Inqilab Logo

বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৩ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

লৌহজংয়ে সাংবাদিকের সংবাদ সংগ্রহে বাঁধা, সাংবাদিককে হুমকি

লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২৬ জানুয়ারি, ২০২২, ৫:১২ পিএম | আপডেট : ৭:২৭ পিএম, ২৬ জানুয়ারি, ২০২২

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে গাদাগাদির চিত্র দেখা যায়। এ রূপ চিত্র স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিকসহ ৭১ টেলিভিশনের লৌহজং সংবাদদাতা মানিক মিয়া ক্যামেরায় বন্দির সময় ডাঃ শফিকুল বাসার বাঁধা দেয়।এবং সাংবাদিকদের সাথে অশ্লীল আচরণ করেন তিনি। সে সাথে সাংবাদিকদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। এ বিষয়ে বুধবার জেলা সিভিল সার্জন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার নিকট সাংবাদিক মানিক মিয়া একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এক সাংবাদিক। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন সাংবাদিক ও সচেতন মহল।

জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংবাদ সংগ্রহ করতে যান স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক। কোভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাচলের নির্দেশ থাকলেও সরকারি প্রতিষ্ঠানে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের গাদাগাদির চিত্র দেখা যায়। এ সময় সাংবাদিকরা সে চিত্র ক্যামেরায় বন্দি করেন। পুরো স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জুড়ে গাদাগাদিসহ এনসিডি কর্ণার ১০৬ নম্বর কক্ষের সামনেও গাদাগাদির চিত্র থাকায় সে চিত্র ক্যামেরায় ধারন করা হয়। এবং ১০৬ নম্বর কক্ষের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ শফিকুল বাসার রুমেও একই চিত্র। এ সময় সাংবাদিক সে চিত্র ক্যামেরায় ধারণ করেন। এবং তখন কর্তব্যরত চিকিৎসক সাংবাদিকের উপর ক্ষিপ্ত হন। এবং সংবাদ সংগ্রহের কাজে বাঁধা দেয়। এবং সাংবাদিকদের তাদের দেখে নেওয়ার হুমকি-ধমকি প্রদান করেন। তাৎক্ষণিক দায়িত্ব প্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নাজমুস সালেহীনের কাছে ঘটনার বিষয় সাংবাদিকরা জানান। কিন্তু গত মঙ্গলবার লেখিত অভিযোগ না পাওয়ায় এর কোন ব্যবস্থা নেয়া যাবেনা বলে জানান।
এবিষয়ে লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নাজমুস সালেহীন ইনকিলাবকে জানান, বুধবার এবিষয়ে একটি লেখিত অভিযোগ পেয়েছি, অভিযোগ পেয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডাঃ আবু ইউসুফ ফকির জানান, সাংবাদিকদের সঙ্গে এরূপ আচরণ করা মোটেও ঠিক হয়নি। আমি জেলা সিভিল সার্জনের সঙ্গে কথা বলেছি, দ্রুত এর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে সাংবাদিক লৌহজং প্রেস ক্লাবের সভাপতি মিজানুর রহমান ঝিলু তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এ রূপ আচরণ কাম্য নয়। আমরা একে অপরের সহযোগিতা কামনা করি। কিন্তু তারা আমাদের কোন সহযোগিতা করে না। বরং তাদের অপরাধ ঢেকে রাখার জন্য সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহের কাজে বাঁধা প্রদান করেছেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ