Inqilab Logo

সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ২০ আষাঢ় ১৪২৯, ০৪ যিলহজ ১৪৪৩ হিজরী

ভারতে মুসলমানদের বাড়ি ও দোকানে চালানো হচ্ছে বুলডোজারের অত্যাচার, বাদ পড়েনি মসজিদও

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৩০ এপ্রিল, ২০২২, ১২:৫১ পিএম

নতুন দিল্লির জাহাঙ্গীর পুরীতে এক সকালে বাসিন্দারা তাদের দোকান এবং স্টল ধ্বংসকারী বুলডোজারের শব্দে জেগে উঠেছিল। ২৪ বছর বয়সী বাসিন্দা সাবিনা বিবি তার বাড়ির কাছে একটি বুলডোজার দেখতে পেয়ে তার ধ্বংসযজ্ঞ কেমন ছিল তা পরীক্ষা করতে বেরিয়েছিলেন। দেখেন তার পান এবং সিগারেট বিক্রির ছোট স্টলটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। আয়ের একমাত্র উৎস শেষ হয়ে গেছে।–ন্যাশনাল হেরাল্ড অব ইন্ডিয়া, মুসলিম টাইমস

সাবিনা বলেন, দোকান ভেঙ্গে ফেলার আগে অন্তত আমাদের জিনিসপত্র সংগ্রহ করার জন্য সতর্ক করার দরকার ছিল, যা হয়নি। কোনো পূর্ব বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়নি। বিজেপি তাই অনেকের মতে 'বুলডোজারের রাজনীতি' বা 'বুলডোজার রাজ' হিসাবে সমালোচিত। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় দোকান এবং বাড়িতে বুলডোজারের ব্যবহার এখন সংখ্যালঘু মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিজেপির প্রকাশ্য বৈষম্যের প্রতীক হয়ে উঠছে।

‘পরপর ধ্বংসযজ্ঞ’

বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে যোগী আদিত্যনাথের প্রথম কার্যকালের সময়, বুলডোজারগুলি ব্যাপকভাবে তথাকথিত 'অবৈধ' বাড়ি এবং ব্যবসা গুঁড়িয়ে দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল। আদিত্যনাথ দ্রুত বিখ্যাত হন "বুলডোজার বাবা"।এই বছর মধ্যপ্রদেশ এবং গুজরাটে তার প্রতিপক্ষরাও তার পদাঙ্ক অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, যখন এই রাজ্যগুলিতে একই রকম ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়। ২০ এপ্রিল জাহাঙ্গীরপুরীতে ধ্বংস অভিযান, যেসময় একটি মসজিদও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

সুপ্রিমকোর্টের স্থগিতাদেশ সত্ত্বেও প্রায় তিনঘন্টা ধ্বংসযজ্ঞ অব্যাহত ছিল। হিন্দু দেবতা হনুমানের জন্ম উদযাপন, হনুমান জয়ন্তী সমাবেশের সময় ১৬ এপ্রিল সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ফলে যে ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হয়েছিল, তা অনেক পরিবারকে আয়হীন বেকারে পরিণত করে। ১২ এপ্রিল হিন্দু দেবতা রামের জন্ম উদযাপনে রাম নবমী সমাবেশে যে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা শুরু হয় তার দুদিন পরে, মধ্যপ্রদেশের খারগোন অঞ্চলে একটি ধ্বংস অভিযান চালানো হয়েছিল। গত মঙ্গলবার নাগরিক কর্তৃপক্ষ আবার গুজরাটের হিম্মতনগর শহরে একটি ধ্বংস অভিযান শুরু করেছে, যেখানে এই মাসের শুরুতে রাম নবমী উদযাপনের সময় একটি সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ শুরু হয়।এর আগে রাম নবমী উদযাপনের সময় খম্ভত শহরে সহিংসতার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের মালিকানাধীন বিল্ডিং অপসারণের জন্য প্রশাসন বুলডোজার ব্যবহার করে বিল্ডিং ভাঙ্গার অভিযান চালিয়েছিল। তিনঘন্টারও কম সময়ের মধ্যে জাহাঙ্গীরপুরী এবং গুজরাটের বেশ কয়েকটি দোকান বুলডোজার দ্বারা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত লোকেরা এখন ভিক্ষা করছে। এর আগে খারগোনে, প্রশাসন প্রায় ১৬টি বাড়ি এবং ২৯টি দোকান ভেঙে দিয়েছে। ২৪ শে এপ্রিল, আম আদমি পার্টি (এএপি) বিজেপির "বুলডোজার রাজনীতির" বিরুদ্ধে নয়াদিল্লিতে পদযাত্রা করেছে এবং জনগণকে বিজেপির "গুন্ডামী এবং দুর্নীতি" থেকে "ভীতি ও হুমকি" না পেতে বলেছে।

‘আমরা এখন ভয় পাচ্ছি’

১৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় ইফতারের প্রায় দশ মিনিট বাকি ছিল, যখন জাহাঙ্গীরপুরীর একটি মসজিদে হিন্দু জনতা হামলা চালায়। “তারা জয় শ্রীরাম স্লোগান দিচ্ছিল। তারা মসজিদের দেয়াল ও জানালা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বলে জানান সাবিনা। সাবিনা বলেন, মুসলিম বাসিন্দারা মসজিদের ক্ষতি সাধন থেকে জনতাকে বাধা দিতে বের হলে নারী-পুরুষকে বেদম মারধর করা হয়। এমন কি কর্তৃপক্ষও তাদের সঙ্গে আছে। তখন অন্তত ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়, যাদের বেশির ভাগই মুসলিম পুরুষ।পরে বিজেপি সহিংসতায় "অবৈধ অভিবাসীদের" ভূমিকার তদন্তের দাবি করে অভিযোগ করে যে, বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা মুসলিম অভিবাসীরা সহিংসতা শুরু করেছিল। সাবিনা বলেন, আমার স্বামী ভয় পেয়ে সেদিন পালিয়ে গিয়েছিল। আমি জানি না তিনি কোথায় আছেন। পুলিশ তাদের কোন দোষ ছাড়াই পুরুষদের গ্রেফতার করেছে, বলেও জানান সাবিনা। সাবিনার প্রশ্ন, একজন মুসলিমকে কেন প্রতিরোধ করা উচিত? এমনকি আমাদের পিটিয়ে মেরে ফেলা হলেও, আমাদের জবাবে একটি শব্দও বলা উচিত নয় কেন? আক্রমণ শেষ হওয়ার পরে, আসন্ন ধ্বংসের গুজব ছড়াতে শুরু করে তারা। বাড়ির বাইরে খাবারের স্টল থেকে প্রতিদিন প্রায় ৩০০ টাকা আয় করেন সাবিনা।

সাবিনা বলেন, ব্যবসা করে যা আয় করতাম, তা দিয়ে আমার দুই মেয়েকে খাওয়াতাম। এখন আমরা কেউ আমাদের খাবার দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছি। তিনি বলেন, ভাঙার সময় তার বাড়ির দেয়াল সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভারতীয় মুসলমানদের অন্যতম বৃহত্তম সামাজিক-ধর্মীয় সংগঠন জমিয়ত উলামা-ই-হিন্দ বিভিন্ন বিজেপি-শাসিত রাজ্যে ধ্বংসের বিরুদ্ধে সুপ্রিমকোর্টে একটি পিটিশন দাখিল করেছে। জমিয়ত উলামা-ই-হিন্দের সেক্রেটারি নিয়াজ ফারুকি মকতুবকে বলেছেন যে, সংগঠনটি সুপ্রিম কোর্টে চলে গেছে। কারণ, সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করে ধ্বংস করা হয়নি। মিউনিসিপ্যাল অ্যাক্টের অধীনে ভাঙা শুরু করার আগে তাদের অন্তত জনগণকে নোটিশ পাঠানো উচিত ছিল।কিন্তু তারা তা করেনি, তিনি বলেন। আমরা অনুভব করেছি যে, এটি একটি সম্প্রদায়কে টার্গেট করার একটি স্পষ্ট ঘটনা। যখন প্রথম উপস্থিতির পর সুপ্রিমকোর্ট স্থগিতাদেশ দেয়, ফারুকী বলেন যে, সুপ্রিমকোর্ট স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছে এবং ৯ মে পরবর্তী শুনানির জন্য বিষয়টি তালিকাভুক্ত করেছে। আমাদের লক্ষ্য দাঙ্গা এবং বুলডোজার ব্যবহারের মাধ্যমে সম্প্রদায়কে টার্গেট করা বন্ধ করা। আর যদি ধ্বংস করতেই হয়, আইন মেনে চলতে হবে, বলেন ফারুকী।

‘অধিকার অস্বীকার’

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান আকার প্যাটেল বলেছেন যে, ২০১৪ সাল থেকে ভারতীয় মুসলমানদের লক্ষ্য করে এমন আইন ও নীতি রয়েছে। কাশ্মীর থেকে গণতন্ত্র অপসারণ হোক বা কারাগারে থাকা কাশ্মীরিদের হেবিয়াসকর্পাস প্রত্যাখ্যান, মিডিয়া নীতি ২০২০-এর মাধ্যমে কাশ্মীরিদের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অস্বীকার করা, জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের মুসলমানদের নামাজে বাধা, তাদের কাছ থেকে নামাজের জন্য বরাদ্দ জায়গা কেড়ে নেওয়া হয়। সেটা হিজাব নিষিদ্ধ হোক বা গরুর মাংস নিষিদ্ধ হোক, যে কারণেই হোক বলে প্যাটেল মকতুব বলেছেন৷

প্যাটেল বলেছেন, জাহাঙ্গীর পুরীতে এই ক্রিয়াটি মুসলিম এলাকায় জনতাকে সরিয়ে নিয়ে বিজেপির সহিংসতার প্রচারের অনুসরণ। তিনি বলেন, বিজেপি দিল্লিতে কোনো ধরনের আইনি অনুমোদন ছাড়াই এই পদক্ষেপ নিয়েছিল এবং এমনকি সুপ্রিমকোর্টের স্থগিতাদেশকেও অস্বীকার করেছে। ধ্বংসের সবচেয়ে বড় প্রভাব হল, যাদের সম্পত্তি ভেঙে দেওয়া হয়েছে, তাদের বাড়িঘর এবং সম্পত্তি অস্বীকার করা। তাদের নোটিশের জবাব দেওয়ার অধিকার দেওয়া হয়নি। বুলডোজার ডাকার আগে তাদের বিচারের কোনো সুযোগ দেওয়া হয়নি। মুসলমানদের ভয় দেখানো, হয়রানি এবং নৃশংসতার জন্য লক্ষ্য করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।



 

Show all comments
  • তাইন রিজভী ৩০ এপ্রিল, ২০২২, ১১:০১ পিএম says : 0
    "বুল" যখন ড্রেজার হাতে পায়, তখন সেটা যা হওয়ার তাই হয়...
    Total Reply(0) Reply
  • Mohammad Mohsin ৩০ এপ্রিল, ২০২২, ১১:৩৬ পিএম says : 0
    Mr.Modi,the Indian Prime Minister, is far better than those Bangladeshi Muslims who are his fans.
    Total Reply(0) Reply
  • Dr. Miah Muhammad Adel ৩০ এপ্রিল, ২০২২, ৩:৫৩ পিএম says : 0
    আর এই বিজেপি সরকারের নেতাকে নিয়ে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশ নাচে। "চোরা না শুনে ধর্মের কাহিনী" না, রাজনীতিকরা না শুনে ধর্মের কাহিনী। It was said in Surah al-Mumtahinah: يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا عَدُوِّي وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ تُلْقُونَ إِلَيْهِم بِالْمَوَدَّةِ 0. those who believe, do not take My enemy and your enemy as friends having love for them. (60:1) Then, towards the end it was said: وَمَن يَفْعَلْهُ مِنكُمْ فَقَدْ ضَلَّ سَوَاءَ السَّبِيلِ And whoever from among you does this he has gone astray from the right path. (60:1) Elsewhere it was said: يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الْيَهُودَ وَالنَّصَارَ‌ىٰ أَوْلِيَاءَ ۘ بَعْضُهُمْ أَوْلِيَاءُ بَعْضٍ ۚ وَمَن يَتَوَلَّهُم مِّنكُمْ فَإِنَّهُ مِنْهُمْ ﴿المائدة : 51﴾ 0 those who believe, do not take Jews or Christians as friends (for) they are friends among themselves. And whoever has friendship with them, he is one of them. (5:51) And it appears in Surah al-Mujadalah: لَّا تَجِدُ قَوْمًا يُؤْمِنُونَ بِاللَّـهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ‌ يُوَادُّونَ مَنْ حَادَّ اللَّـهَ وَرَ‌سُولَهُ وَلَوْ كَانُوا آبَاءَهُمْ أَوْ أَبْنَاءَهُمْ أَوْ إِخْوَانَهُمْ أَوْ عَشِيرَ‌تَهُمْ You shall not find those who believe in Allah and in the Here-after having friendship with those who have enmity with Allah and His messenger, even though they may be their fathers or sons or brothers or members of their tribe. (58:22)
    Total Reply(0) Reply
  • Dr. Miah Muhammad Adel ৩০ এপ্রিল, ২০২২, ৩:৫৫ পিএম says : 0
    ভীতু ইনকিলাব, ভোরের কাগজের মত সাহসী না। পাঠকের মতামতের গুরুত্ব দিয়ে থাকে না।
    Total Reply(0) Reply
  • Joydeep ১ মে, ২০২২, ৯:০৪ এএম says : 0
    I am from India n article is twisted to mislead people, the actual matter is far different.
    Total Reply(0) Reply
  • Sabyasachi hazra ১ মে, ২০২২, ৪:৪৩ পিএম says : 0
    SAMPRADAYIK KHOBOR PRIBESON KORA HOCCHE OKHANE HINDU DER O DOKAN & BARI BHENGE DEO HOCCHE BANGLADESH DESH E HINDU DER UPAR KI HOY DAYA KORE SETA LIKHUN BHARAT E MUSLIM RA BIROL JIBER STATUS PAY HINDU DER KEU MANUS BOLAY MONE KORE NA KHOBOR TAO TOSHON KARI DER RONG LAGIE PRACHAAR.
    Total Reply(0) Reply
  • Pavel ১ মে, ২০২২, ৪:৪১ পিএম says : 0
    সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বাংলাদেশের মানুষ ও সরকার ঘৃণা করে। ভারতের উচিত বাংলাদেশ থেকে শিক্ষা নেয়া। আমরা কখনোই এধরণের কুলাঙ্গারদের প্রশ্রয় দেয়নি। আর তারা সমর্থন করে। ছিঃ!
    Total Reply(0) Reply
  • arunava talukdar ১ মে, ২০২২, ৯:২৪ এএম says : 0
    ভারতে হিন্দু বহুসংখ্যক। আর হিন্দুরাই ঢাল হযে দাঁড়িয়েছে অন্যযের বিরুদ্ধে। প্রতিটি মুসলমান চুপ। তার কারন 90% হিন্দু মুসলমানের সাথে আছে অন্যযের বিরুদ্ধে।।।।।।। আমার বন্ধু প্রতিবেশি মুসলমান আমরা কখনই আমার বন্ধু প্রতিবেশীর সাথে অন্যয হতে না = প্রতিবদ্ধ্য
    Total Reply(0) Reply
  • Sankar ১ মে, ২০২২, ৯:৩১ এএম says : 0
    Ja hochea thik hochea ata aro agea hoaer darkar chilo
    Total Reply(0) Reply
  • Sourav Dey ১ মে, ২০২২, ২:২৩ পিএম says : 0
    It's totally fake news. It was a 15 years old court case where Delhi High Court has given order to vacate the government land. It was illegally occupied by both Hindu and Muslims. So shop was broken for everyone. No Mosque was broken but the outside shop of the Mosque which illegally occupied the government land was broken. This type of media house creates diversion for money. So all my Hindu and Muslims brothers please don't believe those fake news.
    Total Reply(0) Reply
  • Rakin Abrar ২ মে, ২০২২, ১০:৪২ পিএম says : 0
    Sourav and others Hindus do not know that you are liers because you deny you faults Hindu really occupied the Muslims the news is really So hasina discuss about this news before of next Eid ...
    Total Reply(0) Reply
  • Md. Altaf Hossain ৪ মে, ২০২২, ৯:২৫ এএম says : 0
    আল্লাহ আপনি ছাড়া আমাদের আর কেহ নাই ।আপনি ভারতের মুসলমানদের রক্ষা করুন ও আমার মহান আল্লাহ।
    Total Reply(0) Reply
  • Rakin Abrar ৪ মে, ২০২২, ১০:৩১ পিএম says : 0
    This is true that India is attaking Muslims in because of Islam phobia sheikh hasina should take of takings of Actions against norendra Modi please otherwise Hindus will do doings of attacks .
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ভারত


আরও
আরও পড়ুন