Inqilab Logo

বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট ২০২২, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৯, ১২ মুহাররম ১৪৪৪
শিরোনাম

গফরগাঁওয়ে নৌকার এজেন্ট হওয়ায় বাড়ি-ঘরে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট

গফরগাঁও উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ৭ জানুয়ারি, ২০২২, ৮:৩২ পিএম

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীর (নৌকা মার্কার) এজেন্ট হওয়ায় ছয়ানি রসুলপুর গ্রামে নাজমুল হক (৩১) নামে এক যুবলীগ কর্মীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ( ৬ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এ হামলা হয়।
গত ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে ওই ইউপিতে বিজয়ী স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান (আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী) প্রার্থীরা লোকেরা এ হামলা করেছে বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন হামলার শিকার যুবলীগ কর্মী।
শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে গফরগাঁও থানায় এ হামলার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
এলাকাবাসী,থানা পুলিশ ও হামলার শিকার নাজমুল হকের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ৫ জানুয়ারি গফরগাঁও উপজেলার ১৫ টি ইউপিতে নির্বাচন হয়। রসুলপুর ইউপিতে নৌকার প্রাথী ছিলেন হাজী সাইফুল ইসলাম। স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন মঈনুল হক সরকার। নির্বাচনে মঈনুল হক সরকার বিজয়ী হন। নির্বাচনে ছয়ানি রসুলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নাজমুল হক নৌকার পক্ষে এজেন্ট থাকায় বুধবার রাতে নির্বাচনে ফলাফল ঘোষনার পরপরই বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী মঈনুল হক সরকারের সর্মথকরা তাকে প্রাণে মেওে ফেলার হুমকি দেয়। বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক এগারোটার দিকে মঈনুল হক সরকারের সর্মথক ফাহাদ (২৪), রিয়েল (২৫), রাজিব (২১), লিমন (২০), রুবেল (৩৩), পাবেল (৩২) এর নেতৃত্বে ৩০/৩৫ জনের একদল সশস্্র দুবৃর্ত্ত নাজমুল হকের বাড়িতে হামলা করে । ওই সময় নাজমুল হক বিছানায় শুয়ে ছিলেন। পরে তিনি দৌঁড়ে পালিয়ে যান। হামলাকারীরা নাজমুলের ঘরের আসবাবপত্র, টিভি, মটর সাইকেল ভাংচুর করে। শোকেস ভাংচুর দেড়ভরি ওজনের এক লাখ টাকা মূল্যের সোনার চেইন, নগদ ৫০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। হামলায় সহিদুল ইসলাম (৫৫) ও শাহজাহান (৩৫) আহত হয়। নাজমুলের বাড়ি হামলা শেষে দুবৃর্ত্তরা একই গ্রামের নৌকার সমর্থক বাদলের টং দোকান ভাংচুর করে ও ভুলু নামের এক ব্যক্তির কলা বাগান ক্ষতিগ্রস্থ করে।
রসুলপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক বলেন, ৩০/৩৫ জনের এই হামলাকারী দলের বেশ কয়েকজনের মুখোশ পড়া ছিল। সামনে থাকা কয়েকজনকে চিনতে পেরেছি। ঘটনার পরপর আমি ৯৯৯ নম্বরে ফোন করি। পরে রাতেই পুলিশ আসে। আজ দুপুরে গফরগাঁও থানায় অভিযোগ করেছি।
গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ বলেন, বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ভাঙচুর


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ