Inqilab Logo

মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ১৪ আষাঢ় ১৪২৯, ২৭ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী

বড় বোনকে আটকে রেখে তরুণীকে গণধর্ষণ

শেরপুর জেলা সংবাদদাতা : | প্রকাশের সময় : ১৮ মে, ২০২২, ১২:০০ এএম

 শেরপুরে এক তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত সোমবার বিকেলে সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের লছমনপুর নয়াপাড়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। গতকাল মঙ্গলবার ভোররাতে ওই ঘটনায় জড়িত হাফিজুর রহমান মন্টু নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অপর ধর্ষক একই গ্রামের আলম মিয়া ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়ে-েছ। এদিকে গতকাল দুপুরে গ্রেফতারকৃত মন্টুকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। একইসাথে জেলা সদর হাসপাতালে ধর্ষিতা তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষা ও আদালতে জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে।

জানা যায়, ওই তরুণী গত ৩ দিন আগে গাজীপুর থেকে শেরপুর শহরের চকপাঠক মহল্লার তার বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে আসে। গত সোমবার বিকেলের দিকে ওই তরুণী তার বড় বোনের সাথে সদর উপজেলার লছমনপুর নয়াপাড়া যাওয়ার পথে ওই এলাকার হাফিজুর রহমান মন্টু ও আলম মিয়া তাদের ২ বোনকে জোরপূর্বক ধরে পার্শ্ববর্তী একটি লেবু বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে কৌশলে বড় বোনকে পাশে আটকে রেখে ওই তরুণীকে পালাক্রমে ধর্ষণের পর তাদের সেখানে রেখে পালিয়ে যায় মন্টু ও আলম। পরে ধর্ষণের শিকার তরুণীকে সাথে নিয়ে তার বোন ওইদিন রাতেই মন্টু ও আলমের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনসুর আহম্মেদের নেতৃত্বে সদর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক সারোয়ার হোসেন, এসআই খোকন চন্দ্র সরকার, এসআই রুবেল মিয়া, এসআই সুমন মিয়া, এসআই সুরেশ রাজবংশী সঙ্গীয় ফোর্সসহ একদল পুলিশ গতকাল মঙ্গলবার ভোররাতে লছমনপুর নয়াপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান মন্টুকে গ্রেফতার করেন। অপর অভিযুক্তকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

 



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ