Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫, ৯ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

দক্ষ চিকিৎসক তৈরির লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে

মার্কস মেডিকেল কলেজ

প্রকাশের সময় : ৭ নভেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

মার্কস গ্রুপের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে মার্কস মেডিকেল কলেজ (এমএমসি) দেশের বেসরকারি স্বাস্থ্য খাতে দক্ষ চিকিৎসক তৈরির দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে চলেছে। এ বছর এমএমসিতে ষষ্ঠ ব্যাচে এমবিবিএস কোর্সে ছাত্রছাত্রীদের ভর্তি করা হবে। সম্প্রতি অনুষ্ঠেয় এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় যারা ন্যূনতম ৪০ নম্বর পেয়ে উতীর্ণ হয়েছে তারাই যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ কলেজে ভর্তি হতে পারবে। 

অবস্থান : রাজধানী ঢাকার মিরপুর-১৪তে এ/৩ প্রধান সড়কে এ কলেজটি অবস্থিত। ২০১১ সালে মার্কস গ্রুপের নিজস্ব হাসপাতাল সংলগ্ন ক্যাম্পাসে মার্কস মেডিকেল কলেজের যাত্রা শুরু হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ হিসেবে এ কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন প্রখ্যাত চিকিৎসক দূরদর্শী ব্যক্তিত্ব দেশের প্রথম ইএনটি এবং হেড-নেক মাইক্রো-সার্জন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অধ্যাপক ডা. এম মাসুদুর রহমান খান (এমআর খান)। একজন সফল মানুষ হিসেবে অধ্যাপক ডা. এমআর মার্কস গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন যার অধীনে অনেকগুলো শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবামূলক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। দেশে স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বল্পতা ও ব্যাপক চিকিৎসকের চাহিদার কথা বিবেচনা করে সরকার বেসরকারি খাতে মেডিকেল কলেজের অনুমোদন দেয় এবং ১৯৯০-এর দশকে এদেশে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ আত্মপ্রকাশ করে। তারই ধারাবাহিকতায় একুশ শতকের স্বাস্থ্য শিক্ষা খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার দৃঢ় সংকল্প নিয়ে ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তির মাধ্যমে মার্কস মেডিকেল কলেজের যাত্রা শুরু।
শ্রেণিকক্ষ ও পাঠদান পদ্ধতি : মার্কস মেডিকেল কলেজের রয়েছে নিজেস্ব ক্যাম্পাসে ডিজিটাল প্রযুক্তি সমৃদ্ধ বৃহৎ শ্রেণিকক্ষ, লেকচার গ্যালারি, কম্পিউটার ও পরীক্ষাগার কক্ষ। এখানকার পাঠদান প্রদ্ধতি খুবই আধুনিক। শিক্ষকবৃন্দ নিয়মিত বিভিন্ন বিষয়ের পাঠদান করান। ছাত্রছাত্রীদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থাকতে হয়। বিষয় ভিত্তিক পাঠদান শেষে শিক্ষার্থীদের সাপ্তাহিক, মাসিক ও টিউটোরিয়াল পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। পরীক্ষায় খারাপ করলে অভিভাবকদের ডেকে তাদের উন্নতির জন্যে পরামর্শ দেওয়া হয়।
শিক্ষকম-লী : এ কলেজের পাঠদান পরিচালনা করেন এক দল অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষকম-লী যার নেতৃত্বে রয়েছেন মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. এম নাসির উদ্দিন। এর আগে তিনি আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের গুরুত্বপূর্ণ পদে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। শিক্ষকম-লীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অধ্যাপক, সহযোগী ও সহকারী অধ্যাপক রয়েছেন যারা ছাত্র-শিক্ষকের সুসম্পর্ক বজায় রেখে পাঠদান করেন।
গ্রন্থাগার ও কম্পিউটার ল্যাব : এমএমসিতে রয়েছে প্রয়োজনীয় সংগ্রহশালা সমৃদ্ধ আধুনিক গ্রন্থাগার। এখানে পর্যাপ্ত অভিধান, সহায়ক গ্রন্থ, পাঠ্যবই, স্বাস্থ্য বিষয়ক জার্নাল, ম্যাগাজিন ও দৈনিক পত্রিকা রয়েছে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য অধ্যয়নের সুব্যবস্থা রয়েছে। আরো রয়েছে ইন্টারনেট ও ওয়াইফাই সুবিধাসহ ডিজিটাল আয়োজন। যাতে করে তারা তথ্য-প্রযুক্তি সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে পারে।
আবাসিক সুবিধা : শিক্ষার্থীদের আবাসিক সমস্যার কথা বিবেচনা করে ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য পৃথক হোস্টেল-এর ব্যবস্থা রয়েছে মার্কস মেডিকেল কলেজের নিজেস্ব তত্তবধানে। জ্যেষ্ঠ শিক্ষকবৃন্দ তাদের দেখভাল করে থাকেন। হোস্টেল তাদের স্বল্প মূল্যে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পরিবেশন করা হয়। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী এখানে থাকেন, বিশেষ করে ঢাকার বাইরে থেকে আগত শিক্ষার্থীরা।
সরকার নির্ধারিত গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য এখানে ৫ শতাংশ ফ্রি-কোটা ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও উপজাতীয় কোটাসহ সব কোটা পূরণের ব্যবস্থাও।
ষ জাকারিয়া হাসান



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ