Inqilab Logo

রোববার, ১৪ আগস্ট ২০২২, ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯, ১৫ মুহাররম ১৪৪৪
শিরোনাম

৩৯০ কোটি টাকার দুর্নীতি

তিন বিদ্যুৎ প্রকল্পে ভূমি ক্রয়-ক্ষতিপূরণ টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ : দুর্নীতি বন্ধে ৭ দফা সুপারিশ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে মানা হয়নি পরিবেশ আইন : কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয়

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১২ মে, ২০২২, ১২:০০ এএম

দেশের কয়লাভিত্তিক তিন বিদ্যুৎ প্রকল্পে শুধু ভূমি ক্রয়, অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানে মোট ৩৯০ কোটি ৪৯ লাখ টাকার দুর্নীতি হয়েছে। এর মধ্যে বরিশাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুর্নীতির পরিমাণ ১৫ কোটি ৫৯ লাখ ৯০ হাজার, বাঁশখালী এসএস বিদ্যুৎকেন্দ্রে ২৫৫ কোটি ও মাতারবাড়ী এলএনজি বিদ্যুৎকেন্দ্রে আত্মসাৎ হয়েছে ১১৯ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। দুর্নীতিবিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) এক গবেষণায় এ চিত্র উঠে এসেছে। জ্বালানি খাতের নীতিনির্ধারক এবং মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগসাজশে যথাযথ বিশ্লেষণ না করে প্রভাবশালীদের স্বার্থে কয়লা ও এলএনজি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। সংস্থাটি দুর্নীতি বন্ধে ৭ দফা সুপারিশ করে।

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবি জানিয়েছে, ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত সময়ের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে গবেষণাপত্র তৈরি করা হয়েছে।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, প্রভাবশালী মহলকে অনৈতিক সুবিধা প্রদানে প্রকল্প অনুমোদন, বিবিধ চুক্তি সম্পাদন, ইপিসি ঠিকাদার নিয়োগ, বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ এবং বিদ্যুৎ ক্রয়ে প্রতিযোগিতাভিত্তিক পদ্ধতি ব্যবহার না করে বিশেষ বিধানের আওতায় চুক্তি ও কার্যক্রম সম্পাদন করা হয়েছে। কয়লা ও এলএনজিভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবকে গুরুত্ব দেয়া হয়নি।

গবেষণায় দেখা গেছে, পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে (ভারত, চীন, পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া) নির্মিত কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদিত প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম বাংলাদেশি টাকায় ৩.৪৬ থেকে ৫.১৫ মধ্যে থাকলেও নির্বাচিত প্রকল্পে বেশি মূল্যে বিদ্যুৎ ক্রয়ের সুযোগ রেখে প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তুলনামূলকভাবে বাংলাদেশে বিদ্যুতের দাম ২২ থেকে ৪৯ শতাংশ বেশি দাম পড়বে। গতকাল বুধবার ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) কর্তৃক আয়োজিত ‘বাংলাদেশে কয়লা ও এলএনজি বিদ্যুৎ প্রকল্প : সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গবেষণাপত্রে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। সংস্থাটির সিনিয়র রিসার্চ ফেলো মো. মাহফুজুল হক ও মো. নেওয়াজুল মওলা গবেষণাপত্রটি উপস্থাপন করেন।

টিআইবি’র গবেষণায় বলা হয়েছে, সার্বিকভাবে জ্বালানি খাতের উন্নয়নে দাতানির্ভর নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। একদিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে সরকারের উল্লেখযোগ্য কোনো পদক্ষেপ নেই; অন্যদিকে জীবাশ্ম জ্বালানি প্রকল্পে অধিক দুর্নীতি এবং দ্রুত মুনাফা তুলে নেয়ার সুযোগ থাকায় প্রয়োজন না থাকলেও কয়লা এবং এলএনজিভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, গবেষণায় আমরা দেখতে পেয়েছি পরিবেশ আইন লংঘন করে এবং পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব সমীক্ষা ছাড়াই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে পরিবেশ দূষণ ও সঙ্কটাপন্ন এলাকাসমূহে ঝুঁকি বৃদ্ধি পেলেও পরিবেশ অধিদপ্তর বিদ্যমান আইন ও বিধি কার্যকরভাবে প্রয়োগে ব্যর্থ। বন, নদী, খাস জমিসহ প্রাকৃতিক সম্পদের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতিসাধন হবে।
প্রকল্প বাস্তবায়নে নানাবিধ অনিয়ম ও দুর্নীতি এবং পুলিশের গুলিতে আন্দোলকারীদের মৃত্যু; মানবাধিকার লঙ্ঘিত হলেও বিচার না হওয়াসহ অপরাধীদের দায়মুক্তি দেয়া হয়েছে, যা খাতসংশ্লিষ্ট প্রভাবশালীদের অনিয়ম ও দুর্নীতিতে আরো উৎসাহিত করছে বলে মনে করি।

গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, কয়লা ও এলএনজিভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়নে নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতা (ক্রিটিক্যাল, সুপার ক্রিটিক্যাল, আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি) না থাকায় আমদানিনির্ভর প্রযুক্তি দিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রে চীন ও জাপানের পুরাতন এবং ব্রাউন ফিল্ড বয়লারগুলোকে গ্রিন নামে চালিয়ে দেয়ার অভিযোগও উঠেছে।

টিআইবির গবেষণাপত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে বলা হয়েছে, জ্বালানি সরবরাহ চুক্তি না করেই প্রতি টন কয়লার প্রাথমিক দাম ১২০ ডলার হিসাব করে বিদ্যুতের মূল্য নির্ধারণ করায় দুর্নীতির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। উৎপাদন শুরুর পর প্রকল্প ব্যয়সহ জ্বালানি মূল্য, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ের ওপর নির্ভর করে দাম ইচ্ছামাফিক বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। ফলে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের দাম ২ থেকে ৩ গুণ বেশি পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
প্রভাবশালী বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে (ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার-আইপিপি) সরাসরি জ্বালানি আমদানির সুযোগ প্রদানে অনৈতিক চাপ প্রয়োগ ও আইন পরিবর্তন করে রাষ্ট্রীয় জ্বালানি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের ক্ষমতা রহিতকরণ হয়েছে। এর ফলে জ্বালানির দাম ক্রয় মূল্যের চেয়ে অধিক দেখানোর সম্ভাবনা এবং অর্থপাচারের ঝুঁকি রয়েছে।

গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রতি মেগাওয়াটের জন্য নির্মাণ ব্যয় সরকারি প্রাক্কলন অনুযায়ী ৭ থেকে ৮ কোটি টাকা হলেও বরিশাল প্রকল্পে ১৩.৭৫ কোটি টাকা এবং বাঁশখালীতে ১৬.৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অনুমোদন; অতিরিক্ত টাকা সংশ্লিষ্টদের কমিশন হিসেবে গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে (ভারত, চীন,পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া) নির্মিত কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদিত প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩.৪৬ থেকে ৫.১৫ টাকা পড়লেও নির্বাচিত প্রকল্পে বেশি মূল্যে বিদ্যুৎ ক্রয়ের সুযোগ রেখে প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তুলনামূলকভাবে বাংলাদেশে বিদ্যুতের দাম ২২ থেকে ৪৯ শতাংশ বেশি দাম পড়বে।

জমি ক্রয় ও অধিগ্রহণে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে সংস্থাটির গবেষণায় দেখা গেছে, পার্শ্ববর্তী দেশে নির্মিত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রতি মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে গড়ে ০.২৩ একর এবং এলএনজিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ০.০৫৩ একর জমি প্রয়োজন। কিন্তু গবেষণার আওতাভুক্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রে মোট ৯৪২ একর অতিরিক্ত জমি ক্রয় বা অধিগ্রহণ করা হয়েছে। গবেষণার আওতাভুক্ত ৩টি বিদ্যুৎ প্রকল্পে শুধুমাত্র ভূমি ক্রয়, অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানে মোট ৩৯০ কোটি ৪৯ লাখ টাকার দুর্নীতি হয়েছে। এর মধ্যে বরিশাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুর্নীতির পরিমাণ ১৫ কোটি ৫৯ লাখ ৯০ হাজার, বাঁশখালী এসএস বিদ্যুৎকেন্দ্রে ২৫৫ কোটি ও মাতারবাড়ী এলএনজি বিদ্যুৎকেন্দ্রে আত্মসাৎ হয়েছে ১১৯ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। আত্মসাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত শ্রেণি হিসেবে যাদের চিহ্নিত করা হয়েছে তারা হলেনÑ বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এনজিওকর্মী, ভূমি অধিগ্রহণ শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশ ও মধ্যস্বত্বভোগী।

গবেষণা অনুসারে আত্মসাতের বর্ণনায় বলা হয়েছে, ইজারাকৃত জমি ব্যবহারকারীদের ক্ষতিপূরণ বাবদ বরিশাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে অর্থ আত্মসাৎ ২ কোটি ২৯ লাখ টাকা। আর ক্ষতিপূরণের অর্থ থেকে কমিশন আদায় হয়েছে ৪৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যা বাঁশখালী এসএস বিদ্যুৎকেন্দ্রে ৫৫ কোটি টাকা। ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি জবরদখল এবং অর্থ প্রদান না করা ২ কোটি ৪১ লাখ টাকা আদায় হয়েছে বরিশাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে। একই বিদ্যুৎকেন্দ্রে খাস জমির জাল দলিল তৈরি করে তা বিক্রয় বাবদ অর্থ গ্রহণ করা হয়েছে ১০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।
অন্যদিকে বাঁশখালী বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যক্তিগত জমি ক্রয় ও অধিগ্রহণ বাবদ মূল্য প্রদানে কমিশন আদায় হয়েছে ২০০ কোটি টাকা। আর মাতারবাড়ী এলএনজি বিদ্যুৎকেন্দ্রে ৮২ কোটি ৫ লাখ টাকা ও একই বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যক্তিগত জমির ক্ষতিপূরণের এককালীন অনুদানের টাকা আত্মসাৎ হয়েছে ৩৩ কোটি ও ব্যক্তিগত জমির ক্ষতিপূরণ থেকে এককালীন ৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা কমিশন আদায় হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, সাময়িক সময়ের জন্য (রেন্টাল-কুইক রেন্টাল) দ্রুত বিদ্যুৎ উৎপাদনে ২০১০ সালে ৪ বছর মেয়াদে বিশেষ বিধান আইনটি প্রণয়ন করা হলেও উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরও ৩ দফা মেয়াদ বৃদ্ধি করে ২০২৬ সাল পর্যন্ত আইনটি কার্যকর রাখা হয়েছে। এই আইনের আওতায় পরিবেশ বান্ধব এবং আর্থিকভাবে সাশ্রয়ী নয় এমন বড় ও দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পসমূহ অনুমোদন দেয়া হচ্ছে। অপরিকল্পিতভাবে রেন্টাল ও কুইক রেন্টালসহ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

টিআইবির সুপারিশ : ১. জ্বালানি খাতে স্বার্থের দ্বন্দ্ব সংশ্লিষ্টদের বাদ দিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তি ও অংশগ্রহণমূলক উপায়ে প্রস্তাবিত ইন্টিগ্রেটেড অ্যানার্জি অ্যান্ড পাওয়ার মাস্টার প্ল্যান (আইইপিএমপি) প্রণয়ন করতে হবে। একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপসহ প্রস্তাবিত আইইপিএমপিতে কৌশলগতভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে গুরুত্ব দিতে হবে। ২. বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০ বাতিল করতে হবে এবং ২০২২ সালের পর নতুন কোনো প্রকার জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর প্রকল্প অনুমোদন ও অর্থায়ন করার ঘোষণা দিতে হবে। ৩. জ্বালানি প্রকল্প অনুমোদন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন, ঋণের শর্ত নির্ধারণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা শুদ্ধাচার নিশ্চিত করতে হবে এবং এ সংক্রান্ত সব নথি প্রকাশ করতে হবে। ৪. জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশের ক্ষতিরোধে এবং জীবন-জীবিকা ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় চলমান ঝুঁকিপূর্ণ কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো স্থগিত করে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ কৌশলগত, সামাজিক ও পরিবেশগত সমীক্ষা সম্পাদন সাপেক্ষে অগ্রসর হতে হবে। ৫. আইএনডিসি’র অঙ্গীকার বাস্তবায়নে পরিকল্পনাধীন কয়লা ও এলএনজি বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য অধিগ্রহণ করা জমিতে সোলারসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। ৬. ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া, ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ ও বিতরণ এবং ক্রয় সংক্রান্ত কার্যক্রমে শুদ্ধাচার নিশ্চিত করতে হবে। ৭. প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন পর্যায়ে সংঘটিত দুর্নীতির তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: দুর্নীতি


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ