Inqilab Logo

সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ০২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৪ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

খানাখন্দে চলাচল অনুপযোগী

টঙ্গীবাড়ির বাঘিয়া-কালিবাড়ি সড়ক চরম বিপাকে চালক ও পথচারী

মো. রনি শেখ, টঙ্গীবাড়ি (মুন্সিগঞ্জ) থেকে | প্রকাশের সময় : ২৩ জানুয়ারি, ২০২২, ১২:০৬ এএম

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার যশলং ইউনিয়নের বাঘিয়া বাজার হতে কালীবাড়ি পর্যন্ত ব্যস্ততম সড়কটি বেহাল দশা। এতে বিপাকে পরেছে ওই সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী স্থানীয় ও আশপাশের গ্রামের অন্তত ৮ থেকে ১০ হাজার মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, পুরো সড়কজুড়ে খানাখন্দে ভরা এবং গাড়ি চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। উপজেলার বাঘিয়া বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বাঘিয়া বাজার থেকে কালিবাড়ি যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির বিভিন্ন জায়গা ভেঙে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কটির পাশ ঘেষে রয়েছে একটি খাল, সেই খাল দিয়ে বড় বড় নৌকা ও ট্রলার চলাচল করে সেই ঢেউয়ের তোরেও বর্ষায় সময় রাস্তার ভাঙনের সৃষ্টি হয়। খালের পাশেই রয়েছে একটি কোল্ড স্টোরেজ। স্টোরেজের আলুর ট্রলি, ট্রাক যাওয়া আসা করে এই সড়ক দিয়েই। পুরা বাজার বেইলি সেতুটি ভেঙে যাওয়ার ফলে দিঘীরপাড় গামী সকল গাড়ি এই সড়কের উপর দিয়ে চলাচল করায় রাস্তাটির বেশি ভাঙন দেখা দিয়েছে তাই স্থানীয়দের দাবি সড়কটি দ্রুত সময়ে মেরামত করে গাড়ি চলাচলে উপযোগী করে তোলা।
স্থানীয় নয়না গ্রামের বাসিন্দা মো. সলিম শেখ (৫৫) বলেন, সড়কের ওপরের পিচ ঢালাই ওঠে পুরো রাস্তাজুড়ে ছোট বড় ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় ইটা ওঠে ভেতরের মাটি বের হয়ে কাঁচা মাটির রাস্তায় পরিণত হয়েছে। যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এই রাস্তাটি দ্রুত মেরামত করা উচিত।
স্থানীয় ইজিবাইক চালক মো. রহমতুল্লাহ লস্কর (৪২) আক্ষেপ করে বলেন, পেটের দায়ে এই রাস্তায় গাড়ি চালাই কিন্তু সব সময় ভয়ে থাকি কখন জানি গাড়ি উল্টে খাদে পড়ে যাই। আর বৃষ্টি হলে তো এই রাস্তায় হেঁটে চলা ও কষ্ট হয়ে যায়, গাড়ি চালাব তো দূরের কথা।
এ বিষয়ে যশলং ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ আলমাস চোকদার জানান, পুরা বাজার ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় বিকল্প হিসেবে এই সড়কটি দিয়ে গাড়ি চলাচল করেছে। যার ফলে এই সড়কটি অতিমাত্রায় ভেঙে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে সড়কটি মেরামত করা প্রয়োজন।
এ বিষয়ে টঙ্গীবাড়ি উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মোয়াজ্জেম দৈনিক ইনকিলাবকে বলেন, রাস্তাটি আমরা পরিদর্শন করেছি এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। খুব দ্রুতই প্রকল্পের আওতায় এনে রাস্তাটি মেরামত করা হবে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ