Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯, ০৮ কার্তিক ১৪২৬, ২৪ সফর ১৪৪১ হিজরী

আতঙ্কের কারণ নেই : বিনিয়োগকারীদের সুযোগ দিচ্ছে বাজার

প্রকাশের সময় : ১০ নভেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

ইনকিলাব ডেস্ক : নানা জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার জয়ে অভিবাসন, বিশ্ব বাণিজ্যসহ অন্যান্য বিষয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর এমন শংঙ্কা থেকেই গতকাল এশিয়ার পুঁজিবাজারে পতন ঘটেছে। এরই অংশ হিসেবে ঢাকার বাজারেও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা হতাশা ছড়িয়ে পরে। তবে অযথা আতংকের কোন কারণ নেই বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। কেননা এশিয়া তথা বিশ্ববাজারের সাথে আমাদের পুঁজিবাজারের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই। বিগত গ্রিস অর্থনৈতিক মন্দ, ব্রেক্সিট ও বিশ্বব্যাপী তেলের দাম কমে যাওয়ার ফলে বিশ্ববাজারে পতন হলেও তার প্রভাব পড়েনি আমাদের দেশে। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে বিনিয়োগকারীদের কোন প্রকার গুজবে কান না দিয়ে দেখে শুনে বিনিয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন তারা। বাংলাদেশের বাজারের জন্য ট্রাম্প না হিলারি এটি বিবেচনার কোনো সুযোগই নেই। বরং যারা আতঙ্কিত হয়ে গতকাল শেয়ার ছেড়েছেন তারাই ধরা খাবেন।
বাজার প্রসঙ্গে মার্চেন্ট ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তা জানান, পুঁজিবাজারের সার্বিক দিক বিবেচনায় এখনই ক্রয়ের উপযুক্ত সময়। কারণ বাজার উন্নয়নে অনেক ভালো ইন্ডিকেটর থাকার পাশাপাশি আগামীতে আরও ভালো খবর আসছে। যা একটি গতিশীল পুঁজিবাজার গঠনে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে। তাই বাজারের এই অবস্থাকে সংশোধন বা ক্রয়ের সুযোগ হিসেবেই দেখছেন তারা। কেননা বাজারে কিছুটা উত্থান-পতন ঘটলে তা বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে সহায়তা করে।
বিশ্লেষণে দেখা যায়, সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের উভয় শেয়ারবাজারে সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতায় শেষ হয় লেনদেন। এইদিন শুরুতে পতন থাকলেও দেড় ঘন্টা পর থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে বাজার এবং কয়েক দফা চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়। বুধবার সূচকের পাশাপাশি কমেছে স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনকৃত বেশীরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর । তবে টাকার অংকে লেনদেন ছাড়িয়েছে সাড়ে ৫০০ কোটি টাকা।
দিনশেষে ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স ১৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪৬৭১ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১১২০ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করে ১৭৫৬ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ৩২২টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৮৭টির, কমেছে ১৯১ টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৪ টির। দিনশেষে লেনদেন হয়েছে ৫৫৪ কোটি ৯৪ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। এর আগের কার্যদিবস অর্থাৎ মঙ্গলবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স তার আগের দিনের চেয়ে ১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ৪৬৯১ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ১১২৬ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ০.৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ১৭৬৩ পয়েন্টে। আর দিনশেষে লেনদেন হয়েছে ৬৪৩ কোটি ৭০ লাখ ৫ হাজার টাকা।
এদিকে, দিনশেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক ৪০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১৪৩৭৩ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ২৩৭টি কোম্পানির ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৬৯টির, কমেছে ১৩৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৩টির। আর দিনশেষে সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪১ কোটি ১৫ লাখ ৪২ হাজার টাকা। এর আগের কার্যদিবসে সিএসই’র সার্বিক সূচক ১৮ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ১৪৪১২ পয়েন্টে। আর ওইদিন সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছিল ৩৪ কোটি ৫৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। Ñওয়েবসাইট



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ