Inqilab Logo

সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ২০ আষাঢ় ১৪২৯, ০৪ যিলহজ ১৪৪৩ হিজরী

২০১৯ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হতে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশের সময় : ৯ নভেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম | আপডেট : ১১:৫৭ পিএম, ৮ নভেম্বর, ২০১৬

শান্তি বজায় রাখতে সরকার যে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করবে
গোপালগঞ্জ জেলা সংবাদদাতা : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার লক্ষ্যে কাজ করার জন্য কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আপনাদের কাজ করে যেতে হবে। সবাই মিলে দেশের উন্নয়ন করতে হবে। ২০০৮ সাল ও ২০১৪ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ আমাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। আগামী ২০১৯ সালের নির্বাচনেও বাংলাদেশের মানুষ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে বলে আমি প্রত্যাশা করি। ২০২১ সালের মধ্যে আমরা বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করব। ২০৪১ সালে বাংলাদেশ উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হবে। আওয়ামী লীগ ২০২০ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী ও ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসব উদযাপন করবে। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ও দেশে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রেখে আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলেন। বিএনপি, জামায়াত বা সহিংসতার পাঁয়তারাকারী যে কোন সংগঠনকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলায় সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পৈতৃক জমিতে নব নির্মিত পারিবারিক ভবনে কার্যনির্বাহী সংসদের যৌথসভায় সভাপতির বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এ সব কথা বলেন।
ঐতিহ্যবাহী এই দলটির ইতিহাসে এই প্রথম আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা ম-লীর যৌথসভা অনুষ্ঠিত হলো মঙ্গলবার টুঙ্গিপাড়ায়। ঐতিহাসিক এ সভায় দলের ঐতিহ্য, গৌরব ও অর্জনের ইতিহাস টেনে আগামীর পথচলার দিকনির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা আরো বলেন, আমরা যখনই দেশের মানুষকে শান্তিতে থাকার পরিবেশ তৈরি করি, ঠিক তখনই ষড়যন্ত্রকারীরা শান্তি বিনষ্টের অপচেষ্টা করে। দেশে শান্তি বজায় রাখতে সরকার যে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তিনি দেশবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীদের ষড়যন্ত্রকারীদের ব্যাপারে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। এ সভায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ এবং কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আওয়ামী লীগের ২০তম কাউন্সিলে নির্বাচিত হয়ে টানা আটবারের সভাপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনকের সমাধিতে আসেন মঙ্গলবার দুপুরে। সঙ্গে যোগ দেন কার্যনির্বাহী সংসদ ও উপদেষ্টা ম-লীর সদস্যরা। ছিলেন বোন শেখ রেহানাসহ আত্মীয়-স্বজনরাও।
দুপুর ১২ টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় সভানেত্রী হিসেবে টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে তিনি পবিত্র ফাতেহাপাঠ ও বঙ্গবন্ধুর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাত করেন।
পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নব নির্বাচিত উপদেষ্টা ম-লী ও কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যদের সাথে নিয়ে মাজারে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান।
এ সময় দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম মেম্বার, মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফরউল্যাহ, লেঃ কর্নেল (অবঃ) ফারুক খান, উপদেষ্টা ম-লীর সদস্য তোফায়েল আহমেদ, সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত, আমির হোসেন আমু, কাজী আকরাম উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, দীপু মনি, আব্দুর রহমান, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাদ জোহর সমাধিসৌধ কমপ্লেক্স মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিকেল সাড়ে ৪ টায় টুঙ্গিপাড়া থেকে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন।
আওয়ামী লীগের নতুন কমিটির শ্রদ্ধা নিবেদন উপলক্ষে দক্ষিণাঞ্চলসহ সারাদেশ থেকে আগত নেতাকর্মীরাও প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বলয় সরে যাওয়ার পর বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ফুল দিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতি তাদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।



 

Show all comments
  • Bulbul Ahmad ৯ নভেম্বর, ২০১৬, ১১:৪৯ এএম says : 0
    amra o santi chai
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ২০১৯ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হতে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
আরও পড়ুন