Inqilab Logo

সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২১ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

করোনার বিরুদ্ধে লড়তে প্রয়োজন নতুন ভ্যাকসিন, বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

অনলাইন ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১২ জানুয়ারি, ২০২২, ১:০৫ পিএম

পুরনো টিকায় হবে না। করোনার নতুন নতুন স্ট্রেনের বিরুদ্ধে লড়তে প্রয়োজন নতুন ভ্যাকসিন। আর কেউ নয়, একথা বলছে খোদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’র বক্তব্য, পুরনো টিকার বুস্টার ডোজ দিয়েও করোনার নয়া স্ট্রেনগুলির সংক্রমণ রোখা যাবে না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, আমাদের এমন ভ্যাকসিন প্রয়োজন যার এই রোগের সংক্রমণ রোধ এবং ছড়িয়ে পড়া রোখার ক্ষেত্রে আরও কার্যকারী ভূমিকা থাকবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিকে এই ধরনের ভ্যাকসিন তৈরিতে উৎসাহ দেওয়ার কথা বলছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’র টিকার উপাদান সংক্রান্ত উপদেষ্টা মণ্ডলীর (TAG-CO-VAC) বক্তব্য, পুরনো টিকাগুলির বুস্টার ডোজ বারবার দিলেও করোনার সংক্রমণ রুখে দেওয়া যাবে না। করোনার নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্টের সঙ্গে লড়তে পারবে না এই ভ্যাকসিন।

TAG-CO-VAC বলছে,”করোনার সংক্রমণ এবং ছড়িয়ে পড়া রোখার পাশাপাশি গুরুতর অসুস্থতা এবং মৃত্যু রুখতে পারে এমন প্রভাবশালী ভ্যাকসিনের প্রয়োজন। এবং এই ধরনের ভ্যাকসিন দ্রুত তৈরি করা উচিত। যতদিন তা তৈরি করা সম্ভত না হচ্ছে ততদিন আমাদের হাতে যে ভ্যাকসিন (Corona Vaccine) আছে, তারই উপাদানের পরিমাণে পরিবর্তন আনতে হবে। একমাত্র তাহলেই এই ভ্যাকসিন গুলি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’র বলে দেওয়া মাত্রা পর্যন্ত সুরক্ষা দিতে পারবে।” অর্থাৎ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একপ্রকার বলেই দিচ্ছে, উপাদানের উন্নতি না হলে বর্তমান ভ্যাকসিনগুলি তেমন কার্যকর নয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’র বক্তব্য, ইতিমধ্যেই করোনার গোটা পাঁচেক স্ট্রেন বিশ্বজুড়ে প্রভাব ফেলেছে। সেগুলি হল আলফা, বিটা, গামা, ডেল্টা আর ওমিক্রন। এই মুহূর্তে বিশ্বজুড়ে ওমিক্রন সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়। আগামী দিনে এইভাবেই করোনার নতুন নতুন স্ট্রেন আঘাত হানবে। ওমিক্রন যে করোনার শেষ স্ট্রেন নয়, সেটাও স্পষ্ট করে দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সূত্র: টাইমস নাউ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ