Inqilab Logo

মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ১৪ আষাঢ় ১৪২৯, ২৭ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

বন্দি নির্যাতন করে মার্কিন বাহিনী যুদ্ধাপরাধ করেছে

প্রকাশের সময় : ১৬ নভেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

ইনকিলাব ডেস্ক : দীর্ঘ বিলম্বে হলেও মার্কিন সেনাবাহিনীর বন্দি নির্যাতনের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে হেগে অবস্থিত আন্তর্জাতিক আদালতের প্রসিকিউটর। তিনি এই অপরাধকে যুদ্ধাপরাধ বলে অভিহিত করেছেন। তারা এই বন্দি নির্যাতন চালিয়েছে আফগানিস্তান এবং অন্যান্য গোপন বন্দিশিবিরে। তাদের এই নির্যাতনের ব্যাপারে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ আফগানিস্তানে যুদ্ধাপরাধ করে থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসি। আদালতের চিফ প্রসিকিউটর ফাতু বেনসুদা গত সোমবার বলেছেন, আফগানিস্তানে মার্কিন বাহিনীর তৎপরতার ওপর চালানো প্রাথমিক এক তদন্তে বিষয়টি বেরিয়ে এসেছে। বেনসুদা জানান, ২০০৩ ও ২০০৪ সালে অত্যন্ত নির্মম ও সহিংস উপায়ে আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের সময় এই অপরাধ করেছে মার্কিন বাহিনী। তিনি বলেন, মার্কিন সেনারা বন্দিদের সঙ্গে অত্যন্ত নির্মম আচরণ করেছে। তাদের ব্যক্তিগত সম্মান ক্ষুণœ করেছে এমনকি ধর্ষণের মতো জঘন্য তৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে, যা আইসিসির আইনে যুদ্ধাপরাধ। এ ধরনের বহুবিধ যুদ্ধাপরাধের দায়ে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা যায়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত জানিয়েছে, মার্কিন সেনাবাহিনী ৬১ জন বন্দির ওপর এবং সিআইএ অন্য ২৭ আফগান বন্দির ওপর ভয়াবহ নির্যাতন চালিয়েছে। তবে এ ব্যাপারে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে কিনা তা জানায়নি আইসিসি। এই প্রথম আইসিসির আনুষ্ঠানিক তদন্তে মার্কিন বাহিনীকে যুদ্ধাপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হলো। এই আদালত বহু দিন ধরে বলে এসেছে, ২০০৩ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে মার্কিন সেনারা আফগানিস্তানে বন্দিদের জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে মারাত্মক যুদ্ধাপরাধ করেছে। উল্লেখ্য, মার্কিন বাহিনী আফগানিস্তানে হামলা চালানোর পর বহু বন্দিকে গোপন স্থানে নিয়ে গিয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালায়। এর মধ্যে কিউবা উপকূলে স্থাপিত গুয়ানতানামো বন্দিশিবির এবং ইরাকের আবু গারিব কারাগার তাদের বন্দিনির্যাতনের কারণে ব্যাপক কুখ্যাতি পায়। নিউজ উইক, পার্স টুডে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: বন্দি নির্যাতন করে মার্কিন বাহিনী যুদ্ধাপরাধ করেছে
আরও পড়ুন