Inqilab Logo

ঢাকা, সোমবার ২০ মে ২০১৯, ০৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৪ রমজান ১৪৪০ হিজরী।

কমলগঞ্জের নদীগর্ভে, ১৪ ঘর বিলীনের অপেক্ষায় প্রতিরক্ষা বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ

দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে

প্রকাশের সময় : ৭ নভেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) উপজেলা সংবাদদাতা : শনি ও রোববার দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ধলাই নদের পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একটি বসত ঘর নদীগর্ভে বিলীন হলেও ১৪টি বসতঘর ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। ধলাই প্রতিরক্ষা বাঁধের ৩টি স্থান ঝুঁকিপূর্ণ।
বঙ্গোপসাগরে নি¤œচাপ সৃষ্টির ফলে গত শনিবার ও রোববারের টানা বৃষ্টিতে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের ধলাই নদের পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে কমলগঞ্জ পৌরসভা এলাকার আলেপুর গ্রামে ধলাই প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙন শুরু হয়। প্রতিরক্ষা বাঁধের ভাঙনে আলেপুর গ্রামের মনাই মিয়ার বসত ঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়। একই গ্রামে আরও ১৪টি বসতঘর ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে।
পানি বৃদ্ধির পর আলেপুর গ্রাম এলাকায় পরিদর্শন শেষে কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জুয়েল আহমদ বলেন, এ গ্রাম এলাকায় আগে ১৫ ফুট চওড়া বাঁধ ছিল। পানি বেড়ে ¯্রােতের আঘাতে এ গ্রামের প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে এখন অবশিষ্ট ৫০ ফুটে এসে দাঁড়িয়েছে। একটি ঘর নদীগর্ভে বিলীন হলেও আরও ১৪টি বসতঘর বিলীনের অপেক্ষায় আছে। এসব বসতঘরের লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বলা হয়েছে।
কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জুয়েল আহমদ আরও বলেন, কমলগঞ্জের করিমপুর, কুমড়া কাপন ও চৈতন্যগঞ্জ এলাকার প্রতিরক্ষা বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। পৌরসভা থেকে পানি বৃদ্ধি ও প্রতিরক্ষা বাঁধের উপর সার্বক্ষনিক নজরদারি করা হচ্ছে বলেও পৌর মেয়র জানান।
ধলাই নদের পানি বৃদ্ধি সম্পর্কে জানতে চেয়ে কয়েক দফা মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও পানি উন্নয়ন বোর্ড মৌলভীবাজারের কোন কর্মকর্তার সাথে কথা বলা যায়নি।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুর হক, ধলাই নদে পানি বৃদ্ধি অব্যাহতের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ দিকে উপজেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন