Inqilab Logo

সোমবার, ১৫ আগস্ট ২০২২, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯, ১৬ মুহাররম ১৪৪৪

পদ্মার ভাঙনে হুমকিতে বাঁধ

মানিকগঞ্জ জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২৩ এপ্রিল, ২০২২, ১২:০৬ এএম

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ভাঙন শুরু হয়েছে। হুমকিতে পরেছে পদ্মা তীর রক্ষার ৮.৮ কিলোমিটার বাঁধসহ আন্ধারমানিক বাজার, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও ভবন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বাধঁ এলাকার বাইরেও ভাঙন আতঙ্কে দিনপার করছেন, কাঞ্চনপুর, রামকৃষ্ণপুর, হারুকান্দি, আজিমনগর ও লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার পরিবার। ভাঙনরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন নদী তীরবর্তী মানুষ।

মানিকগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে নদীভাঙন রোধে ফ্লাড অ্যান্ড রিভার ব্যাংক ইরোশন রিক্স ম্যানেজমেন্ট ইনভেস্টম্যান প্রোগ্রাম (প্রথম পর্যায়) এর আওতায় ৮.৮ কিলোমিটার অংশে রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের আলগীরচর থেকে হারুকান্দি ইউনিয়নের শেষ পর্যন্ত নদী তীর রক্ষা বাঁধ নির্মিত হয়। গত কয়েকদিন ধরে পদ্মার পানি বৃদ্ধি সাথে নদী তীর রক্ষা বাঁধটিও ভাঙন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় জাহিদুর রহমান তুষার জানান, পদ্মায় পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে আন্ধারমানিক, খালপাড় বয়ড়ার কড়ইতলা এলাকা, কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের কুশিয়ারচর, কালীতলা এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে। এছাড়া চরাঞ্চলের লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়নের সেলিমপুর এলাকায়ও ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙন হুমকিতে রয়েছে চরাঞ্চলের আজিমনগর ইউনিয়নের বাসিন্দারাও।

পদ্মাপাড়ের আন্ধারমানিক কড়ইতলা গ্রামের আক্কাস আলী বলেন, এবার পদ্মায় পানি বাড়ার সাথে সাথে বাঁধে ভাঙন শুরু হইছে। এর আগে পাচবার বাড়ি ভাঙছে। বাড়ি আর দোকান ভাঙলে আমরা থাকমু কই! খামু কি! সরকারের কাছে বাঁধ মেরামতের দাবি জানান তিনি।

কাঞ্চনপুর ইউপি চেয়ারম্যান গাজী বনি ইসলাম জানান, গত বছর পদ্মার ভাঙনে কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের কুশিয়ারচর এলাকায় অনেকগুলো বাড়ি ভেঙে গেছে। এবছরও কালিতলা কুশিয়ারচর এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।

হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, পদ্মা তীর রক্ষা বাঁধের খালপাড় কড়ইতলা ভাঙন বিষয়ে জেলা প্রশাসক স্যারকে জানিয়েছি। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিশেষজ্ঞদের এনে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ও স্যারকে অনুরোধ করেছি। শিগগিরই মন্ত্রণালয়ের বিশেষজ্ঞ দল আসবেন বলে আশা করছি। এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডও বিষয়টি জানেন।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: পদ্মার ভাঙনে হুমকিতে বাঁধ
আরও পড়ুন