানুন সঠিকভাবে প্রয়োগ না করায় নির্বাচনে সংঘাত-সহিংসতা বাড়ছে। অন্যদিকে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনকে রাজনৈতিক দলের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের মাপকাঠি মনে করায়- বড় রাজনৈতিক দলগুলো এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যুদ্ধের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছে। এতে সহিংসতা তীব্র হচ্ছে।

ফেসবুকে হারুন মোহাম্মাদ লিখেছেন, ‘‘বিএনপির নির্বাচন যাইনি সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে আজ আওয়ামী লীগ আওয়ামী লীগের প্রতি দন্ডি করছে বিপুল পরিমাণ প্রানহানি ঘঠছে। এর মধ্যে যদি নির্বাচনে বিএনপি যেত হাজার হাজার লোক নিহত হতো। এই সরকার ও এই নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে নির্বাচন সুষ্ঠ হবে না।’’

এইচএ সাদ্দাম মনে করেন, ‘‘বর্তমান সময়ে যারা নৌকার বিরুদ্ধে গিয়ে বিজয়ী হয়েছে তাঁরা তাদের দলের লোকেই,,তাঁরা মন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা রাখে..।আর যদি ফেয়ার নির্বাচন হয় তাহলে তাদের দলের কেউ বিজয়ী হওয়ার সম্ভবনা নেই।’’

মুক্তারুল খানের মন্তব্য, ‘‘জনগনের পাল্স এখনো না বুঝলে খবর আছে।একবার ক্ষমতা হারালে আর কখনো ক্ষমতা ফিরে পাওয়া যাবে না।সব ব্যাপারে বিএনপিকে দোষ দিয়ে পার পাওয়া যাবে না।ঘর সামলান নইলে বিপদ অতি সন্নিকটে। আওয়ামী লীগ এখন পুরাটাই সুবিধা বাদীদের দখলে।’’

নির্বাচনী সহিংসতায় ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে বসির শিপন লিখেছেন, ‘‘নির্বাচন কাকে বলে দেশের জনগণ ভুলে গেছে, এই দেশের মানুষের ভোট দেওয়ার অধিকার কেড়ে নিয়েছে, নির্বাচনের সহিংসতায় যত মানুষ মারা যাচ্ছে এর সবগুলোর দাই এই কমিশনার কে নিতে হবে।’’



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ইউপি নির্বাচন

৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ