Inqilab Logo

মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই ২০২২, ২১ আষাঢ় ১৪২৯, ০৫ যিলহজ ১৪৪৩ হিজরী

আফ্রিকার প্রথম কোভিড টিকা উৎপাদন কারখানা বন্ধের মুখে

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৫ মে, ২০২২, ১২:০২ এএম

চালু রাখার মতো পর্যাপ্ত ক্রয়াদেশ পায়নি আফ্রিকার প্রথম কোভিড-১৯ টিকা উৎপাদনকারী কারখানা। এ অবস্থায় কয়েক সপ্তাহের মধ্যে কারখানাটি বন্ধ করে দেয়া হতে পারে। এটিকে টিকা সমতা অর্জনের প্রচেষ্টার ব্যর্থতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। খবর এপি। দক্ষিণ আফ্রিকার অ্যাসপেন ফার্মাকেয়ার জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি তার বড় আকারের জীবাণুমুক্ত উৎপাদন কারখানাটিকে বন্ধ রাখতে পারে না। পরিবর্তে কারখানাটিকে আগের মতো চেতনানাশক উৎপাদনে রূপান্তর করা হবে। মহামারীর শুরুতে প্রতিষ্ঠানটি কারখানাটিকে কোভিড-১৯ টিকা উৎপাদনে রূপান্তরিত করে এবং বার্ষিক ২০ কোটিরও বেশি একক ডোজের জনসন অ্যান্ড জনসন টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করে। অ্যাসপেন ফার্মাকেয়ারের কৌশলগত বাণিজ্য উন্নয়ন বিভাগের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী স্ট্যাভরস নিকোলাউ বলেন, কারখানাটি আফ্রিকা মহাদেশের জন্য একটি গেম চেঞ্জার হিসেবে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছিল। তবে সক্ষমতার সঙ্গে সংগতি রেখে ক্রয়াদেশ পাওয়া যায়নি। আসলে আমরা বড় বহুপক্ষীয় সংস্থার কাছ থেকে কোনো ক্রয়াদেশ পাইনি। তিনি আরো বলেন, দরিদ্র দেশগুলোয় টিকা সরবরাহের উদ্যোগ কোভ্যাক্স ২১০ কোটি ডোজ কোভিড টিকার ক্রয়াদেশ দিয়েছে। তবে একটিও অ্যাসপেন কিংবা অন্য কোনো আফ্রিকান টিকা নির্মাতাকে দেয়া হয়নি। এ অবস্থায় মূল্যবান জীবাণুমুক্ত উৎপাদন সক্ষমতা থাকা এবং এটি ব্যবহার না করা বড় অন্যায়। আমরা এটিকে নিষ্ক্রিয় রাখতে পারি না। এজন্য কিছুদিনের মধ্যে টিকার বড় ক্রয়াদেশ না পেলে আমাদের পুনরায় চেতনানাশক উৎপাদনে ফিরে যেতে হবে। ডব্লিউএইচওর আফ্রিকার জরুরি বিভাগের প্রধান বলেন, এটি একটি ব্যর্থতা হতে পারে। তবে আমরা এটি থেকে শিখব। দ্রুত ক্রয়াদেশের ব্যবস্থা করে কারখানাটিকে চালু রাখা যেতে পারে। এটি দুর্ভাগ্যজনক যে, কারখানাটি পর্যাপ্ত ক্রয়াদেশ পায়নি। এপি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ডব্লিউএইচও

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

আরও
আরও পড়ুন