Inqilab Logo

শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ১৮ আষাঢ় ১৪২৯, ০২ যিলহজ ১৪৪৩ হিজরী

অধিকৃত কাশ্মীরের হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকা বেশি আসন পাবে

ভারতের নতুন তালিকা প্রত্যাখ্যান পাকিস্তানের

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৭ মে, ২০২২, ১২:০০ এএম

ভারত-অধিকৃত কাশ্মীরের জন্য বৃহস্পতিবার পুনরায় তৈরি রাজনৈতিক নির্বাচনী এলাকার একটি নতুন তালিকা জারি করা হয়েছে, যা মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলের হিন্দু অঞ্চলকে বৃহত্তর প্রতিনিধিত্ব দিয়েছে এবং নতুন নির্বাচনের পথ প্রশস্ত করেছে। ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার এই অঞ্চলের ওপর তার দখল শক্ত করার পদক্ষেপের অংশ হিসাবে ভারতীয়-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলটিকে দুটি ফেডারেল অঞ্চলে বিভক্ত করে। অধিকৃত অঞ্চলটি মূলত মুসলিম কাশ্মীর উপত্যকা, হিন্দু অধ্যুষিত জম্মু অঞ্চল এবং লাদাখের প্রত্যন্ত বৌদ্ধ ছিটমহল নিয়ে গঠিত।

সরকার বলেছে, একটি সীমানা কমিশন জম্মুর জন্য ৪৩টি এবং কাশ্মীরের জন্য ৪৭টি আসনসহ লাদাখ ব্যতীত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের জন্য ৯০টি বিধানসভা কেন্দ্র চূড়ান্ত করেছে। এর আগে, জম্মুতে ৩৭টি এবং কাশ্মীর উপত্যকায় ৪৬টি আসন ছিল।

এ অঞ্চলের ‘অদ্ভুত ভূ-সাংস্কৃতিক ল্যান্ডস্কেপ’ একটি বিবৃতিতে উদ্ধৃত করে কমিশন, যার প্রতিবেদন জে অ্যান্ড কে-এর পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি প্রত্যাখ্যান করেছে, বলেছে যে, বিভিন্ন পক্ষ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক দাবিগুলোকে মানিয়ে নেওয়া কঠিন ছিল। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানুয়ারিতে বলেছিলেন যে, সীমানা নির্ধারণের প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরেই জে অ্যান্ড কে-তে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি ‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে গেলে’ এর রাষ্ট্রত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন।

জম্মু কাশ্মীর ন্যাশনাল কনফারেন্স, যা এই অঞ্চলটি শাসন করেছে, বলেছে যে, তারা মোদির ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) উদ্ভাবিত পদক্ষেপের প্রভাবগুলো অধ্যয়ন করছে।
ন্যাশনাল কনফারেন্স টুইটারে বলেছে, ‘কোনো পরিমাণে ঠেলাঠেলি মাটির বাস্তবতা পরিবর্তন করবে না, যেটি হল যে, তারা গত ৪ বছরে ঔ্ক এর সাথে যা করেছে, যখনই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ভোটাররা বিজেপি এবং এর প্রক্সিদের শাস্তি দেবে’।

বৃহস্পতিবার জারি করা এক বিবৃতিতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে যে, তারা ভারতীয় চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের কাছে একটি ডিমার্চ হস্তান্তর করেছে, তথাকথিত ‘ডিলিমিটেশন কমিশন’-এর রিপোর্টকে পাকিস্তান সরকার স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। এর উদ্দেশ্য ভারতীয় অবৈধভাবে অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের (আইআইওজেকে) মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসংখ্যাকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ও ক্ষমতাহীন করা।

পররাষ্ট্র দফতর ভারতকে অধিকৃত অঞ্চলে কোনো অবৈধ জনসংখ্যাগত পরিবর্তন আনা থেকে বিরত থাকার, আইআইওজেকে-তে অবিলম্বে তার নিপীড়ন বন্ধ করা এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন অনুযায়ী কাশ্মীরি জনগণের অংশগ্রহণে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে একটি অবাধ ও ন্যায্য গণভোটের মাধ্যমে তাদের নিজেদের ভবিষ্যত নির্ধারণ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। সূত্র : ডন অনলাইন, রয়টার্স।



 

Show all comments
  • MD Mizanur Rahoman Mizan ৭ মে, ২০২২, ৭:৪০ এএম says : 0
    মোদি একদিন ঠিকই ধংস হবে কাশমিরি নিরীহ মুসলিম দের নির্যাতন আল্লাহ সহ্য করবে না বিচার একদিন হবেই হবে ইনশাআল্লাহ
    Total Reply(0) Reply
  • MD Mizanur Rahoman Mizan ৭ মে, ২০২২, ৭:৪০ এএম says : 0
    মোদি একদিন ঠিকই ধংস হবে কাশমিরি নিরীহ মুসলিম দের নির্যাতন আল্লাহ সহ্য করবে না বিচার একদিন হবেই হবে ইনশাআল্লাহ
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ভারত


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ