Inqilab Logo

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ১৬ আষাঢ় ১৪২৯, ২৯ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী

ইউক্রেন যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি জড়িত

ডুমার স্পিকার ভোলোদিনের দাবি ইউক্রেন সঙ্ঘাতে পশ্চিমারা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভুলের পুনরাবৃত্তি করছে রাশিয়ার আগামীকালের বিজয় দিবস কেন গুরুত্বপূর্ণ? ইউক্রেনে মার্কিন ও ইউরোপীয়দের বিশ

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ৯ মে, ২০২২, ১২:০৫ এএম

রাশিয়ার সবচেয়ে সিনিয়র আইনপ্রণেতা ওয়াশিংটনকে ইউক্রেনে সামরিক অভিযানে সমন্বয়ের জন্য অভিযুক্ত করে বলেছেন, এটাই রাশিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপে সরাসরি মার্কিন জড়িত থাকার প্রমাণ। ব্যাচেসøাভ ভোলোদিন গতকাল তার টেলিগ্রাম চ্যানেলে লিখেছেন, ‘ওয়াশিংটন মূলত সামরিক অভিযানের সমন্বয় ও উন্নয়ন করছে, যার ফলে সরাসরি আমাদের দেশের বিরুদ্ধে সামরিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করছে’।
ওয়াশিংটন এবং ট্রান্সআটলান্টিক ন্যাটো জোটের ইউরোপীয় সদস্যরা কিয়েভকে ভারী অস্ত্র সরবরাহ করেছে যাতে তারা রাশিয়ান আক্রমণ প্রতিহত করতে পারে, যার ফলে পূর্ব এবং দক্ষিণ ইউক্রেনের কিছু অংশ দখল হয়ে গেলেও কিয়েভকে নিতে ব্যর্থ হয়।
তবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার ন্যাটো মিত্ররা বারবার বলেছে যে, তারা নিজেদের যুদ্ধে অংশ নেবে না, যাতে সঙ্ঘাতের পক্ষ হয়ে না যায়। মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার আক্রমণ মোকাবেলায় সহায়তা করার জন্য ইউক্রেনকে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করেছে, তবে অস্বীকার করেছে যে এ বুদ্ধিমত্তায় সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু ডেটা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ডুমার স্পিকার ভোলোদিন মস্কো তার দক্ষিণ প্রতিবেশীর সামরিক সক্ষমতা হ্রাস করতে এবং সরকার ও সামরিক বাহিনীর ওপর কর্তৃত্বকারী ফ্যাসিবাদী উপাদানগুলোর মূলোৎপাটন করতে ইউক্রেনে ‘বিশেষ অভিযান’ বলে যাকে বলে তার একজন বিশিষ্ট উকিল।
ইউক্রেন এবং পশ্চিমারা বলে যে, ফ্যাসিবাদী অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং রাশিয়া বিনা প্ররোচনায় আগ্রাসন করেছে। সঙ্ঘাতে ইউক্রেনে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে এবং ৫০ লাখেরও বেশি মানুষ দেশ ছেড়ে পালিয়েছে।
এদিকে সিঙ্গাপুরে নবনিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত নিকোলে কুদাশেভ বলেছেন, ইউক্রেনের বর্তমান সঙ্ঘাতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি জার্মানির সোভিয়েত ইউনিয়নে আগ্রাসন চালানোর জন্য পশ্চিমারা সেই ভুলের পুনরাবৃত্তি করছে। ইয়াহু নিউজ সিঙ্গাপুরের সাথে একটি সাম্প্রতিক ফোন সাক্ষাৎকারে কুদাশেভ পশ্চিমা দেশগুলোর সমালোচনা করে বলেন যে, রাশিয়া ১৯৪১ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত দ্য গ্রেট প্যাট্রিয়টিক যুদ্ধের সময় জয়ের জন্য সোভিয়েত ইউনিয়নের অবদানগুলো স্বীকার না করে। ইউক্রেন যুদ্ধ তৃতীয় মাসে প্রবেশ করার সময় তার মন্তব্য এসেছে।
নাৎসী জার্মানির বিরুদ্ধে বিজয়ের ৭৭তম বার্ষিকী আগামীকাল পালন করবে রাশিয়া। এদিন প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন ইউক্রেন অভিযানে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন বলে পশ্চিমাদের প্রচারণা সত্ত্বেও ক্রেমলিন থেকে তা নাকচ করে দেয়া হয়েছে। তবে জাঁকজমকের বহর দেখে কোনো বড় ধরনের ঘোষণা আসতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রাদুর্ভাবের আগে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং নাৎসি জার্মানি ১৯৩৯ সালের ২৩ আগস্ট পোল্যান্ডকে উভয় পক্ষের দ্বারা বিভক্ত করার এবং প্রভাবের অন্যান্য ক্ষেত্রগুলোকে সীমাবদ্ধ করার জন্য একটি গোপন প্রটোকলসহ একটি অ-আগ্রাসন চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তিটি ১৯৪১ সালের ২২ জুন বাতিল করা হয়, যখন নাৎসি জার্মানি সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ করে।
কুদাশেভ দাবি করেছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা (ন্যাটো) মিত্ররা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ট্র্যাজেডির পুনরাবৃত্তি করার জন্য ইউক্রেনে ভিত্তি তৈরি করছে। গ্রেট প্যাট্রিয়ট ওয়ারের ক্ষেত্রে, কারণগুলোর মধ্যে একটি ছিল (এর প্রাদুর্ভাবের জন্য) পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার (সতর্কতা) আহ্বানকে সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষা করেছিল এবং এটি নাৎসি, ফ্যাসিস্টদের অনুপ্রাণিত করেছিল এবং পূর্বে যাওয়ার জন্য তাদের ক্ষুধা জাগিয়েছিল’ -কুদাশেভ বলেন।
‘দুর্ভাগ্যবশত, এ ট্র্যাজেডিটি ইউক্রেনের ঘটনাগুলোর সাথেই পুনরাবৃত্তি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার ন্যাটো মিত্রদের সাথে ইউক্রেনের ফ্যাসিবাদী, চরমপন্থী এবং নব্য-নাৎসিদের রাশিয়াকে তাদের লক্ষ্য হিসাবে লক্ষ্য করার জন্য প্ররোচিত করেছে’। রাশিয়া পূর্ব ইউরোপে ন্যাটো সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে বছরের পর বছর ধরে সতর্ক করে আসছে এবং এ ইস্যুতে পশ্চিমের সাথে সামরিক সংঘর্ষের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছে।
রাশিয়ার এবারের বিজয় দিবস কেন গুরুত্বপূর্ণ : রাশিয়ার হাজার হাজার সৈন্য, ট্যাঙ্ক এবং সামরিক যান আগামীকাল সোমবার মস্কোর রেড স্কোয়ারের মধ্য দিয়ে মিছিল করবে, আর বার্ষিক বিজয় দিবসের প্যারেডের অংশ হিসাবে ফাইটার জেটগুলো গর্জে উঠবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিজয়ের ৭৭তম বার্ষিকীর স্মারক গর্বের এ দিনটিকে কিছু পর্যবেক্ষক প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের সরকারের প্রচারের হাতিয়ার হিসাবে দেখেন, যেটি ইউক্রেনের চলমান আক্রমণের জন্য ইতিহাসকে আঁকছে। এবং কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, পুতিন এ বছরের উদযাপন উপলক্ষকে যুদ্ধের প্রচেষ্টা বাড়াতে ব্যবহার করবেন।
‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয় যুদ্ধোত্তর সোভিয়েত জীবনে সংজ্ঞায়িত মিথ হয়ে উঠেছে, এমনকি বিপ্লবকে এর তাৎপর্যকে ছাড়িয়ে গেছে’- ব্যাখ্যা করেছেন মিয়ামি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাশিয়ান ইতিহাসের অধ্যাপক স্টিফেন নরিস। ‘যুদ্ধের সময় সাতাশ মিলিয়ন সোভিয়েত নাগরিক মারা গিয়েছিল এবং স্পষ্টতই একটি বড় মূল্য দিয়ে বিজয় এসেছিল। এটি যুদ্ধের সময় ত্যাগ স্বীকারও বৈধ করেছে। নোবেল-পুরষ্কার বিজয়ী লেখিকা স্বেতলানা অ্যালেক্সিভিচ বিজয়ের ইতিহাসকে প্রকৃত যুদ্ধের ইতিহাস প্রতিস্থাপন করার মাধ্যমে এটিকে ভালভাবে ধরে রেখেছেন।
বিজয় দিবস যতই ঘনিয়ে আসছে, কিছু পর্যবেক্ষক বিশ্বাস করেন যে, ইউক্রেনকে পরাজিত করার অগ্রগতির অভাবের কারণে হতাশ শীর্ষ কর্তারা একটি চাপ দেওয়ার আহ্বান জানাবেন এবং পুতিন পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ ঘোষণা করবেন।
নরিস বলেন, ‘পুতিন এবং তার উপদেষ্টারা অবশ্যই ঐতিহাসিক বার্ষিকীতে মনোযোগ দেন এবং ক্ষমতায় তাদের দখল জোরদার করতে তাদের ব্যবহার করতে চান’। ‘বিজয় দিবসটি পুতিন এবং পুতিনবাদের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল তা বিবেচনা করে এটা কল্পনা করা কঠিন যে, তার সরকার কোনো উদ্দেশ্যে এটি ব্যবহারের চেষ্টা করবে না। কোন ধরনের বিজয় ঘোষণা করা দেখতে কঠিন। পরিবর্তে, আমার ভয় হল পুতিন ছুটির দিনটিকে নতুন আক্রমণাত্মক এবং যুদ্ধের নতুন পর্ব ঘোষণা করতে ব্যবহার করবেন’।
কেউ কেউ উদ্বিগ্ন যে, পুতিন একটি গণসংহতি ঘোষণা করতে পারেন, সক্ষম দেহের পুরুষদের সেবায় ডাকতে পারেন। তবে, মার্চ মাসে সামরিক আইন এবং নিয়োগের পূর্বের গুজব ভুল প্রমাণিত হয়েছিল।
বিজয় দিবস প্রথম পালিত হয়েছিল ১৯৬৫ সালে সোভিয়েত নেতা লিওনিড ব্রেজনেভের অধীনে, যিনি নিজে যুদ্ধের একজন অভিজ্ঞ ছিলেন।
এটি রাশিয়ান ডায়াস্পোরা জুড়ে এবং ইউক্রেনসহ অন্যান্য প্রাক্তন সোভিয়েত দেশগুলোতেও চিহ্নিত করা হয়েছে, যা ২০১৫ সালে প্রতীকীভাবে তারিখটিকে ৮ মে-এ স্থানান্তরিত করেছিল, যখন ইউরোপ দিনটিকে স্মরণ করে।
১৯৪৫ সালের ৮ মে অবশিষ্ট জার্মান বাহিনীর কমান্ডার রেড আর্মির কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন, তবে বার্লিন এবং মস্কোর মধ্যে সময়ের পার্থক্যের কারণে রাশিয়ায় অনুষ্ঠানটি ৯ মে চিহ্নিত করা হয়। বিজয় দিবস নাৎসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রাশিয়ান জনগণ এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্যান্য জাতিগুলোর অপরিমেয় আত্মত্যাগকে চিহ্নিত করে। ১৯৪১ সালের ২২ জুন জার্মান সেনাবাহিনী অপারেশন বারবারোসা নামে ইউএসএসআর আক্রমণ শুরু করে।
সোভিয়েত শাসক জোসেফ স্টালিন অপ্রস্তুতভাবে ধরা পড়েছিলেন: নাৎসিদের সাথে ১৯৩৯ সালের পোল্যান্ড আক্রমণে অংশ নিয়েছিলেন, তিনি ভেবেছিলেন অ্যাডলফ হিটলারের সাথে তার চুক্তি তাকে রক্ষা করবে এবং বিদেশী কূটনীতিক বা তার নিজস্ব এজেন্টদের সতর্কবার্তায় কান দেয়নি।
‘ইউক্রেন সঙ্কটের শান্তিপূর্ণ সমাধান চায় রাশিয়া’ : ইউক্রেনের চলমান সঙ্কটের শান্তিপূর্ণ সমাধান চায় রাশিয়া। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এ সংক্রান্ত এক বিবৃতিতে নিজের এমন অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেছে মস্কো। ইউক্রেন সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেসের উদ্যোগের প্রতিও সমর্থন দিয়েছে নিরাপত্তা পরিষদ। তার এই প্রচেষ্টার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে রাশিয়াসহ পরিষদের সবকটি সদস্য দেশ। ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে কথিত বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। ওই হামলা শুরুর পর শুক্রবার প্রথমবারের মতো এ নিয়ে সর্বসম্মত কোনো বিবৃতি দিতে সমর্থ হয়েছে নিরাপত্তা পরিষদ।
বিবৃতির সারসংক্ষেপ তৈরি করেছে নরওয়ে ও মেক্সিকো। এতে বলা হয়, ‘জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ইউক্রেনের শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী, এর সব সদস্য রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক বিরোধ শান্তিপূর্ণ উপায়ে মীমাংসার বাধ্যবাধকতার বিষয়টি মেনে নিয়েছে। ইউক্রেন সঙ্কটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগের প্রতি নিরাপত্তা পরিষদের জোরালো সমর্থন রয়েছে।
ইউক্রেনে মার্কিন ও ইউরোপীয়দের বিশাল সামরিক মজুদ ধ্বংস : ইউক্রেনের খারকিভ অঞ্চলে বোহদুখিভ রেলওয়ে স্টেশনের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপিয়ান দেশগুলো থেকে আসা বিশাল সামরিক মজুদ ধ্বংস করা হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই দাবি করেছে। গতকাল শনিবার আল জাজিরার লাইভ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরো বলা হয়েছে, বন্দরনগরী ওডেসার কাছে ডাসনেতে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর ১৮টি স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি গোলাবারুদ ভাণ্ডারও আছে। তবে রাশিয়ার এ দাবি নিয়ে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ওডেসায় রাশিয়ার ৪ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা : ইউক্রেনের দক্ষিণ বন্দর নগরী ওডেসায় ৪টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনের আঞ্চলিক সামরিক প্রশাসন এই তথ্য জানিয়েছে। গতকাল শনিবার সিএনএনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর অপারেশনাল কমান্ড (দক্ষিণ) বলেছে, ‘শত্রুরা শুধুমাত্র এই অঞ্চলের অবকাঠামোর ধ্বংসই নয়, বেসামরিক জনগণের ওপর মানসিক চাপও অব্যাহত রেখেছে’। তবে এই হামলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন। এরপর আজ পর্যন্ত টানা ৭৩ দিনের মতো চলছে দেশ দুইটির সঙ্ঘাত। এতে দুই পক্ষের বহু হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে যুদ্ধ বন্ধে এখন পর্যন্ত কোনো লক্ষণ নেই। উল্টো পুর্ব ইউক্রেনে দেশ দুইটির মধ্যে যুদ্ধের তীব্রতা বেড়েছে। সূত্র : আল-জাজিরা, ইয়াহু নিউজ, এপি ও রয়টার্স।



 

Show all comments
  • Prince Mahmud ৮ মে, ২০২২, ৪:৩০ এএম says : 0
    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর বিশ্বব্যবস্থায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একচেটিয়া ক্ষমতার ফলে আফ্রিকা, এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের যে ক্ষতি হয়েছে তা অপূরণীয়।এজন্য বিশ্বব্যাবস্তায় ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার্থে ইউক্রেনকে উস্কানি না দিয়ে রাশিয়ার সকল যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধান করা উচিৎ।
    Total Reply(0) Reply
  • এম. আই. রাসেল ৮ মে, ২০২২, ৪:৩১ এএম says : 0
    পরের উপর নির্ভর করে আর কত?? নিজেরা কিছু করে দেখাও বাপু রাম!!
    Total Reply(0) Reply
  • Siddiquee Kutub ৮ মে, ২০২২, ৪:৩১ এএম says : 0
    এই যুদ্ধ না থামলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ আসন্ন। তখন বিশ্বের কেউ নিরাপদে থাকবেনা পাকিস্তান, ভারত, বাংলাদেশ ভয়াবহ বিপদের সম্মুখীন হবে। যুদ্ধের খেলা না দেখে এই যুদ্ধ বন্ধের জরুরি উদ্যোগ নেয়া উচিত বিশ্ববাসীর, নইলে বিশ্ববাসী এমন এক ভয়ংকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হবে যা কেউ কল্পনাও করেনি। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হলে দুনিয়াটাই ধ্বংস হয়ে যাবে।
    Total Reply(0) Reply
  • Ahammad Hossain ৮ মে, ২০২২, ৪:৩২ এএম says : 0
    রাশিয়া বিদ্যুৎগতির অস্ত্র ব্যাবহার করে খব কম সময়ে যুদ্ধ জয় করতে পারে কিন্তু এতে ইউক্রেন পুরো ধ্বংস এবং মৃত্যুপুরীতে পরিনত হবে
    Total Reply(0) Reply
  • Anayat Hossain ৮ মে, ২০২২, ৪:৩২ এএম says : 0
    আমরিকা তাদের অস্র ব্যাবসার জন্য ইউক্রেনকে ব্যাবহার করছে৷
    Total Reply(0) Reply
  • Gulam Rabbani ৯ মে, ২০২২, ১০:১৪ পিএম says : 0
    no war
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ইউক্রেনে রাশিয়ার


আরও
আরও পড়ুন