Inqilab Logo

বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ১৫ আষাঢ় ১৪২৯, ২৮ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী

বছর না যেতেই ভেঙে ফেলা হলো উপহারের ঘর

মানবেতর জীবনযাপন বাসিন্দাদের

টাঙ্গাইল জেলা সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ১৭ মে, ২০২২, ১২:০১ এএম

বছর না যেতেই ভেঙে ফেলা হয়েছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার গৌরিশ্বর এলাকায় মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার আশ্রয়ণ প্রকল্পের তিনটি ঘর। বড় বড় ফাটল, জীর্ণ দশা আর বসবাসের অযোগ্য হওয়ায় কয়েকদিন আগে ভেঙে ফেলা হয় ঘরগুলো। পুনরায় ঘরগুলো নির্মাণের আশ্বাস দেয়া হয়েছে বাসিন্দাদের। ঝড় ও রোদ-বৃষ্টির মধ্যে ভেঙে ফেলা ঘরের বাসিন্দারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এছাড়াও ওই আশ্রয় কেন্দ্রের অন্যান্য ঘরগুলোতেও রয়েছে ফাটল। খসে পড়ছে পলেস্তার। আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের। নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও নানা অনিয়মের কারণে ঘরগুলোর এমন অবস্থা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ।

সরেজমিনে জানা যায়, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে ২৭৬ টি ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়। এর মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে গৌরিশ্বর এলাকায় ভূমিহীনদের মাঝে বরাদ্দ দেয়া হয় ৪৪ টি ঘর। কিছুদিন না যেতেই ঘরগুলোতে দেখা দেয় ফাটল। অভিযোগ উঠে নির্মাণ কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের।
গৌরিশ্বর আশ্রয়কেন্দ্রের বাসিন্দা মাজেদা বেগমের জানান, মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে অনেক খুশি হয়েছিলাম। কয়দিন পরেই বড় বড় ফাটল দেখা দেয়। খসে খসে পড়ে পলেস্তার। নতুন করে ঘর তৈরি করে দিবে বলে ঘর ভেঙে ফেলা হয়েছে। ঠিকমতো লোক কাজ করতে আসেনা। ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে গাছের তলায় ছাপড়া তুলে রইছি। খুব কষ্ট হইতাছে।
খুকি বেগম বলেন, আমার ঘরে বড় বড় ফাটল। আতঙ্কে রয়েছি।
অফিসার আইসা খুব রাগারাগি করলো। কাউকে যেন কিছু না বলি। ঝড়ের সময় দেয়াল ভেঙে পড়লে বাঁচমুনাতো।
এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল বলেন, মাটির কারনে কয়েকটি ঘরে সমস্যা থাকায় তা ভেঙে পুনঃনির্মাণ করা হবে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ