Inqilab Logo

শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ১৮ আষাঢ় ১৪২৯, ০২ যিলহজ ১৪৪৩ হিজরী

আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলার পর্দা উঠছে বুধবার

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৮ মার্চ, ২০২২, ৬:৩৭ পিএম

করোনা মহামারির প্রাদুর্ভাব কাটিয়ে শুরু হচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় পর্যটন মেলা। ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) আয়োজনে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) আগামী ৩০ মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত ১০ম মাস্টারকার্ড বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ) ২০২২ অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার (২৮ মার্চ) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে টোয়াব সভাপতি মো. রাফেউজ্জামান এ তথ্য জানান। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে মেলা। মেলায় প্রবেশ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা। তবে গণমাধ্যমকর্মী ও শিক্ষার্থীরা পরিচয়পত্র দেখিয়ে বিনামূল্যে মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জাবেদ আহমেদ বলেন, করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সেক্টরের মধ্য অন্যতম ট্যুরিজম সেক্টর। অনেকে মনে করেছে এই খাত ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। কিন্তু ট্যুর অপারেটরেরা মানুষের ভ্রমণের আকাঙ্খা, দেশকে ঘুরে দেখার ইচ্ছা জাগ্রত করতে পেরেছে। যার কারণে পর্যটন খাত দ্রুত ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। যখনই ইন্ডাস্ট্রিতে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করতে পারবেন, তখন ফলাফল অনেক বেশি পাবেন। প্রাইভেট সেক্টরের অনেকে এখন পর্যটন খাতে যুক্ত হচ্ছে। এখানে ব্যাংকগুলো এগিয়ে আসছে। অ্যাভিয়েশন খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পর্যটন মেলার উদ্দেশ্য মানুষের মধ্যে ট্যুরিজম মাইন্ড তৈরি করা, সচেতন করা। এর জন্য আরও বিনিয়োগ দরকার। এতে দর্শনীয় স্থানগুলিকে আন্তর্জাতিক মানের করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

ইউএস বাংলার মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ কর্মকর্তা) কামরুল ইসলাম বলেন, পর্যটনে মানুষকে আগ্রহী করার জন্য ইউএস বাংলা এয়ারলাইনস কাজ করছে। এই পর্যটন মেলায় নতুন কিছু প্যাকেজ যুক্ত করা হবে। আন্তর্জাতিক জনপ্রিয় গন্তব্য ও দেশের দর্শনীয় স্থানগুলি ভ্রমণে ইউএস বাংলার আকর্ষণীয় প্যাকেজ থাকবে।

টোয়াব সভাপতি মো. রাফেউজ্জামান জানান, তিন দিনের বাৎসরিক এই আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা টোয়াব ২০০৭ সাল থেকে আয়োজন করে আসছে। পর্যটন সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং এর টেকসই উন্নয়ন এই মেলার উদ্দেশ্য। এই বছর মূল মেলার সঙ্গে সাইড লাইন ইভেন্ট থাকবে বি টু বি সেশন, সেমিনার, কান্ট্রি প্রেজেন্টেশন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি। মেলায় দুটি হলে ৮টি প্যাভেলিয়নসহ মোট ৮০টি স্টল থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, এফবিসিসিআই’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, মেলার টাইটেল স্পন্সর মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল ও টোয়াব পরিচালক আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ