Inqilab Logo

রোববার, ২৬ জুন ২০২২, ১২ আষাঢ় ১৪২৯, ২৫ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

বাক স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণে গণমাধ্যম কর্মী আইন

জাতীয় প্রেসক্লাবে মির্জা ফখরুল

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৬ এপ্রিল, ২০২২, ১২:০৩ এএম

বাক স্বাধীনতা, ফ্রিডম অব প্রেস নিয়ন্ত্রণে গণমাধ্যম কর্মী সুরক্ষা আইন-২০২২ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, কোনো মতেই যেন বাক স্বাধীনতা, ফ্রিডম অব প্রেস, ডেমোক্রেসি না থাকে, কোনো মতেই যেন সরকারের বিরুদ্ধে কেউ কোনো কথা বলতে না পারে এবং যারাই সত্যের পথে, গণতন্ত্রের পথে, জনগণের পক্ষে কথা বলবে তাদের যেন নিয়ন্ত্রণে আনা যায় সেজন্য এই আইন করা হয়েছে। এই আইন পাস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ সংসদে যারা আছে তারা লেজুড়বৃত্তি করে, এই আইন পাস হয়ে গেলে..। দেশে পুরোপুরিভাবে একটা নিয়ন্ত্রণমূলক অবস্থা বিরাজ করছে। এখন যে অবস্থা বিরাজ করছে সেটা পাকাপোক্ত হবে। এই খসড়া আইনটি প্রত্যাহারের দাবি জানান বিএনপি মহাসচিব।

গতকাল রোববার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বিএনপি সমর্থিত ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নেরে ইফতার পার্টিপূর্ব আলোচনায় দেশের অবস্থা তুলে ধরতে গিয়ে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।

সাংবাদিকদের প্রতি আহবান রেখে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আপনাদের ছোট-খাটো বিভেদ ভুলে গিয়ে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা, গণমাধ্যমের স্বার্থ রক্ষা, বাংলাদেশের মানুষের অধিকার রক্ষা, ফ্রিডম অব প্রেস রক্ষা করার জন্য, বাংলাদেশের মানুষের পক্ষে কথা বলার স্বার্থে আপনারা সকলে একতাবদ্ধ হয়ে লড়াই করেন।

তিনি বলেন, আজকে দেশে গণতন্ত্র নেই, দেশে মানুষের বাক স্বাধীনতা নেই, দেশে আইনের শাসন নেই, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নেই- এসব বিষয় ফিরে পেতে, রাষ্ট্রকে যদি উদ্ধার করতে হয় তাহলে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আসুন আমরা সবাই জনগণকে উদ্ধুদ্ধ করি, জনমত তৈরি করি এবং জনমত তৈরি করে এই ফ্যাসিবাদী সরকারকে হটিয়ে দেশে একটি নিরপেক্ষ সরকারের মাধ্যমে সত্যিকার অর্থেই জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করি।

অনুষ্ঠানে বিএফইউজের পক্ষ থেকে সদ্য কারামুক্ত রুহুল আমিন গাজীকে ক্রেস্ট উপহার দেয়া হয়। ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি এম আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরীর সঞ্চালনায় এই আলোচনায় জামায়াতে ইসলামীর এটিএম মাসুদ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের অধ্যাপক এজেড এম জাহিদ হোসেন, সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজী, নুরুল আমিন রোকন, এমএ আজিজ, কামাল উদ্দিন সবুজ, আবদুল হাই শিকদার, মোস্তফা কামাল মজুমদার, মুন্সি আবদুল মান্নান, বাকের হোসাইন, শহীদুল ইসলাম, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি মুরসালিন নোমানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির অধ্যাপক লুৎফর রহমান, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব অধ্যাপক আব্দুস সালাম প্রমূখ নেতারা বক্তব্য রাখেন।####



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: মির্জা ফখরুল ইসলাম


আরও
আরও পড়ুন