Inqilab Logo

শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ১৮ আষাঢ় ১৪২৯, ০২ যিলহজ ১৪৪৩ হিজরী

নিত্যপণ্যের মজুদ বাড়াতে হবে

সরদার সিরাজ | প্রকাশের সময় : ১০ মার্চ, ২০২২, ১২:০৪ এএম

দেশে নিত্যপণ্যের মূল্য বাড়ছে অনেক দিন আগে থেকেই। এখন ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধকে কেন্দ্র করে তা আকাশচুম্বী হয়েছে। এ অবস্থা শুধুমাত্র এ দেশেই নয়। কম-বেশি সমগ্র বিশ্বেই। সম্প্রতি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে খাদ্যপণ্যের মূল্যসূচক গড়ে ১৪০.৭ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। একমাস আগের তুলনায় মূল্যসূচক বেড়েছে ৩.৯%, আর গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৪.১%। এই পণ্যমূল্য বৃদ্ধি করোনা সৃষ্ট বৈশ্বিক মহামন্দার সময়ে মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দেখা দিয়েছে! তবুও পণ্যমূল্যের বৈশ্বিক এই বৃদ্ধিকে অজুহাত করে দেশীয় ব্যবসায়ীরা মূল্য বাড়িয়ে দিচ্ছে ব্যাপক! তাও অনেক পণ্য নকল ও ভেজাল। পণ্যমূল্যের এই বৃদ্ধি কোথায় গিয়ে ঠেকবে তা বলা কঠিন। কারণ, যে যেখানে যা পারছে, সেভাবেই মূল্য আদায় করছে। কোথাও কোনো নিয়ন্ত্রণ বা তদারকি নেই। তাই কয়েক বছর যাবত জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েই চলেছে! ক্যাব-এর হিসাবে ২০২০ সালে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে ৬.৮৮%। ২০১৯ সালে বেড়েছিল ৬.৫০%। আর ২০১৮ সালে বেড়েছিল ৬%। ঢাকায় জীবনযাত্রার ব্যয় সবচেয়ে বেশি বেড়েছে এই সময়ে। উপরন্তু সংস্থাটির ভাইস প্রেসিডেন্ট নাজের হোসেন বলেন, গত বছরের (২০২১) জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির হিসাব আমরা করছি। তাতে শতকরা ১০ ভাগের বেশি হবে। আর এই বছরে যা শুরু হয়েছে, তাতে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, বলা যায় না। সাধারণ মানুষের আয় বাড়েনি। বরং অনেকের কমেছে। তাই মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি দিয়ে হিসাব করলে চলবে না। অপরদিকে, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেছেন, ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুদ আছে দেশে। তবুও ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে মূল্য অস্বাভাবিক বাড়িয়েছে। ছাত্র লীগের এক ঊর্ধ্বতন নেতা বলেছেন, ভোক্তা পর্যায়ে লিটার প্রতি ১২৪ টাকায় ভোজ্যতেল দেওয়া সম্ভব। বাংলাদেশে বছরে ২০ লাখ মে.টন ভোজ্যতেলের চাহিদা রয়েছে, যার প্রধান সোয়াবিন তেল। গত ৬ মার্চ সয়াবিন তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে মনিটরিং সেল গঠন ও নীতিমালা তৈরি করতে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছেন সুপ্রিম কোর্টের তিন আইনজীবী। এ অবস্থায় আসন্ন পবিত্র রমজান মাস নিয়ে মানুষের মধ্যে আতংক সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে উৎসবের সময় ব্যবসায়ীরা পণ্যমূল্য কমিয়ে দিয়ে মানুষের উৎসব ভালভাবে উদযাপনে সহায়তা করে। আর এ দেশে তার বিপরীত। রোজা ও যে কোনো উৎসব এলেই অধিকাংশ ব্যবসায়ী পণ্যমূল্য ব্যাপক বৃদ্ধি ঘটিয়ে সারা বছরের সমান মুনাফা অর্জন করে।

যা’হোক, চলতি ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ কবে শেষ হবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। যুদ্ধ শেষ হলেও যুদ্ধকে কেন্দ্র করে নিষেধাজ্ঞা-পাল্টা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে পরিস্থিতি পূর্বাবস্থায় ফিরে আসবে কবে তাও অনিশ্চিত। নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলেও সাথে সাথেই পণ্যের সরবরাহ চেইন ঠিকঠাক হয়ে যাবে না। এ জন্য কিছুদিন সময় লাগবে। উৎপাদনেরও গ্যাপ পূরণ হতে সময় লাগবে। আর এই সময়ের মধ্যে পণ্যমূল্য বাড়তেই থাকবে। মানুষেরও ক্ষতি অব্যাহত থাকবে। যুদ্ধ যদি দীর্ঘদিন চলে, তাহলে নিত্যপণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ চরমভাবে ব্যাহত হয়ে মহাআকাল সৃষ্টি হতে পারে। সেটা হলে পণ্যমূল্য বেড়ে সর্বকালের রেকর্ড ভঙ্গ করবে। সাধারণ মানুষের পণ্য ক্রয়ের যেটুকু সামর্থ্য আছে, তাও শেষ হয়ে যাবে। তাদের অর্ধাহারে ও অনাহারে থাকতে হবে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ সম্প্রসারিত হয়ে যদি বিশ্বযুদ্ধ বেধে যায়, তাহলে মহা দুর্ভিক্ষ অনিবার্য। এসবের কোনটিই কারও কাম্য নয়। তাই সেরূপ পরিস্থিতির সম্মুখীন যাতে না হতে হয়, সে লক্ষ্যে এখন থেকেই সাবধান হতে হবে আমাদের। যেসব নিত্যপণ্যের যোগান সরবরাহ আমদানিনির্ভর, সেসব কমপক্ষে এক বছরের প্রয়োজন অনুযায়ী মজুদ গড়ে তুলতে হবে সরকারীভাবে। ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে মজুদ গড়ে তোলা হলে সেটা হবে শিয়ালের কাছে মুরগী রাখার শামিল। কোনো পণ্যের বার্ষিক চাহিদা কত তাও সঠিকভাবে নির্ণয় করতে হবে। অতঃপর আমদানির প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে দ্রুত। নতুবা দিন যতই যাবে, পণ্যপ্রাপ্তি ততই কঠিন হবে। মূল্যও বেড়ে যাবে অনেক, যার খেসারত দিতে হবে জনগণকে।

নিত্যপণের আমদানিনির্ভর পণ্যের অন্যতম হচ্ছে, জ্বালানি তেল, ভোজ্যতেল, গম, সার, ডাল, মরিচ, পিঁয়াজ, রশুন, আদা, হলুদ ও অন্যান্য মসলা ইত্যাদি। এসব পণ্য চাহিদা মাফিক আমদানি করে মজুদ করতে পারলে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কেউ অধিক মুনাফা লটতে পারবে না। আমদানিনির্ভর নিত্যপণ্যের আমদানির ক্ষেত্রে পার্শ্ববর্তী দেশ এবং এশিয়ার দেশগুলোর দিকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ, এই অঞ্চল যুদ্ধ এলাকা থেকে অনেক দূরে। তাই পণ্য আনতে তেমন অসুবিধা হবে না। পরিবহন ব্যয়ও কম হবে। এছাড়া, দেশের যেসব সরকারি সার কারখানা বন্ধ করে রাখা হয়েছে, সেগুলো খুব দ্রুত চালু করতে হবে। তাহলে সার আমদানির পরিমাণ অনেক কমে যাবে। বৈদেশিক মুদ্রার অপচয় হ্রাস পাবে। বিপুল সংখ্যক শ্রমিকের কর্মসংস্থান হবে। কয়লাও পর্যাপ্ত পরিমাণে আমদানি করে মজুদ করতে হবে। কারণ, রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্দিষ্ট সময়ে উৎপাদনে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। এই কেন্দ্রের অর্থায়ন থেকে শুরু করে জনবল পর্যন্ত রাশিয়াভিত্তিক। আর রাশিয়া নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছে। তাই উক্ত কেন্দ্র নির্দিষ্ট সময়ে উৎপাদনে যাওয়ার সম্ভাবনা কম।এটা ধরে নিয়েই দেশের অন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদনের কার্যক্রম পুরোদমে চালু রাখার জন্য প্রয়োজন মতো কয়লা আমদানি করে মজুদ করতে হবে। দেশের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর প্রায় অর্ধেক কয়লাভিত্তিক এবং কয়লা আমদানি। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে কয়লা মজুদ রাখা আবশ্যক। দ্বিতীয়ত: আমাদের তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের সঙ্গে রাশিয়ার গাজপ্রমের নানা রকম যৌথ কার্যক্রম রয়েছে, সেগুলোরও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এ ব্যাপারেও সজাগ থাকা দরকার।

নিত্যপণ্যের অন্যতম হচ্ছে, চাল। এটা উৎপাদনে দেশ স্বয়ংভর হয়েছে বলে সরকারিভাবে বারংবার বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে তা হয়নি। গত কয়েক বছরের চাল আমদানির রেকর্ডই তার বড় প্রমাণ। তাই কমপক্ষে ২০ লাখ মে.টন চাল আমদানি করতে হবে। আমন মওসুমে এক নিবন্ধে সেটাই বলেছিলাম। তৎপ্রেক্ষিতে আমদানি করার সিদ্ধান্তও হয়েছিল সরকারিভাবে। কিন্তু তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। ফলে চালের মূল্য বেড়েই চলেছে, যার মাশুল গুনতে হচ্ছে জনগণকে! এটা ভবিষ্যতে যেন না হয়, সে জন্য আসন্ন ইরি-বোরোর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী হলেও ঘাটতি পূরণের জন্য কমপক্ষে ২০ লাখ মে.টন চাল আমদানি করতে হবে। আর যদি ইরি-বোরোর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী না হয়, তাহলে মোট ঘাটতি অনুযায়ী চাল আমদানি করতে হবে কালবিলম্ব না করেই। তাহলে ব্যবসায়ীরা মানুষকে জিম্মি করে অধিক মুনাফা করতে পারবে না। অন্যদিকে, খাদ্যপণ্য আমদানিনির্ভরতা কমানোর জন্য পরিকল্পনা মাফিক ফসল ফলাতে হবে। অর্থাৎ যেসব পণ্যের ঘাটতি থাকবে, সেসব অধিক হারে উৎপাদনের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। অধিক উৎপাদনশীল বীজ ব্যবহার করতে হবে। তাহলে উৎপাদন অনেক বেড়ে যাবে। মূল্যও হ্রাস পাবে।

নিত্যপণ্যের মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি রোধ করার জন্য দেশব্যাপী বাজার তদারকি করতে হবে সার্বক্ষণিক। তাতে যে অতিরিক্ত মূল্য গ্রহণ করবে বলে প্রমাণিত হবে, তাকেই কঠোর শাস্তি দিতে হবে তাৎক্ষণিকই। অন্যদিকে, গম ও ইরি-বোরা মওসুমে সরকারের ক্রয় অভিযান সফল করতে হবে শতভাগ। টিসিবির ট্রাক সেল এবং ওএমএস এর কার্যক্রম বাড়াতে হবে দেশব্যাপী। তাহলে গরীব মানুষ সংশ্লিষ্ট পণ্যের মূল্যের কষাঘাত থেকে কিছুটা রক্ষা পাবে। দেশবাসীরও উচিৎ নিত্যপণ্য ব্যবহার ও ক্রয়ের ব্যাপারে সচেতন হওয়া। প্রয়োজনে বর্তমান পরিস্থিতিতে কৃচ্ছতা সাধন করা দরকার।

দেশের প্রধান রফতানির খাত হচ্ছে গার্মেন্ট, যার প্রধান মার্কেট হচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকা ও ইউক্রেন-রাশিয়া। কিন্তু রাশিয়ার উপর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়ার ব্যাংকগুলোর সাথে লেন-দেন বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া, বিজিএমইএ এর নেতৃবৃন্দ রাশিয়ার অর্ডার না নেওয়ার জন্য সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। এতে এক বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মার্কেট হারানোর আশঙ্কা রয়েছে বলে খাত সংশ্লিষ্টদের অভিমত। রাশিয়া ও ইউক্রেনে গার্মেন্ট রফতানির, যা পথে রয়েছে, সেগুলোও সঠিকভাবে গন্তব্যে পৌঁছতে পারবে কিনা এবং পৌঁছলেও যথাসময়ে তার পেমেন্ট পাওয়া যাবে কি-না তা নিয়েও সংশয় সৃষ্টি হয়েছে। এ ব্যাপারে গত ৪ মার্চ ডয়চে ভেলের খবরে প্রকাশ, ‘২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ রাশিয়া থেকে ৪৮ কোটি ডলারের পণ্য আমদানির বিপরীতে রপ্তানি করেছে ৬৬.৫৩ কোটি ডলারের পণ্য। বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৯৫ শতাংশই হলো তৈরি পোশাক ও বস্ত্র সামগ্রী। আর রাশিয়া থেকে আমদানির ক্ষেত্রে শীর্ষে আছে সবজি ও তেল। একই সময়ে ইউক্রেন থেকে ৫১.৭০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানির বিপরীতে দেশটিতে রপ্তানি করা হয়েছে ৩১.৭৬ কোটি ডলারের পণ্য। আমদানির বেশিরভাগই হলো সবজি। তবে যুদ্ধের কারণে দুই দেশের সঙ্গে মোট ১৮০ কোটি ডলারের পণ্য বাণিজ্যের পুরোটাই ঝুঁকির মধ্যে পড়ে গেছে’। অন্যদিকে, ইউরোপ-আমেরিকার উপরও রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। সে কারণে সেখানে গ্যাসের ও জ্বালানি তেলের মূল্য অনেক বেড়েছে, যার ব্যাপক প্রভাব পড়েছে জনজীবনে। এই সঙ্গে যুদ্ধের অন্যান্য নেতিবাচক প্রভাব তো রয়েছেই। এতে জীবনযাত্রা ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে সেখানে। তাই সেখানে গার্মেন্ট রফতানি কমে যাওয়া আশঙ্কা রয়েছে। তাই গার্মেন্ট খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে খাত সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মধ্যে আশংকা দেখা দিয়েছে। এ আশঙ্কা যদি সঠিক হয়, তাহলে দেশের গার্মেন্ট খাত বিরাট ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। এ ব্যাপারে এফবিসিসিআই-এর এক উপদেষ্টার অভিমত হচ্ছে, যুদ্ধের প্রভাবে ইউরোপের সামগ্রিক চাহিদা কমবে। কেননা, ইউরোপের জ্বালানি তেলের বড় উৎস হলো রাশিয়া। অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি ব্যাহত হলে ইউরোপকে বিকল্প উৎস থেকে বাড়তি দামে তেল কিনতে হবে। তাতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরো বাড়বে, যা মূল্যস্ফীতি বাড়াবে। তেলের পাশাপাশি খাদ্যশস্য, বিশেষত গমের সরবরাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা আছে, যা খাদ্যের দাম বাড়াবে। এ বাড়তি দাম মেটাতে গিয়ে স্বাভাবিকভাবেই বিপুল সংখ্যক মানুষ অন্যান্য ব্যয়ে কাটছাঁট করবে। তার নেতিবাচক প্রভাব বাংলাদেশের রপ্তানিতে পড়তে পারে। আইএমএফও বলেছে, রাশিয়া-ইউক্রেনের চলমান এই যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে গুরুতর প্রভাব পড়বে, যা থেকে বাংলাদেশও মুক্ত নয়। অর্থাৎ ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব দেশের সর্বত্রই পড়বে। ফলে উন্নতি বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এ ব্যাপারে এখনই সজাগ হওয়া দরকার। নতুবা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন দূরহ হবে। যুদ্ধ পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরিকল্পনা গ্রহণ এবং নানাবিধ ব্যয় নির্ধারণ করতে হবে। অর্থাৎ সরকারের প্রতিটি খাতে কৃচ্ছতা নীতি গ্রহণ করতে হবে।

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: নিত্যপণ্য


আরও
আরও পড়ুন