Inqilab Logo

ঢাকা সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৩ আশ্বিন ১৪২৭, ১০ সফর ১৪৪২ হিজরী

শেখ রাসেলের তৃতীয় জয়

প্রকাশের সময় : ৬ নভেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

স্পোর্টস রিপোর্টার : ঘরোয়া ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ আসর জেবি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (জেবি বিপিএল) তৃতীয় জয়ের দেখা পেলো শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র। গতকাল বিকালে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে লিগের দ্বিতীয় পর্বে শেখ রাসেল ২-০ গোলে হারায় শিরোপা প্রত্যাশী রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটিকে। বিজয়ী দলের হয়ে ফরোয়ার্ড শাখাওয়াত হোসেন রনি একাই দু’গোল করেন। এ জয়ে শেখ রাসেল ১৩ ম্যাচ শেষে তিন জয়, দুই ড্র ও আট হারে ১১ পয়েন্ট পেয়ে তলানী থেকে তালিকার দশমস্থানে উঠে আসলো। সমান ম্যাচে ছয় জয়, চার ড্র ও তিন হারে ২২ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থস্থানে নেমে গেলো রহমতগঞ্জ। তারা টানা তৃতীয় হারের স্বাদ নিলো। অন্যদিকে আগের ম্যাচে উত্তর বারিধারার কাছে লজ্জা পেলেও রহমতগঞ্জের বিপক্ষে ঠিকই ঘুরে দাঁড়িয়েছে রাসেল। এদিকে আগের আরামবাগের কাছে হারলে কাল দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে উত্তর বারিধারাকে ঠিকই হারিয়েছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব।
কাল সারাদিন গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হওয়ায় বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের মাঠ ছিলো কর্দমাক্ত। বৃষ্টিভেজা মাঠে স্বাভাবিক খেলা খেলতে পারেননি দু’দলের ফুটবলাররা। তারপরও ম্যাচে রহমতগঞ্জের আধিপত্যই ছিলো। তবে সফলতা পায় শেখ রাসেল।
ম্যাচের ৩৩ মিনিটে রহমতগঞ্জের একটি আক্রমণ ছাড়া প্রথমার্ধে উল্লেখ করার মতো তেমন কিছু ছিলো। এসময় গাম্বিয়ান ফরোয়ার্ড দাওদা সিসে বামপ্রান্ত থেকে কঙ্গোলিজ রহমতগঞ্জের স্ট্রাইকার সিয়ো জুনাপিয়োর উদ্দেশে একটি স্কয়ার পাস করেন। বক্সের ডানপ্রান্তে জুনাপিয়ো একা থাকলেও চমৎকার এক সøাইডিং ট্যাকলে তাকে বল পাওয়া থেকে বঞ্চিত করেন রাসেলের নতুন ডিফেন্ডার আহমেদ সাইদ হাসান। তিনি কর্নারের বিনিময়ে দলকে রক্ষা করেন। গোলশূন্য অবস্থায় প্রথমার্ধ শেষ হলেও খেলার ধারার বিপরীতে ম্যাচের ৫২ মিনিটে গোল পেয়ে যায় শেখ রাসেল। এসময় মাঝমাঠ থেকে পাল্টা আক্রমণে শেখ রাসেলের মিডফিল্ডার রুম্মন হোসেন ফরোয়ার্ড শাখাওয়াত হোসেন রনিকে থ্রু পাস দেন। রনি তার মার্কারকে কাটিয়ে প্লেসিং শটে গোল করে রহমতগঞ্জ গোলরক্ষক মাহফুজ প্রিতমকে বোকা বানান (১-০)। ৫৫ মিনিটে রনির পা থেকেই আসে দ্বিতীয় গোলটি। এসময় মাঝমাঠ থেকে একটি লং বল ব্যাক হেড করে গোলরক্ষক প্রিতমকে দিয়েছিলেন রহমতগঞ্জের নাইজেরিয়ান ডিফেন্ডার এলিটা বেনজামিন। প্রিতম বল ধরেও তা ধরে রাখতে পারেননি। তার হাত ফসেকে বল যায় রনির পায়ে। তিনি তা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ঠেলে দেন ফাঁকা পোস্টে (২-০)। দু’গোলে পিছিয়ে পরে ম্যাচে ফিরতে আক্রমণের পর আক্রমণ করে রহমতগঞ্জ। কিন্তু চেষ্টা করেও তারা গোলের দেখা পায়নি। ফলে ম্যাচে হেরেই মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।
একই মাঠে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব ২-০ গোলে হারায় উত্তর বারিধারা ক্লাবকে। বিজয়দের পক্ষে ডার্লিংটন ও ল্যান্ডিং একটি করে গোল করেন। এই জয়ে ১৩ ম্যাচে ২২ পয়েন্ট পেয়ে গোল গড়ে এগিয়ে থেকে রহমতগঞ্জকে পেছনে ফেলে তালিকার তৃতীয়স্থানে উঠে আসলো শেখ জামাল। সমান ম্যাচে ৯ পয়েন্ট পাওয়া বারিধারার অবস্থান সবার শেষে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: শেখ রাসেলের তৃতীয় জয়

৬ নভেম্বর, ২০১৬
আরও পড়ুন