Inqilab Logo

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২ আশ্বিন ১৪২৬, ১৭ মুহাররম ১৪৪১ হিজরী।

দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম

প্রকাশের সময় : ১ নভেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

প্র : এক ব্যক্তির অন্তরে যোহর নামাযের খেয়াল ছিল এবং মুখে উচ্চারণের সময় আসর নামাযের কথা বলে ফেললো; তার নিয়ত শুদ্ধ হবে কি?
উ : এক্ষেত্রে মুখের উচ্চারণ ধর্তব্য নয়, বরং অন্তরের ইচ্ছাটাই প্রাধান্য পাবে। এবং যোহরের নিয়ত সঠিক বলে বিবেচিত হবে।
প্র: নামাজের সামনে দিয়ে যাওয়ার সীমারেখা কি? কতটুকু দূর দিয়ে অতিক্রম করা যায়?
উ: বড় মসজিদ বা ময়দানে নামাজরত ব্যক্তির সিজদাহর স্থানের দিকে নযর রাখা অবস্থায় স্বাভাবিক দৃষ্টি যে পর্যন্ত যায়, সে সীমার মধ্যদিয়ে অতিক্রম করা নিষেধ। আর ছোট মসজিদ বা ঘরের ভিতর সুতরাহ বা যথাযথ আড়াল ছাড়া নামাজের সামনে দিয়ে যাওয়া গোনাহের কাজ।
প্র: নামাজী ব্যক্তি যদি উঁচু স্থানে থাকে আর নীচ দিয়ে যদি লোকজন যাতায়াত করে তাহলেও গোনাহগার হবে?
উ: নামাযী ব্যক্তি যদি অতিক্রমকারী লোকদের মাথার উপরে অবস্থান করে তাহলে কোন অসুবিধা নেই। অন্যথায় সুতরাহ বা আড়াল দিয়ে যেতে হবে।
প্র: কোন্ কোন্ কারণে নামাজ ছেড়ে দেয়া ওয়াজিব?
উ:- প্রথম মুক্তাদী আস্তে আস্তে পিছনে সরে আসবে। অথবা আগন্তুক মুসল্লীরা তাকে হাত দিয়ে পিছনে এনে কাতার বাঁধবে। মুক্তাদীরা যদি কোন কারণে পিছনে না যায়, তাহলে ইমাম নিজেই এক কদম আগে বেড়ে প্রথম মুক্তাদীর ডানে ও বামে জায়গা করে দিবে যাতে তারা একত্রে কাতার করতে পারে।
-মুফতী ওয়ালীয়ুর রহমান খান



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম

৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
১৮ জানুয়ারি, ২০১৯
১৫ নভেম্বর, ২০১৬
১৩ নভেম্বর, ২০১৬
৮ নভেম্বর, ২০১৬
৬ নভেম্বর, ২০১৬
৩০ অক্টোবর, ২০১৬
২৫ অক্টোবর, ২০১৬
২৩ অক্টোবর, ২০১৬
১৮ অক্টোবর, ২০১৬
১৬ অক্টোবর, ২০১৬
১১ অক্টোবর, ২০১৬
৯ অক্টোবর, ২০১৬

আরও
আরও পড়ুন