Inqilab Logo

সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২১ শাওয়াল ১৪৪৩ হিজরী

সাবেক চেয়ারম্যানসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

কয়েক শ’ কোটি টাকার প্লট আত্মসাৎ

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৭ জানুয়ারি, ২০২২, ১২:০৪ এএম

সরকার মালিকানাধীন অন্তত: ৩০০ কোটি টাকার সম্পত্তি আত্মসাতের মামলায়
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) সাবেক চেয়ারম্যানসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত সোমবার এ চার্জশিট দাখিল করা হয়। গতকাল বুধবার এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।
দুদক সূত্র জানায়, রাজউক নিয়ন্ত্রণাধীন কয়েক শ’কোটি টাকার সম্পত্তি গ্রাসের অভিযোগে ২০১৪ সালে একটি অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। অনুসন্ধানের নামে একের পর এক কর্মকর্তা পরিবর্তন হয়। এক পর্যায়ে অনুসন্ধানটি ‘পরিসমাপ্তি’র সুপারিশ করা হয়। কিন্তু তৎকালীন কমিশন অভিযোগটি পুনঃঅনুসন্ধানের দায়িত্ব দেয় উপ-পরিচালক সেলিনা আখতারকে। দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ২০১৮ সালের ২৯ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন তিনি। চার বছরের বেশি তদন্ত শেষে অনুসন্ধান শুরুর ৮ বছর পর চার্জশিট দেন তিনি।

চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন, আসামিরা হলেন, রাজউকের তৎকালীন পরিচালক আব্দুর রহমান ভুঞা (এ আর ভুঞা), তৎকালীন চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন খাদেম, প্লটের বর্তমান দখলদার আমির হোসেন দেওয়ান, একেএম সহিউজ্জামান, তার স্ত্রী বেগম কামরুন্নেছা, মো. মোশাররফ হোসেন, মো. জাকারিয়া চৌধুরী এবং মো. মশিয়ার রহমান। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯/২০১ ধারা এবং ১৯৪৭ সনের ২ নং প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়, ১৯৬৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন ঢাকা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট (ডিআইটি) ঢাকার গুলশান মডেল টাউনের ৮৩ নম্বর রোডের ৬ নম্বর প্লটটি (৪৮.৬০ শতক) পিপলস জুট মিলের নামে লিজ বরাদ্দ দেয়। খুলনার খালিশপুরে অবস্থিত এ মিলটির মালিক ছিলেন প্রিন্স করিম আগা খান। পিপলস জুট মিল বরাবর প্লটটি বরাদ্দ দেয়ার আগে এটি জনৈক কমান্ডার জাহিদির নামে বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল। পরে জাহিদির বরাদ্দ বাতিল করে গুলশান মডেল টাউনের রোড-৮৩, এনইজি-৬ নম্বর প্লটটি পিপলস জুট মিলকে বরাদ্দ দেয় রাজউক। ভূমি অফিসের রেকর্ডপত্রে ধারাবাহিকভাবে জাহিদি ও পিপলস জুট মিলসের নাম রেকর্ডভুক্ত ছিল। সেই রেকর্ড খারিজ না করেই ১৯৯২ সালে তড়িঘড়ি করে ৪ জনের নামে নতুন করে বরাদ্দ দেয় রাজউক। পরে ভূমি অফিসের নথিও গায়েব করে দেয়া হয়। বর্তমানে প্লটগুলোর হোল্ডিং নম্বর-২৮, ২৮(এ), ২৮(বি), ২৮(সি) হিসেবে নামজারি রয়েছে। আসামিরা পরষ্পর যোগসাজশ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্লটগুলো আত্মসাৎ করেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ