Inqilab Logo

ঢাকা, বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ৩০ কার্তিক ১৪২৫, ০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
শিরোনাম

ভুয়া ডিগ্রীর ‘বড়’ ডাক্তার

প্রকাশের সময় : ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:০০ এএম | আপডেট : ১০:৫২ পিএম, ২৭ অক্টোবর, ২০১৬

টাকা দিলেই মেলে জাল সার্টিফিকেট : বড় ডিগ্রী দেখিয়ে মোটা অঙ্কের ফি আদায় : ১৫ মাসে ভুল চিকিৎসায় ৩৫০ জনের মৃত্যু : ভুয়া ডাক্তারদের নির্মূলের দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর : বিএমডিসি সভাপতি
নূরুল ইসলাম : রাজধানীর ভাটারা কুড়াতলী বাজারের রাসেল মেডিসিন কর্ণার নামক চেম্বারে রোগী দেখতেন ডা. শাহাদাত হোসেন আমানউল্লাহ। তার নামের পাশে ডিগ্রী লেখা এমবিবিএস, এফসিপিএস (মেডিসিন) পার্ট-২, সিসিডি (বারডেম), ডিএমইউ (ঢাকা), কনসালটেন্ট সনোলজিস্ট। র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে বিশেষজ্ঞ দাবিদার এই ডাক্তার কোনো সনদ দেখাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ভুয়া ডাক্তার হিসাবে আদালত তাকে ৬ মাসের কারাদ- ও ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন। নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল চৌধুরীবাড়ি বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত একটি হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে মোবারক ইসলাম (৪০) নামে এক ভুয়া ডাক্তারকে অপারেশন টেবিলে হাতেনাতে গ্রেফতার করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভুয়া ওই ডাক্তার জনস্বাস্থ্য জেনারেল হাসপাতালে হানিফা আক্তার (১৭) নামে এক কিশোরীর এপেন্ডিসাইটিসের অপারেশন করছিলেন। পরে তাকে দুই বছরের কারাদ- দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট। সারাদেশেই এরকম ভুয়া ডাক্তারদের দৌরাত্ম্য বেড়েই চলেছে। নামের শেষে বাহারী ডিগ্রী লাগিয়ে এবং চকচকে সাইনবোর্ড ব্যবহার করে এরা নিরীহ মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছে। এসব প্রতারকচক্রের কারণে চিকিৎসা সেবায় অরাজক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ভুল চিকিৎসায় ও গাফিলতিতে বহু মানুষের প্রাণ অকালে ঝরে যাচ্ছে। বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) সভাপতি প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ শহীদুল্লা ইনকিলাবকে বলেন, আমরা চাই ভুয়া ডাক্তারদের সমূলে নির্মূল করা হোক। এতে করে বহু রোগীর জীবন রক্ষা পাবে। তিনি বলেন, ভুয়া ডাক্তারদের নির্মূলের দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। আমি মনে করি এ বিষয়ে তাদের জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়া উচিত।
সারাদেশে প্রতি বছর ভুয়া ডাক্তারদের ভুল চিকিৎসা ও গাফিলতিতে কত রোগীর মৃত্যু হচ্ছে তার সঠিক পরিসংখ্যান জানা যায়নি। তবে একটি বেসরকারি সংস্থার হিসাব মতে, গত বছর এবং চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত ১৫ মাসে সারাদেশে ভুল চিকিৎসা ও ভুয়া ডাক্তারের কবলে পড়ে প্রায় সাড়ে তিনশ’ রোগীর করুণ মৃত্যু ঘটেছে। এর মধ্যে রাজধানীর নামিদামি হাসপাতালসহ প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোতে চিকিৎসকের ভুল ও গাফিলতিতে ৫৬ জন এবং ঢাকার বাইরে আরো প্রায় তিনশ’ জন রোগী মারা গেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভুয়া ডিগ্রিধারী ডাক্তারদের ভুল চিকিৎসায় রোগীর শারীরিক অবস্থা জটিল হয়েছে। অল্প সময়েই নিভে গেছে অনেকের জীবন প্রদীপ।
বিএমডিসি’র হিসেবে শুধু রাজধানীতে আড়াই সহস্রাধিক ভুয়া ডাক্তার রয়েছে। সারাদেশে এ সংখ্যা ২০ হাজারেরও বেশি। বাস্তবে বিএমডিসি’র হিসাবের চেয়েও কয়েকগুণ বেশি ভুয়া ডাক্তার ঢাকাসহ সারাদেশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।
ভুয়া ডাক্তারের পাশাপাশি জাল ডিগ্রীধারী ‘বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের’ সংখ্যাও কম নয়। তারা এমবিবিএস পাসের পর নামের আগে পিছে দেশ-বিদেশের ভুয়া উচ্চতর ডিগ্রী ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে। বছরের পর বছর রোগী দেখতে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের ফি।
র‌্যাব সূত্র জানায়, র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে রাজধানীতে প্রায়ই ভুয়া ডাক্তার গ্রেফতার হচ্ছে। কিছুদিন আগেও ৯ জন ভুয়া ডাক্তারকে রোগীদের চিকিৎসায় ব্যস্ত থাকাবস্থায় আটক করা হয়েছে। এছাড়া সিলেট, চট্টগ্রাম, রংপুর ও খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন ক্লিনিক, ডায়াগোনেস্টিক সেন্টার এবং ফার্মেসীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। সম্প্রতি এমবিবিএস এবং বিশেষজ্ঞ ডাক্তার পরিচয়ে রোগী দেখার সময় আরো ১১ জনকে হাতে নাতে আটক করে তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানা ছাড়া কারাদ- প্রদান করে কারাগারে পাঠানো হয়। দ-িত ভুয়া ডাক্তাররা স্বীকার করে জানান, টানা কয়েক বছর ধরে তারা অনেক জটিল, কঠিন রোগের ব্যবস্থাপত্র দিয়ে আসছিলেন। সেসব রোগীদের ভাগ্যে কি ঘটেছে সে ব্যাপারে তারা কিছু জানাতে পারেননি। র‌্যাব সূত্র জানায়, ভুয়া ডাক্তাররা প্রায়ই তাদের ব্যবসার স্থান পরিবর্তন করে এবং কৌশলে সহজ সরল মানুষকে ফাঁকি দিয়ে ব্যবসা চালিয়ে থাকে। রাজধানীর প্রতিটি থানা এলাকায় এরকম ভুয়া ডাক্তারের অভাব নেই। অনুসন্ধানে জানা গেছে,  যাত্রাবাড়ী, রায়েরবাগ, ধোলাইপাড়, মীরহাজিরবাগ, জুরাইনের বেশ কয়েকটি প্রাইভেট ক্লিনিকে ভুয়া ডাক্তার দিব্যি রোগী দেখছে এবং চিকিৎসাপত্র দিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় মাস্তান, রাজনৈতিক দলের নেতা ও প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করেই তারা প্রতারণা করে যাচ্ছে। রাজধানীর শনির আখড়ায় সিটি লায়ন আই হসপিটাল এন্ড অপটোমেট্রি রিসার্চ ইন্সটিটিউট নামে হাসপাতালে এরকম একজন ভুয়া চক্ষু বিশেষজ্ঞ মুহাম্মদ মিজানুর রহমান। তার নামের পাশে একাধিক ডিগ্রীর সাথে রয়েছে এমএস (ক্লিনিক্যাল অপটোমেট্রি), পিএইচডি। হাসপাতালের বাইরে সাইনবোর্ডে তার নামের পাশে ডিগ্রীর বাহার দেখে যেকোনো মানুষ মনে করবেন তিনি একজন ‘বড়’ ডাক্তার। একজন চক্ষু সার্জন জানান, এক সময় আই ক্যাম্পের অর্গানাইজার ছিলেন এই মিজানুর রহমান। যাত্রাবাড়ীতে চক্ষু ডাক্তারদের সহকারী হিসাবে কাজ করতেন। সেই অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে তিনি নিজেই ‘ডাক্তার’ সেজে শনির আখড়া বাস স্ট্যান্ডের পশ্চিমে দনিয়া কলেজের পাশে সিটি লায়ন আই হসপিটাল খুলে বসেছেন। স্থানীয়রা জানায়, ভুয়া ওই ডাক্তারের অপচিকিৎসায় ইতোমধ্যে অনেককেই খেসারত দিতে হয়েছে। গতকাল টেলিফোনে জানতে চাইলে মিজানুর রহমান স্বীকার করেন তার বিএমডিসির কোনো সনদ নেই। নামের পাশের ডিগ্রীগুলো সম্পর্কে তিনি বলেন, ভারত থেকে ক্লিনিক্যাল অপটোমেট্রির উপর এমএস ও পিএইচডি করেছি। হাসপাতালের চেম্বারে বসে রোগী দেখার কথা তিনি অস্বীকার করে বলেন, আমি প্রাইমারী লেবেলে চিকিৎসা করি। অথচ এলাকার অনেকেই সাক্ষী তিনি নিজেকে ‘বিশেষজ্ঞ ডাক্তার’ বলে পরিচয় দেন এবং নিজেই রোগী দেখেন। এমনকি এলাকার প্রভাবশালীদের সাথে তার গভীর সখ্যতার কথাও তিনি রোগীদের কাছে জাহির করে বেড়ান। গত মঙ্গলবার বিকালে সিটি লায়ন আই হসপিটালে গিয়ে মিজানুর রহমান সম্পর্কে জানতে চাইলে সেখানে রিসিপশনের দায়িত্বে থাকা একজন বলেন, স্যার আজ সাড়ে চারটা থেকে রোগী দেখবেন। এরপর তিনি মিজানুর রহমানের একটি ভিজিটিং কার্ড ধরিয়ে দেন। এমএস (ক্লিনিক্যাল অপটোমেট্রি) এবং পিএইচডি সম্পর্কে প্রথিতযশা চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা প্রফেসর ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী গতকাল ইনকিলাবকে বলেন, এগুলো কোনো ডিগ্রী নয়। হয়তোবা তিনি ভারতে গিয়ে কোনো কোর্স করেছেন। সেই কোর্সকে ডিগ্রী হিসাবে নামের পাশে বসিয়ে দিয়েছেন। সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, বিএমডিসির তালিকাভুক্তি ছাড়া রোগী দেখার কোনো সুযোগ নেই। যাত্রাবাড়ীর ধোলাইপাড় এশিয়া হাসপাতালে জামাল হোসেন নামে একজন ভুয়া ডাক্তার আছেন। এর আগে র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়ে জরিমানাসহ জেলও খেটেছেন তিনি। কিন্তু তাতেও তার দৌরাত্ম্য থামেনি। স্থানীয়রা জানান, রোগীদের কাছে এখনও তিনি বিশাল ডিগ্রীধারী ‘বড়’ ডাক্তার। ধোলাইপাড় কবরস্থানের কাছে জেসি জেনারেল হাসপাতাল, বাসস্ট্যান্ডের কাছে কিউর জেনারেল হাসপাতালেও এরকম ভুয়া ডাক্তার আছে বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন। রায়েরবাগ এলাকায় দুটি হাসপাতালে নিয়মিত রোগী দেখেন বেশ কয়েকজন ভুয়া ডাক্তার। আলাপকালে একজন মহিলা ডাক্তার বলেন, তিনি মাঝে মধ্যে রায়েরবাগের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে অপারেশন করতেন। কিন্তু যেদিন দেখেছেন একজন ভুয়া ডাক্তার সিজারিয়ান অপারেশন করছেন, সেদিন থেকে তিনি আর ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ডাকে আর সাড়া দেন না। রাজধানীর উত্তরার একটি অভিজাত হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পরিচয়ে দায়িত্ব পালন করতেন ডা. মোহাম্মদ শহিদুর রহমান নামের এক ব্যক্তি। তার ভুল চিকিৎসার বিষয়টি সন্দেহজনক হলে প্রতিষ্ঠানটি শহিদুর রহমানের সার্টিফিকেট যাচাই করতে যান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিশ্চিত করে, ওই নামের কোনও শিক্ষার্থী ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাস করেনি। অবশেষে প্রতিষ্ঠানটি স্বঘোষিত ওই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে বহিষ্কার করলেও আর কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়নি তার বিরুদ্ধে। এরকম বহু ভুয়া ডাক্তার সাইনবোর্ডে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পরিচয়ে রাজধানীসহ সর্বত্রই রমরমা প্রতারণা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে।
র‌্যাবের এক অভিযানে ঢাকার গাবতলী থেকে মেডিক্যাল ডিপ্লোমা ট্রেনিং একাডেমী নামে ভুয়া প্রতিষ্ঠান হতে বিপুল পরিমাণ ভুয়া ডাক্তারি সার্টিফিকেটসহ মিসেস জলি (৩৫), ডাক্তার মোঃ জাহাঙ্গীর (৪৫) কে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, উক্ত ট্রেনিং একাডেমী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া দীর্ঘদিন যাবৎ এমবিবিএস, ডেন্টাল ডিপ্লোমা, বিডিএস কোর্স, নার্সিং ডিপ্লোমা, রেডিওলজি ডিপ্লোমা ইত্যাদি কোর্সে ছাত্র ভর্তি করে ভূয়া সার্টিফিকেট দিয়ে আসছিল।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, শতকরা ৯০ ভাগ ভুয়া ডিগ্রীধারী ডাক্তার দ্বারাই বেশিরভাগ বেসরকারি হাসপাতাল- ক্লিনিক-নার্সিং হোমের চিকিৎসা সেবা পরিচালিত হচ্ছে। বাণিজ্যের লক্ষ্যে ভুয়া ডাক্তাররা নামের পেছনে এফআরএসএইচ, এমএসিপি, এফএসিপি, পিজিটি, এমডি ও এফসিপিএস (ইনকোর্স) ও পার্ট-১ অথবা পার্ট-২সহ বিভিন্ন ডিগ্রীর কথা উল্লেখ করে থাকে। শুধু তাই নয়, ভুয়া ডিগ্রীর সঙ্গে লন্ডন, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের নামও উলেখ করা হয়। এ কারণে সাধারণ রোগীরা এসব ডাক্তারকে বিদেশী ডিগ্রীপ্রাপ্ত বলে মনে করেন। এতো এতো ডিগ্রি দেখে সরল মনে ভুয়া ডাক্তারদের দেখানোর জন্য ভিড় জমায়। এ সুযোগে ভুয়া ডাক্তাররা রোগী প্রতি ফি নেন পাঁচশ’ থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত। সূত্র জানায়, জেনারেল প্র্যাকটিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার ক’দিন পর থেকেই একশ্রেণির প্রশিক্ষনার্থী নিজেকে এমবিবিএস এবং বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করেন। কমিশনের লোভে এক শ্রেণীর দালাল চক্র একের পর এক অসহায় রোগীকে ওই সব ভুয়া ডাক্তারের কাছে পকেট কাটার জন্য নিয়ে যায়। হাসপাতালের নার্স, টেকনিশিয়ান, পিয়ন, ম্যানেজার, প্রশাসক সকলেই চিকিৎসক হিসেবে রোগী দেখেন এবং জটিল অপারেশনে অংশ নেন। রোগ নির্ণয় ও প্রেসক্রিপশনে ত্রুটি থাকে অহরহ। আর ভুল ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় প্রায়ই রোগী মারা যাওয়ার ঘটনাকে স্বজনরা এখন নিয়তি বলে মেনে নিতেই বাধ্য হচ্ছেন।
বিএমডিসি’র একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, এমবিবিএস পাস করার পর ৩ বছর ট্রেনিং ও ১ বছর কোর্স করার পর এফসিপিএস শেষ হয়। কিন্তু অনেক ডাক্তার এফসিপিএস পার্ট-১ শেষ হবার পর সেটি নামের পেছনে ‘ডিগ্রী’ হিসেবে সংযুক্ত শুরু করে দেন। অনেক ক্ষেত্রে এফসিপিএস (চূড়ান্তপর্ব) লেখাও থাকছে নামের পেছনে। এছাড়া এমআরএসএইচ (লন্ডন), এফআরএসএইচ (ইউকে), আরআইসিপি (ইন্ডিয়া) এমএএমএস (ভিয়েনা), এফআইসিএ, আরআইসিএ, এফসিসিপি (আমেরিকা) ইত্যাদি জানা, না জানা একাধিক ডিগ্রী লাগিয়ে আধাদক্ষ ডাক্তারও নিজেকে বিশেষ ‘যোগ্য’ বলে প্রচারের পাঁয়তারায় লিপ্ত থাকেন। বাংলাদেশ মেডিক্যাল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) মতে, এগুলো কোন ডিগ্রী নয়। পাশাপাশি ওই ডিগ্রীধারীদের কি ধরনের প্রশিক্ষণ রয়েছে তাও জানা নেই দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের।



 

Show all comments
  • humayun kabir ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:১১ এএম says : 0
    এ জালেদের কম করে 7/8 বছরের সাজা হওয়া উচিত । 5/7 লাখ টাকা জরিমানা ও 50 বেত জনগনের সামনে অপমান মারা উচিত ।
    Total Reply(0) Reply
  • humayun kabir ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:১১ এএম says : 0
    এ জালেদের কম করে 7/8 বছরের সাজা হওয়া উচিত । 5/7 লাখ টাকা জরিমানা ও 50 বেত জনগনের সামনে অপমান মারা উচিত ।
    Total Reply(0) Reply
  • humayun kabir ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:১১ এএম says : 0
    এ জালেদের কম করে 7/8 বছরের সাজা হওয়া উচিত । 5/7 লাখ টাকা জরিমানা ও 50 বেত জনগনের সামনে অপমান মারা উচিত ।
    Total Reply(0) Reply
  • humayun kabir ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:১১ এএম says : 0
    এ জালেদের কম করে 7/8 বছরের সাজা হওয়া উচিত । 5/7 লাখ টাকা জরিমানা ও 50 বেত জনগনের সামনে অপমান মারা উচিত ।
    Total Reply(0) Reply
  • humayun kabir ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:১১ এএম says : 0
    এ জালেদের কম করে 7/8 বছরের সাজা হওয়া উচিত । 5/7 লাখ টাকা জরিমানা ও 50 বেত জনগনের সামনে অপমান মারা উচিত ।
    Total Reply(0) Reply
  • humayun kabir ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:১১ এএম says : 0
    এ জালেদের কম করে 7/8 বছরের সাজা হওয়া উচিত । 5/7 লাখ টাকা জরিমানা ও 50 বেত জনগনের সামনে অপমান মারা উচিত ।
    Total Reply(0) Reply
  • humayun kabir ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:১১ এএম says : 0
    এ জালেদের কম করে 7/8 বছরের সাজা হওয়া উচিত । 5/7 লাখ টাকা জরিমানা ও 50 বেত জনগনের সামনে অপমান মারা উচিত ।
    Total Reply(0) Reply
  • humayun kabir ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:১১ এএম says : 0
    এ জালেদের কম করে 7/8 বছরের সাজা হওয়া উচিত । 5/7 লাখ টাকা জরিমানা ও 50 বেত জনগনের সামনে অপমান মারা উচিত ।
    Total Reply(0) Reply
  • humayun kabir ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:১১ এএম says : 0
    এ জালেদের কম করে 7/8 বছরের সাজা হওয়া উচিত । 5/7 লাখ টাকা জরিমানা ও 50 বেত জনগনের সামনে অপমান মারা উচিত ।
    Total Reply(0) Reply
  • humayun kabir ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:১১ এএম says : 0
    এ জালেদের কম করে 7/8 বছরের সাজা হওয়া উচিত । 5/7 লাখ টাকা জরিমানা ও 50 বেত জনগনের সামনে অপমান মারা উচিত ।
    Total Reply(0) Reply
  • humayun kabir ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:১১ এএম says : 0
    এ জালেদের কম করে 7/8 বছরের সাজা হওয়া উচিত । 5/7 লাখ টাকা জরিমানা ও 50 বেত জনগনের সামনে অপমান মারা উচিত ।
    Total Reply(0) Reply
  • humayun kabir ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:১১ এএম says : 0
    এ জালেদের কম করে 7/8 বছরের সাজা হওয়া উচিত । 5/7 লাখ টাকা জরিমানা ও 50 বেত জনগনের সামনে অপমান মারা উচিত ।
    Total Reply(0) Reply
  • humayun kabir ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:১১ এএম says : 0
    এ জালেদের কম করে 7/8 বছরের সাজা হওয়া উচিত । 5/7 লাখ টাকা জরিমানা ও 50 বেত জনগনের সামনে অপমান মারা উচিত ।
    Total Reply(0) Reply
  • humayun kabir ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:১১ এএম says : 0
    এ জালেদের কম করে 7/8 বছরের সাজা হওয়া উচিত । 5/7 লাখ টাকা জরিমানা ও 50 বেত জনগনের সামনে অপমান মারা উচিত ।
    Total Reply(0) Reply
  • humayun kabir ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:১১ এএম says : 0
    এ জালেদের কম করে 7/8 বছরের সাজা হওয়া উচিত । 5/7 লাখ টাকা জরিমানা ও 50 বেত জনগনের সামনে অপমান মারা উচিত ।
    Total Reply(0) Reply
  • humayun kabir ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:১১ এএম says : 0
    এ জালেদের কম করে 7/8 বছরের সাজা হওয়া উচিত । 5/7 লাখ টাকা জরিমানা ও 50 বেত জনগনের সামনে অপমান মারা উচিত ।
    Total Reply(0) Reply
  • humayun kabir ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:১১ এএম says : 0
    এ জালেদের কম করে 7/8 বছরের সাজা হওয়া উচিত । 5/7 লাখ টাকা জরিমানা ও 50 বেত জনগনের সামনে অপমান মারা উচিত ।
    Total Reply(0) Reply
  • humayun kabir ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:১১ এএম says : 0
    এ জালেদের কম করে 7/8 বছরের সাজা হওয়া উচিত । 5/7 লাখ টাকা জরিমানা ও 50 বেত জনগনের সামনে অপমান মারা উচিত ।
    Total Reply(0) Reply
  • humayun kabir ২৮ অক্টোবর, ২০১৬, ১২:১১ এএম says : 0
    এ জালেদের কম করে 7/8 বছরের সাজা হওয়া উচিত । 5/7 লাখ টাকা জরিমানা ও 50 বেত জনগনের সামনে অপমান মারা উচিত ।
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ