Inqilab Logo

ঢাকা, রোববার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৮ আশ্বিন ১৪২৫, ১২ মুহাররাম ১৪৪০ হিজরী‌

হুমায়ূন আহমেদ : বাস্তবমুখী এক কবি

প্রকাশের সময় : ১১ নভেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

মুস্তাক মুহাম্মদ
হুমায়ূন আহমেদ (১৯৪৮-২০১২) পাঠকপ্রিয় নন্দিত কথা সাহিত্যিকের নাম। শুধু কথাসাহিত্য নয় বাংলা নাটকে রেখেছেন অবদান। যার পাঠকপ্রিয়তা-দর্শকপ্রিয়তা আকাশচুম্বি। তাঁর নাটকের চরিত্র বাস্তব সমাজে এতটা প্রভাব ফেলেছিল যে, বাকের ভায়ের (একটি নাটকের চরিত্র) ফাঁসি না দেওয়ার জন্য আশির দশকে রাজপথে মিছিল হয়েছিলে। নাটকে ব্যাপক জনপ্রিয়তার পরে নব্বই দশকে হাত দেন চলচিত্র নির্মাণে। সেখানেও আশ্চর্যজনক সফল তিনি। আগুনের পরশ মণি, শ্রাবণের মেঘের দিন, চন্দ্রকথা, দুই দুয়ারী, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক Ñ ‘শ্যামল ছায়া’ আমার আছে জল, এছাড়া ২০১২ সালে Ñ তাঁর মৃত্যুর বছর পরিচালনা করেন “ঘেটুপুত্র কমলা”। এছাড়া তার লেখা অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে বেশ কয়েকটি চল”িত্র। মজার বিষয় হচ্ছে তার সব চলচিত্রে তিনি নিজে গান রচনা করেছেন। তিনি মূলত গীতিকার নয় কিন্তু নাটক কিংবা চলচিত্রর প্রয়োজনে তিনি গীতিকারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। তার গানের অ্যালবামও আছে। তার গুনপানায় তিনি অনেককে আবিষ্কার করেছেন। বহুগুণে গুণান্বিত কবি হুমায়ূন আহমেদ। রসায়নে এমএসসি করেন। পরে পিএইচডি করে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিবেবে কর্ম জীবন শুরু করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। কিন্তু ল্যাব ছেড়ে মানুষের রসায়ন প্রকাশে তার চিন্তার জগত বিকশিত হতে থাকে। তখন তিনি লেখালেখিতে ব্যস্ত হয়ে ছেড়ে দেন অধ্যাপনা। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফল মানুষ তিনি। সাফল্যের বরপুত্র। যেখানে হাত দিয়েছেন সেখানে সোনা ফলিয়ছেন। লেখালেখির জন্য দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠের শিক্ষকতার পদ ছেড়ে দিতে তাকে কম সাহসের পরিচয় দিতে হয়নি। বড় সাহস না হলে এমনটা পারা যায়? লেখালেখির জন্য কত ত্যাগ। সার্বক্ষণিক লেখালেখির মধ্যে থাকতে তিনি পেরেছিলেন। এবং আশ্চার্যজনক সফলতা লাভ করেছেন তিনি। নাটক- চলচিত্রর জন্য রচিত গীতিধর্মী কবিতা রচনা করেও তিনি সফল। হিমু, মিছির আলী, রূপা, বাকের ভাই আজ বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে ঘরের মানুষের মত। তিনি স্বপ্নের মত সুন্দর করে তৈরী করেছেন নান্দনিক “নুহাস পল্লি”। হুমায়ূন আহমেদের কবিতা নিয়ে ক’টি কথা বলার অভিপ্রায়ে লেখনি ধারণ করলাম।
চাঁদের জ্যোৎ¯œা আমাদের সকলকে মুগ্ধ করে। জ্যোৎ¯œা দেখে কবিরা ভাবের জগতে চলে যায়। প্রেমিকা প্রিয়কে আকুল হয়ে কাছে পেতে চায়। স্ত্রী স্বামীকে ব্যাকুল হয়- জ্যোৎ¯œার কোমলতায় মুগ্ধ হয়- প্রাশান্তি পায়। কিন্তু হুমায়ুন আহমেদ প্রতি পূর্ণিমার রাতে অপেক্ষা করেন গৃহত্যাগী জ্যোৎ¯œার জন্য। যে পূর্ণিমার রাতে বুদ্ধ গৃহত্যাগী হয়েছিল সেই পূর্ণিমার রাতের। আদৌও কি তিনি সেই গৃহত্যাগী জ্যোৎ¯œার সন্ধান পাবেন। না অপেক্ষা করে যাবেন। মানুষের মুক্তি, স্বাধীনতা দিতে পারে যে আলো সেই আলোর সন্ধানী ছিলেন তিনি। ক্ষণিক কালের জ্যোৎ¯œা ছেড়ে তিনি চেয়েছেন স্থায়ী জ্যোৎ¯œা। যে জ্যোৎ¯œায় মানুষ আলোকিত হবে। যে আলোকিত চাঁদ কখনো অস্ত যাবে না। সব সময় মানুষকে মুগ্ধ করবে, করবে আলোকিত। অহিংস কল্যণকর পৃথিবী নির্মাণ করবেন। শব্দে শব্দে এমন কথার মালা সাজিয়েছেন কবি হুমায়ূন আহমেদ “গৃহত্যাগী জ্যোৎ¯œা” শিরোনামের কবিতায়। তিনি লিখেছেনÑ “প্রতি পূর্ণিমার মধ্যরাতে একবার আকাশের দিকে তাকাই / গৃহত্যাগী হবার মত জ্যোৎ¯œা কি উঠেছে ? / বালিকা ভুলানো জ্যোৎ¯œা নয়।/ .../ কবির জ্যোৎ¯œা নয়। যে জ্যোৎ¯œা দেখে কবি বলবেন Ñ / কি আশ্চর্য রূপার থালার মত চাঁদ! / আমি সিদ্ধার্থের মত গৃহত্যাগী জ্যোৎ¯œার জন্য বসে আছি।/ যে জ্যোৎ¯œা দেখামাত্র গৃহের সমস্ত দরজা খুলে যাবে- / ঘরের ভেতরে ঢুকে পরবে বিস্তৃত প্রান্তর।/ প্রান্তরে হাঁটব, হাঁটব আর হাঁটবÑ / পূর্ণিমার চাঁদ স্থির হয়ে থাকবে মধ্য আকাশে।”
প্রতিটি মেয়েদের কঠিন সংগ্রাম করে পৃথিবীতে টিকে থাকতে হয়। তাদের সংগ্রাম যেন কখনো শেষ হয় না। পুরুষ শাসিত সমাজে তারা দলিত- নিষ্পেষিত হতে থাকে। তবু একদিন তাদেন সোনার সংসার হবে। ছেলে মেয়ে জন্ম দেবে। ছেলে মেয়েদের নিয়ে কেটে যাবে তার জীবন। সন্তানের সেই মুখের দিকে বিস্মায়াভূত চোখে চেয়ে থাকবে। এই যেন তার সুখ। এই তার সোনার সংসার। তার জীবনটা যেন সংসার। নিজের জীবন বলে তার কিছু নেই। এই ত্যাগী মা জাতীদের কাছে আমরা ঋণী। পৃথিবী ঋণী মিলিদের কাছে। হুমায়ূন আহমেদ অতি বাস্তবতাকে কত সুন্দর নান্দনিকভাবে উপস্থাপন না করেছেন। তার অঙ্কিত সংসারের চমৎকার চিত্র আমাদের মানষপটে স্পর্শ করে। তিনি লিখেছেনÑ
 “শোন মিলি।/ দুঃখ তার বিষমাখা তীরে তোকে বিঁধে বারংবার।/ তবুও নিশ্চিত জানি, একদিন হবে তোর সোনার সংসার।।/ উঠোনে পড়বে এসে একফালি রোদ/ তার পাশে শিশু গুটিকয়/ তাহাদের ধুলোমাখা হাতেÑ ধরা দেবে/ পৃথিবীর সকল বিস্ময়।”
সময় চলে যায়। সময়ের ¯্রােতে ভেসে মানুষ এগিয়ে যায়। ঝলমলে সূর্য এক সময় বিবর্ণ হয়ে অস্ত যায়। কিন্তু পেছনে রেখে যায় স্মৃতিÑ মায়া। যা তাকে আবার পিছনে ফিরে তাকাতে বাধ্য করে। একটু অবকাশ পেলে মানুষ তার হারানোর দিনে ফিরে যায়। এক সময়ের তরুণ তগবগে যুবক পৌঢ় হয়ে যায়। সময়ের ব্যবধানে তেজী যুবকের আজ এই অবস্থা। তখন স্মৃতিই তাকে ক্ষণিক হলেও সুখ দেয়। এমন কথামালা দেখি আকাশপ্রতিম জনপ্রিয় হুমায়ূন আহমেদের কবিতায়। তিনি যখন লেখেনÑ “ এক জরাগ্রস্থ বৃদ্ধ ছিলেন নিজ মনে আপন ভুবনে।/ জরার কারণে তিনি পুরোপুরি বৃক্ষ এক।/ বাতাসে বৃক্ষের পাতা কাঁপে/ তাঁর কাঁপে হাতের আঙুল।/ বৃদ্ধের সহযাত্রী জবুথবু- / পা নেই, শুধু পায়ের স্মৃতি পড়ে আছে।/ সেই স্মৃতি ঢাকা থাকে খয়েরি চাদরে।/ জরাগ্রস্থ বৃদ্ধ ভাবে চাদরের রঙটা নীল হলে ভাল ছিল।/ স্মৃতির রং সব সময় নীল।” ( তিনি )
“জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথায় কবে” পৃথিবীতে এইটা সব চেয়ে সত্য। তবু মানুষ মৃত্যুকে ভুলে থাকতে চায়। স্বাধীন হয়ে বাঁচার চেষ্টা করে। কিন্তু মানুষ কি সত্যি স্বাধীন? ঘুরি উড়ার জন্য দিগন্ত জোরা আকাশ পায় তাই বলে কি ঘুড়ি স্বাধীন। না, স্বাধীন না। সে লাটায়ের সাথে আবদ্ধ। কোনো কারণে লাইট থেকে বিচ্ছিন্ন হলে ঘুড়ি আর উড়তে পারে না। ঘুড়ির মানব জীবন। পৃথিবীতে মানুষ স্বাধীন হয়ে বসবাস করে কিন্তু বৃহত্তর অর্থে সে পরাধীন। ঈশ্বরের কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধÑ তাকে ফিরতে হবে। তবে মানুষ মৃত্যুকে পাশ কাটিয়ে সংশয়ে ভয়ে আশায় বেঁচে থাকে। আশাবাদী মানুষ এভাবে পৃথিবীকে জয় করে। হুমায়ূন আহমেদ এই সত্যকে ফুটিয়ে তুলেছেন নিচে উল্লেখিত কবিতার পঙতিতে। “তিনি শায়িত ছিলেন গাঢ় কব্বরে / যার দৈর্ঘ্য- প্রস্ত বেঁধে দেয়া,/ গভীরতা নয়।/ কব্বরে শুয়ে তাঁর হাত কাঁপে পা কাঁপে/ গভীর বিস্ময়বোধ হয়।/ মনে জাগে নানা সংশয়।/ মৃত্যু তো এসে গেছে, শুয়ে আছে পাশে/ তবু কেন কাটে না এ বেহুদা সংশয়।” (কব্বর)
যৌবনে মানুষ প্রেমিকাকে ঘিরে নানা স্বপ্ন দেখে। নানা স্বপ্নে তাদের জীবন ভরে উঠে। কিন্তু সংসার জীবনে এসে স্বপ্ন দেখতে ভুলে যায়। কর্মব্যস্ততা - দায় দাযিত্ব বেড়ে যায়। আর রঙিন স্বপ্ন দেখা হয় না। এক সময়ের প্রেমিকা বধূ হয়। কিন্তু প্রেমিকা আর ঘরে বধূর মধ্যে বিস্তর ব্যবধানে। বধূর থাকে সংসার, দায়দাযিত্ব। সামাজিক-অর্থনতিক দায়িত্ব। সেই সাথে পালন করতে হয় জননীর দায়িত্ব; এত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রেমিকার আর সেই দৃষ্টি থাকে না। এক সময় প্রেমিকের সাথে দেখা স্বপ্নগুলো ফিকে হয়ে যায়। বাস্তব কঠিন। তবু ভালবাসা থেকে যায়। যদিও বাস্তবে এসে সেটা বোঝা যায় না। ভালবাসার রেশ কতটুকু আছে। তখন শুধু দায়িত্ব আর দায়িত্ব। আর যখন যৌবন ফুরিয়ে মানুষ বৃদ্ধ হয় তখন মনের থেকে শারীরিক কথায় বেশি প্রাধান্য পায়। শারীরিক অসুস্থ্যতা, নানান জটিলতা এই সব। যৌবনে দেখা সেই রঙিন স্বপ্ন থাকে না। থাকে শারীরিক অসুস্থ্যতা। তবু প্রেমিকার একটু দীর্ঘ নিশ্বাস যেন ভালবাসাই প্রকাশ। এমন বাস্তব চিত্র দেখতে পাই কবি হুমায়ূন আহমেদ যখন লেখেন “রাতে ঘুম হচ্ছে না, রক্তে সুগার বেড়ে গেছে/ কষ্ট পাচ্ছেন হাঁপানিতে এই সব হাবিজাবি।/ প্রেমিকার কাছে লেখা চিঠি বয়সের ভারে প্রসঙ্গ পাল্টায়/ অন্য রকম হয়ে যায়।/ সেখানে জ্যোৎ¯œার কথা থাকে না,/ সাম্প্রতিক শ্বাসকষ্ট বড় হয়ে উঠে।/ প্রেমিকাও একটা নির্দিষ্ট বয়েসের পর/ রোগভোগের কথা পড়তে ভালুবাসেন।/ চিঠি পড়তে পড়তে দরদে গলিত হন-/ আহা, বেচারা ইদানীং বড্ড কষ্ট পাচ্ছে তো... ” (বাবার চিঠি)
মনীষী তথা আলোকিত মানুষেরা সব সময় সমাজের কল্যাণের জন্য কাজ করেন। সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে তারা সদা প্রস্তুত। তাঁরা কোনো রকম বাঁধাকে ভয় পান না। কোনো রকম অন্ধকারকে ভয় পান না। এমন কি সমাজ কল্যাণের জন্য তারা সমস্ত সব কিছু এমন কি প্রয়োজনে নিজের জীবনও বিলিয়ে দিতে সদা প্রস্তুত থাকেন। আমরা কাচপোকা দেখি। যা ষোলটা পা নিয়ে সদা আঁধার দূর করতে ছুটে বেড়ায়।তারা যদিও ক্লান্ত হয় তবুও আলোকিত করতে চায় এই ধরাধামকে। কষ্ট স্বীকার করে হলেও পৃথিবীকে আলোকিত করাই তাদের ধর্ম। অনুরূপ যদি মানুষ করত তাহলে কতই না সুন্দর হত পৃথবী! তবে সব মানুষ না হলেও কিছু মানুষ আছে তারা পৃথিবীর কল্যাণের জন্য সদাপ্রস্তুত থাকেন। আমরা কাচপোকাকে দৃষ্টান্ত হিসেবে ধরতে পারি। যার ধর্ম অন্ধকারকে আলোকিত করা। আসুন আমরা আলোকিত মানুষ হয়ে আলোকিত করি পৃথিবীটা। এমন বাস্তব শিক্ষামূলক কবিতার পঙ্ক্তি পাই কবি হুমায়ূন আহমেদের কবিতায়। যেমন : “কাচপোকার ষোলটা ক্লান্ত পা বার বার / সেই পিচ্ছিল আঠালো অন্ধকারে ডেবে যাচ্ছিল।/ তার খুব কষ্ট হচ্ছিল হাঁটতে / তবু সে হাঁটছে- / তাকে যেতে হবে আরও গভীর অন্ধকারে।/ যে অন্ধকার - আলোর জন্মদাত্রী : ( কাচপোকা)
কবি- সাহিত্যিকরা সমাজের বিবেক। তাঁরা মৃত্যভয় তুচ্ছ করে সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরেন। সত্য প্রকাশ করতে তারা দৃঢ় প্রতিজ্ঞবদ্ধ। তারা জীবন দিতে স্বীকার তবু সত্য - সুন্দর প্রকাশ করতে কোনো রক্তচক্ষুকে ভয় পান না। তারা সত্যকে -সুন্দরকে আরো নান্দনিক করে প্রকাশ করেন কবিতায়। এমন দৃঢ় কথা কেবল একজন প্রকৃত কবিই বলতে পারেন। কবিতা লেখার জন্য মৃত্যু হবে তবু তিনি কবিতা লিখবেন। এক্ষেত্রে কবি হুমায়ূন আহমেদের “রাশান রোলেট” শিরোনামের কবিতার শেষের কয়েকটি পঙ্ক্তি উল্লেখ করছি- “আম্পার এসে গেছেন।/ পিস্তল আকাশের দিকে তাক করে তিনি বললেন,/ এ এক ভয়ংকর খেলা,/ কবিতার রাশান রোলেট- / যিনি সবচে ভালো পদ লিখবেন/ তাকে তৎক্ষণাৎ মেরে ফেলা হবে।/ আমার হাতে কলম কম্পমান/ সবচে সুন্দর পদ এসে গেছে আমার মুঠোয়।”
নাটক- উপন্যাস- চলচিত্রে হুমায়ূন আহমেদ অতিবাস্তবতাকে বিশ্বাস যোগ্য করে গড়ে তুলেছেন। যেমন ইংরেজ কবি কোলরিজ (১৭৭২-১৮৩৪) তার কবিতায় পেরেছেন এবং হুমায়ূন আহমেদ তার কথা সাহিত্যে তেমনটি করতে পেরেছেন। তার কথাসাহিত্যে বিশ্বাসযোগ্য অতিবাস্তবতা উপস্থিতি আমাদেরকে প্রবলভাবে টানে। কিন্তু কবিতায় তিনি সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। কবিতায় তিনি বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। বাস্তবতাকে নান্দনিকভাবে উপস্থাপন করেছেন। কথাসাহিত্যে তিনি পাঠকদের আকৃষ্ট করে রেখেছেন ঠিকই কিন্তু কবিতা সে আসনকে আরো দৃঢ় স্থায়ী করবেন বাস্তবমুখী কবি হুমায়ূন আহমেদকে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।