Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩ আশ্বিন ১৪২৬, ১৮ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী।

সুইমিংপুলে সাগরের দুঃখ

প্রকাশের সময় : ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬, ১২:০০ এএম

স্পোর্টস রিপোর্টার, গৌহাটি (ভারত) থেকে : বাংলাদেশের অন্যতম সেরা সাঁতারু মাহফিজুর রহমান সাগর। জাতীয় পর্যায়ের ফ্রিস্টাইলের বিভিন্ন ইভেন্টে স্বর্ণপদক জেতা যেন তার জন্য সময়ের ব্যাপার মাত্র। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গেমসেও বেশ কিছু পদক জয়ের রেকর্ড রয়েছে তার। পাবনার এই সাঁতারু সাফল্য ধরে রাখেন ইন্দো-বাংলা বাংলাদেশ গেমস, ২০১০ ঢাকা এসএ গেমস, ইয়ুথ এশিয়ান গেমস ২০০৯, ইয়ুথ এশিয়ান অলিম্পিক ২০১০, ১৯তম কমনওয়েলথ গেমসের মতো আন্তর্জাতিক আসরেও। এবারের গৌহাটি-শিলং ১২তম এসএ গেমসেও ছয়টি ব্রোঞ্জপদক জয় করেছেন সাগর। এগুলো হলো-৪০০ মিটার ফ্রিস্টাইল, ৫০ মিটার ফ্রিস্টাইল, ১৫০০ মিটার ফ্রিস্টাইল, ২০০ মিটার ফ্রিস্টাইল, চার গুণিতক ২০০ মিটার ফ্রিস্টাইলে আসিফ রেজা, অনিক ইসাম, জুয়েল আহমেদের সঙ্গে এবং চার গুণিতক ১০০ ফ্রি স্টাইলে জুয়েল আহমেদ, কামাল হোসেন, নবীন নাহিদ ও মাহফিজুর রহমান সাগর ব্রোঞ্জপদকগুলো এনে দেন। আসরে ছয় পদক জিতলেও তার দুঃখের যেন শেষ নেই। গৌহাটিতে মেয়েদের সাঁতারে দু’দুটি স্বর্ণ জিতেছেন বাংলাদেশের জলকন্যা মাহফুজা খাতুন শিলা। কিন্তু সেই সোনার কপাল ছিল না সাগরের। এ জন্য অবশ্য তিনি দায়ী করেন অপর্যাপ্ত সরজ্ঞামাদি এবং অনেকেরই অসহযোগিতার। বুধবার গৌহাটি ছাড়ার আগে মিডিয়াকে বলে গেলেন তার দুঃখভারাক্রান্ত কিছু কথা। সাগর বলেন, ‘সাঁতারে আমাদের অনেক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন। সবচেয়ে বড় কথা হলো পুলে ইলেক্ট্রোনিকস টাইমিং যন্ত্র নেই। এছাড়া প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ এবং কস্টিউমসগুলো আমাদের বাইরে থেকে আনতে হয়। আবার দেখা যায় কোরিয়ার কোচ পার্ক তে গুন চলে গেলে এগুলো নষ্ট হয় যেতে পারে। যা আমাদের সব সময় দরকার।’ ২০১০ সালে ঢাকা এসএ গেমসে দু’টি করে রপা ও ব্রোঞ্জ জেতা সাগর বলেন, ‘একজন সাঁতারুকে কি পরিমাণ এবং কি খেতে হবে তাও খেয়াল রাখতে হবে ফেডারেশনকে। খাওয়াতেও আমরা অনেক দুর্বল। অথচ ব্রাজিলের রিও অলিম্পিকের আগে যে অনুশীলনে গিয়েছিলাম, সেখানে গিয়ে অনেক কিছু শিখে এসেছি।’ এবারের এসএ গেমস নিয়ে সাগরের বলেন, ‘২০১৩ সালে বাংলাদেশ গেমসে যে রেকর্ডগুলো করেছিলাম তা ভাঙ্গতে পারিনি। তারপরও এখানে অনেক ভালো করেছি। এখানে অবশ্য কোচ পার্কের অবদানও অনেক।’ রিও অলিম্পিক নিয়ে ২০১৩ সালে অষ্টম বাংলাদেশ গেমসে সাতটি স্বর্ণ জেতা এই সাঁতারু বলেন, ‘সরাসরি সুযোগ পেতে হলে ট্রেনিং ক্যাম্প ধরে রাখতে হবে। তবে এবার না হলে ২০২০ সালে টোকিও অলিম্পিকে সেটা সম্ভব হবে। কারণ আমাদের কোচ পার্ক তে গুন অলিম্পিকে স্বর্ণ পদক জিতেছেন। তাকে যদি ২০১৬ পর্যন্ত ধরে রাখতে পারি, তাহলে সামনের গেমসগুলোকে আমরা আরও স্বর্ণপদক জিততে পারবো।’



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন