Inqilab Logo

বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ১৫ আষাঢ় ১৪২৯, ২৮ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী

প্রশিক্ষণের নামে বাচ্চা হাতি নির্যাতন

সংশ্লিষ্ট বিভাগকে আদালতের কারণ দর্শানোর নির্দেশ

মৌলভীবাজার জেলা সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ১২:০৬ এএম

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের কুচাইটল এলাকায় কথিত শিশু হাতি প্রশিক্ষণ (হাদানি) দেয়ার বিষয়টি মৌলভীবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দৃষ্টি গোচর হয়েছে। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মুহম্মদ আলী আহসান শিশু হাতির উপর শারীরিক নির্যাতনের ভিডিও ইউটিউবে এবং কয়েকটি পত্রিকায় প্রচারিত সংবাদে বর্ণনা দেখে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দ্দেশ দেওয়া হয়।
এর প্রেক্ষিতে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ এবং প্রাণীকল্যাণ আইন, ২০১৯ অনুযায়ী হাতির প্রতি নিষ্ঠুর নির্যাতন নিরসনে আদালত গতকাল সোমবার দুপুরে জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ, বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নিষ্ক্রিয়তা বেআইনি গণ্যে কেনো তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না সে মর্মে আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। উল্লেখিত তারিখের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন ও কারণ দর্শানোর জবাব দাখিলের জন্য ধার্য করা হয়।
‘শিশু হাতি’ প্রশিক্ষণ (হাদানি) নামক প্রাচীন পদ্ধতিতে বন্য হাতিকে পোষ মানানো হয়। প্রশিক্ষণ অবস্থায় দড়ি দিয়ে বেঁধে গাছের খুঁটির সাথে আবদ্ধ করা হয়। এসময় শিশু হাতির মাকে দূরে রাখা হয়, নির্দয়ভাবে শিশু হাতিকে শারীরিক নির্যাতন করা হয় এবং যথেষ্ট খাদ্য প্রদান করা হয়না। বর্ণিতভাবে ২ মাস প্রশিক্ষণ দেয়ার পর সার্কাসে বিভিন্ন কসরৎ এবং গাছপালা পরিবহনের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: প্রশিক্ষণের নামে বাচ্চা হাতি নির্যাতন
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ