Inqilab Logo

বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ২৩ আষাঢ় ১৪২৯, ০৭ যিলহজ ১৪৪৩ হিজরী

চার ছিনতাইকারী রিমান্ডে

গরিবের ডা. বুলবুল খুন

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১ এপ্রিল, ২০২২, ১২:০৬ এএম

রাজধানীর মিরপুরে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে গরীবের চিকিৎসকখ্যাত ডা. বুলবুলের আহমেদকে খুনের মামলায় চার ছিনতাইকারীর ৪ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

গতকাল বৃহস্পতিবার মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর জোনাল টিমের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। সশুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলামের আদালত এই রিমান্ডের আদেশ দেন। রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন রায়হান ওরফে আপন, রাসেল হোসেন হাওলাদার, আরিয়ান ওরফে হাফিজুল ও সোলাইমান।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামিরা সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী। ছিনতাই করা তাদের নেশা ও পেশা। আসামিরা ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত মর্মে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে। তাদের দেখানো মতে অপরাধ কার্যে ব্যবহৃত চাকু ও ভিকটিমের মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে। আসামিরা ভিকটিমকে কেন, কী কারণে হত্যা করেছে, ঘটনার সঙ্গে আরও কোনো আসামির সম্পৃক্ত আছে কি না, ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড মঞ্জুরের আবেদন করেন তদন্তকারী এ কর্মকর্তা।
এদিকে বাদীপক্ষে অ্যাডভোকেট তুহিন হাওলাদার আসামিদের সাতদিনেরই রিমান্ড মঞ্জুরের প্রার্থনা করেন। তবে আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।

জানা যায়, শেওড়াপাড়ার একটি বাসায় স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে থাকতেন চিকিৎসক বুলবুল। ডা. বুলবুল চিকিৎসার পাশাপাশি ঠিকাদারি ব্যবসাও করতেন। ১৫ দিন আগে সরকারি কাজের টেন্ডার পান। গত ২৭ মার্চ ভোরে নোয়াখালী যাওয়ার জন্য ভোর ৫টার দিকে বের হন। রিকশাযোগে কাজীপাড়া বেগম রোকেয়া সরনীতে নাভানা শোরুমের সামনে পৌঁছালে কয়কেজন তার রিকশার গতিরোধ করে আটকে দেয়। এরপর বুলবুলের কাছে থাকা স্মার্ট মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিতে চাইলে বুলবুল বাধা দেন। এ সময় ধ্বস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে সুইচ গিয়ার চাকু বের করে বুলবুলের ডান উড়ুতে আঘাত করে। এতে রক্ত বের হতে থাকে। তখন তারা ফোনটি নিয়েই পালিয়ে যায়। পরে রাস্তায় ছুরিকাঘাত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে একজন রিকশাচালক ও পথচারী মিলে উদ্ধার করে তাকে স্থানীয় আল হেলাল হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ডা. বুলবুলের স্ত্রী শাম্মী আক্তার অজ্ঞাতনামা তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ অনুসন্ধান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে চার ছিনতাইকারীর সম্পৃক্ততা পায়।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ছিনতাইকারী


আরও
আরও পড়ুন