Inqilab Logo

ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ০২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ০৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
শিরোনাম

বিশ্ব সেরা ১০ বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশের সময় : ১৪ নভেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সর্বোচ্চ সিঁড়ির নাম বিশ্ববিদ্যালয়। প্রাচীনকালে না থাকলেও গত এক/দেড় হাজার বছর থেকে শুরু হয় এই ধরনের শিক্ষা পদ্ধতি। বর্তমানে জ্ঞান পিপাসু অধিকাংশ মানুষই তাদের জ্ঞান ভা-ারকে এখান থেকে সমৃদ্ধ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে হাজার হাজার বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলোর মধ্য থেকে ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং ২০১৬-২০১৭-এর আওতায় বিশ্ব সেরা ৯৮০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ করেছে টাইমস হায়ার এডুকেশন নামের একটি ওয়েবসাইট। এই তালিকার শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেছেন নুরুল ইসলাম।
১. অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ডে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয়। ধারণা করা হয়, ১০৯৬ সালে এ বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় ১১৬৭ সাল থেকে। এটি ৩৯টি কলেজ এবং ৭টি স্থায়ী বেসরকারি হলে সমন্বয়ে গঠিত। প্রতিটি কলেজেরই বয়েছে নিজস্ব ইতিহাস, ঐতিহ্য ও গৌরব। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কলেজে গ্রন্থাগারের সংখ্যা প্রায় ১০০। বর্তমানে এখানে ১৪০টি দেশের ২২ হাজারের অধিক ছাত্র লেখাপড়া করছে। মানবিক, মেডিকেল সায়েন্স, সামাজিক বিজ্ঞান, ম্যাথমেটিকাল-ফিজিকাল-লাইফ সায়েন্স এই মোট চারটি ভাগে পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস বিশ্বের বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থা। বিশ্বের সর্বাধিক পরিচিত অক্সফোর্ড ডিকশনারি এখান থেকে তৈরি হয়। উচ্চাকাক্সক্ষী মানুষদের কাছে এ বিশ্ববিদ্যালয়টি এক স্বপ্নের নাম।
২. ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট
অফ টেকনোলজি
ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিউট অব টেকনোলজি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার প্যাসেনাডোতে ১২৪ একর জায়গার উপর এটি প্রতিষ্ঠিত। মূলত প্রতিষ্ঠানটি ক্যালটেক (ঈধষঃবপয) নামে পরিচিত। ১৮৯১ সালে প্রিপারেটরি এন্ড ভোকেশনাল স্কুল হিসেবে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রিপারেটরি ও ভোকেশনাল স্কুল দুটিকে আলাদা করা হয় ১৯১০ সালে। ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠানটি ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিউট অব টেকনোলজি নাম ধারণ করে। ৬টি একাডেমিক ডিভিশনে পরিচালিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টির বর্তমান ছাত্র সংখ্যা ২২৪০। এখানে প্রাকৃতিক বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের উপর বেশি জোর দেয়া হয়।
৩. স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
রেল মোগল ও ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর লিল্যান্ড স্ট্যানফোর্ড ও তার স্ত্রী জেন স্ট্যানফোর্ড তাদের একমাত্র সন্তান লিল্যান্ড স্ট্যানফোর্ড জুনিয়রের নাম অনুসারে ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় লিল্যান্ড স্ট্যানফোর্ড জুনিয়র ইউনিভার্সিটি তথা স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। গবেষণার জন্য বিখ্যাত এই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়টি ১৮৯১ সালের ১ অক্টোবর ৫৫৫ জন ছাত্র নিয়ে যাত্রা শুরু করে। ১৯০৫ সালে এক ঘূর্নিঝড়ে প্রতিষ্ঠানটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ১৯০৬ সালে তা পুনরায় প্রতিষ্ঠা করা হয়। ৮১৮০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয় ৭টি অনুষদের অধীনে। বর্তমানে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের প্রায় ১৬ হাজার শিক্ষার্থী এখানে লেখাপড়া করে।
৪. ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়
প্রাচীন নথিপত্র অনুসারে, ১২০৯ সালে অক্সফোর্ডের কিছু প-িত ব্যক্তি স্থানীয় লোকদের সাথে বিবাদের জের ধরে শহর ছেড়ে চলে যান এবং ক্যামব্রিজ শহরে এসে নিজেদের সংগঠন গড়ে তোলেন। এটিই পরে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসের আয়তন ৩,৬৬,৪৪৪ বর্গমিটার। এরমধ্যে ১৫ মিলিয়ন বই সমৃদ্ধ ১১৪টি লাইব্রেরি, কলা, শিল্প ও বিজ্ঞান বিষয়ক ৮টি জাদুঘর, ১টি ভোটানিক্যাল গার্ডেনসহ আরো অনেক কিছু রয়েছে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আরো ৩১টি কলেজ রয়েছে। আন্ডার গ্রাজুয়েশন, পোস্ট গ্রাজুয়েশন, পার্ট টাইম কোর্স, এক্সিকিউটিভ ট্রেনিং, টিচার ট্রেনিংসহ সকল স্তর মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার। একাডেমিক স্টাফ ৬৬৪৫ এবং অ্যাডমিন স্টাফ ৩১৭৮ জন। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব মিলিয়ে একশ’র অধিক বিভাগ রয়েছে।
৫. ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট
অফ টেকনোলজি
শরীরবিদ্যা ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে গবেষণা ও পাঠদানের জন্য বিখ্যাত ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি) আমেরিকার ম্যাসাচুসেটসের ক্যামব্রিজে অবস্থিত। বর্তমানে জীববিজ্ঞান, অর্থনীতি, ভাষাবিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনাতেও ব্যাপক সুনাম রয়েছে। ১৮৬১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্পায়ন বৃদ্ধির সময় প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়টি একটি মেডিক্যাল স্কুলসহ পাঁচটি ক্যাম্পাস নিয়ে গঠিত। ১৮৬ একর আয়াতনের এই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১১৩১৯। এমআইটি›র গ্রন্থাগারসমূহে ২৯ লক্ষ মুদ্রিত গ্রন্থ, ২৪ লক্ষ মাইক্রোফর্ম, ৪৯,০০০ ছাপানো বা ইলেক্ট্রনিক জার্নাল কপি, ৬৭০টি রেফারেন্স ডাটাবেইস রয়েছে। এ ক্যাম্পাসটির আরেকটি বিশেষত্ব হলো এখানে ২০০টির বেশি শিক্ষার্থী অর্গানাইজেশন রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে পৃথিবী বিখ্যাত কিছু ভাস্কর্য।
৬. হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়
১৬৩৬ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেট্সের ক্যামব্রিজে শুরু হয় বেসরকারি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম দাতা জন হার্ভার্ডের নামে বিশ্ববিদ্যালয়টির নামকরণ হয়। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসটির আয়তন ২১০ একর। এছাড়াও ২১ একর মেডিকেল ক্যাম্পাস, ৩৬০ একর অ্যালসটন ক্যাম্পাসসহ চার্লস নদীর এপার-ওপার মিলে বেশ বড়সর ক্যাম্পাস রয়েছে হার্ভার্ডের। ১১টি একাডেমিক ইউনিট, ১২টা হল, গির্জাসহ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে অসংখ্য স্থাপনা। বিজনেস স্কুল এবং অ্যাটলেটিকসের সব সুবিধা নিয়ে গঠিত হার্ভার্ড স্টেডিয়ামটি অ্যালসটন এবং মেডিকেল ডেন্টাল ও পাবলিক হেলথ স্কুলটি লংউড মেডিকেল এলাকায় অবস্থিত। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বমোট ৪ হাজার ৫শ’টি কোর্স চালু রয়েছে। অধ্যাপক রয়েছেন ২৩০০ জন। আন্ডার গ্রাজুয়েট, গ্রাজুয়েট, পোস্ট গ্রাজুয়েট, গবেষণাসহ বিভিন্ন পর্যায় মিলিয়ে বর্তমানে এর শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২২ হাজার। এখানকার বেশিরভাগ শিক্ষাই কর্মমুখী।
৭. প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়
আমেরিকান বিপ্লবের আগে প্রতিষ্ঠিত কলোনিয়াল ৯টি কলেজের মধ্যে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির প্রিন্সটনে অবস্থিত এ বিশ্ববিদ্যালয়টি ১৭৪৬ সালে কলেজ অব নিউ জার্সি নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। বেসরকারি এই প্রতিষ্ঠানে ৪২টি একাডেমিক ডিপার্টমেন্টের অধীনে হিউম্যানিটিজ, সোশ্যাল সায়েন্স, ন্যাচারাল সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ানো হয়। ক্যাম্পাসটি ৫০০ একর জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত। বর্তমানে এর শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৮০৮৮। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বড় দিক হচ্ছে এখানকার শতকরা ৯৮ ভাগ শিক্ষার্থীই ক্যাম্পাসে বা ডর্মিটরিতে বাস করেন। প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের আবাসিক কলেজসমূহে থাকা বাধ্যতামূলক। ফায়ারস্টন গ্রন্থাগারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল গ্রন্থাগার, যা পৃথিবীর অন্যতম বড় বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের মধ্যে একটি।


৮. ইম্পিরিয়াল কলেজ লন্ডন
ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন, যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরে অবস্থিত সরকারি গবেষণাধর্মী বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯০৭ সালে রয়েল চার্টারের প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটি প্রথমে ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের অন্তর্ভুক্ত। এটা পুরোপুরি স্বাধীন একটি বিশ্ববিদ্যালয় হয় ২০০৭ সালে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ক্যাম্পাস সেন্ট্রাল লন্ডনে অবস্থিত। অন্য ক্যাম্পাসগুলো চেলসিয়া, হামারস্মিত এবং পেডিনটনে অবস্থিত। এখানে বিজ্ঞান, প্রকৌশলবিদ্যা, মেডিসিন এবং ব্যবসা বিষয়ে পড়ানো হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়টিতে চারটি মেইন একাডেমিক ইউনিট রয়েছে। এগুলো হলো- ইম্পেরিয়াল কলেজ ফ্যাকাল্টি অব ন্যাচারাল সায়েন্সেস, ইম্পেরিয়াল কলেজ ফ্যাকাল্টি অব মেডিসিন, ইম্পেরিয়াল কলেজ ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ইম্পেরিয়াল কলেজ বিজনেস স্কুল। এসব ইউনিটে প্রায় ৪০টি বিভাগ, ইনস্টিটিউট এবং গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। এখানে বর্তমানে ১৬,৬১০ শিক্ষার্থী রয়েছে।
৯. ইটিএইচ জুরিখ (সুইস ফেডারেল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি জুরিখ)
ইটিএইচ জুরিখ (সুইস ফেডারেল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি জুরিখ) সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অবস্থিত একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। সুইস ফেডারেল সরকার কর্তৃক ১৮৫৫ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মূল জার্মান নাম হচ্ছে ঊরফমবহস্খংংরংপযব ঞবপযহরংপযব ঐড়পযংপযঁষব তহৃৎরপয, যার সংক্ষিপ্ত করলে দাঁড়ায় ইটিএইটজেড (ঊঞঐত); এই সংক্ষেপণটিও দাপ্তরিক কাজে ব্যবহার করা হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি সরাসরি সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক, শিক্ষা ও গবেষণা অধিদপ্তরের অধিভুক্ত। ইটিএইটজেড’র ক্যাম্পাসটি দুই ভাগে বিভক্ত। প্রথম ও মূলটি শহরের প্রাণ কেন্দ্রে আর অপরটি শহরের বাইরে। দুই ক্যাম্পাস মিলে বর্তমান এর শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮,৬১৬।
১০. ইউনিভার্সিটি অব
ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলি
১৮৬৮ সালের ২৩ মার্চ প্রতিষ্ঠিত ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলে একটি গবেষণাধর্মী সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোনিয়ার বার্কলেতে ১০টি ক্যাম্পাস নিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয়টি পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে ৯টি আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ও গ্র্যাজুয়েট ক্যাম্পাস, আর একটি প্রফেশনাল। এখানে ১৪টি কলেজের অধীনে একশ’ ত্রিশের অধিক অনুষদ আছে। ১৭৮ একর মূল ক্যাম্পাসসহ ৬,৬৭৯ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৮,২০৪।



 

Show all comments
  • শামীম ১৪ নভেম্বর, ২০১৬, ১:২৭ এএম says : 0
    এই তালিকায় আমাদের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থাকলে খুব ভালো লাগতো।
    Total Reply(0) Reply
  • Asraf ১৪ নভেম্বর, ২০১৬, ১:২৬ এএম says : 0
    very Informative Writing
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।