Inqilab Logo

মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৫ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

অভাবের কারণে ১০ হাজার টাকায় সন্তান বিক্রি

অনলাইন ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২৩ জানুয়ারি, ২০২২, ১১:২২ এএম

অভাবে পড়ে ১৮ দিনের মেয়ে শিশুকে বিক্রি করে দেন এক বাবা। প্রত্যাশা ছিল, মেয়েকে বিক্রি করে দিলে বেশ কিছু নগদ টাকাও পাওয়া যাবে আর মেয়েটাও ভালো থাকবে। কিন্তু যে পরিমাণ টাকা পাওয়ার কথা ছিল, এক প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে সেই আশা গুড়ে বালি হয়ে গেছে তার। প্রতারক চক্রটি তাদের সন্তান বিক্রির সিংহভাগ টাকা নিয়ে গেছে। একপর্যায়ে বিষয়টি জানাজানি হলে ওই শিশুকে উদ্ধার করে পুলিশ।

গত বৃহস্পতিবার রাতে নেছারাবাদ থানা পুলিশের একটি দল ওই দম্পতিকে খুঁজে বের করে ঢাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে। এরপর গতকাল শুক্রবার শিশুটিকে তার মা–বাবার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটি ঘটেছে পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার দুর্গাকাঠি গ্রামে। দরিদ্র ওই বাবার নাম পরিমল ব্যাপারী (৫৫)।

পরিমল ব্যাপারী বলেন, তার কোনো জায়গা-জমি নেই। অন্যের ঘরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বাস করেন। ঘটক হিসেবে সামান্য কিছু আয় হয়। মানুষের কাছে হাত পেতে যা পান, তা দিয়েই সংসার চলে।

কিছু দিন আগে তার স্ত্রী একটি মেয়ে সন্তানের জন্ম দেন। কদিন পর উপজেলার দুর্গাকাঠি গ্রামের বিজন হালদার ও রনজিত কুমার তার কাছে আসেন। তারা বলেন, মেয়েটিকে এক নিঃসন্তান দম্পতির কাছে দত্তক দিলে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেবেন। মেয়েটিও সেখানে ভালো থাকবে। অভাবের কারণে তিনি শিশুটিকে দত্তক দিতে রাজি হন।

পরিমলের স্ত্রী কাজল ব্যাপারী বলেন, তাদের কাছে ঢাকা থেকে প্রাইভেট কারে করে একটি বড়লোক পরিবার যায়। তারা বিজনের কাছে টাকা দেন। এরপর তার বাচ্চাটি নিয়ে যান। বিজন তাদের শুধু ১০ হাজার টাকা দিয়েছেন। এরপর থেকে বিজনকে তারা আর খুঁজে পাননি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ