Inqilab Logo

রোববার, ২৬ জুন ২০২২, ১২ আষাঢ় ১৪২৯, ২৫ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

দূষণে বছরে মারা যাচ্ছে ৯০ লাখ মানুষ : গবেষণা

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৮ মে, ২০২২, ৫:০৫ পিএম

বিশ্বে নানা রকম দূষণে প্রতি বছর প্রায় ৯০ লাখ মানুষ মারা যান। নতুন এক গবেষণায় ভয়াবহ এ তথ্য উঠে এসেছে। এতে দেখা গেছে ২০০০ সালের তুলনায় এখন গাড়ি, ট্রাক ও শিল্প থেকে বায়ু দূষণের মাত্রা ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
২০১৯ সালে শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই দূষণের কারণে ১ লাখ ৪৩ হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। তবে দূষণে প্রাণ হারানো দেশগুলোর তালিকায় প্রথম ১০ দেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রই একমাত্র শিল্পোন্নত দেশ। ৭ম স্থানে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের আগের স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ এবং পরে রয়েছে ইথিওপিয়া। ল্যানসেট জার্নালে ওই গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছে আরব নিউজ।
খবরে জানানো হয়েছে, দূষণে সবথেকে বেশি মানুষের মৃত্যু হয় ভারত ও চীনে। দুই দেশে বছরে ২৪ লাখ মানুষ নানা রকম পরিবেশ দূষণে প্রাণ হারান। যদিও এই দুই দেশে প্রায় ২৭০ কোটি মানুষ বসবাস করেন। জনসংখ্যার তুলনায় দূষণে মৃত্যুর তুলনা করলে দেখা যায় যুক্তরাষ্ট্র তালিকার ৩১তম অবস্থানে রয়েছে
সেখানে প্রতি ১ লাখ জনে ৪৩.৬ জনের মৃত্যু হয় দূষণে। এতে সবার আগে রয়েছে আফ্রিকার দেশ চাদ এবং সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক। এই দেশ দুটিতে দূষণে প্রতি এক লাখ জনে ৩০০ জনের মৃত্যু হয়। এসব দেশে পানি দূষণ অত্যন্ত ভয়াবহ আকারে রয়েছে বলে গবেষণায় জানা গেছে।
দূষণে সবথেকে কম মানুষ মারা যায় কাতার ও আইসল্যান্ডে। এখানে প্রতি ১ লাখ জনে ১৫ ও ২৩ জনের মৃত্যু হয় দূষণে। বৈশ্বিক হিসেবে প্রতি এক লাখে ১১৭ জনের মৃত্যুর কারণ বিভিন্ন ধরনের দূষণ। ধূমপানের কারণে বিশ্বে যত মানুষ প্রাণ হারান, দূষণের কারণেও একই সংখ্যক মানুষ প্রাণ হারান। এ নিয়ে গ্লোবাল পাবলিক হেলথ প্রোগ্রাম এন্ড গ্লোবাল পলুশন অবজার্ভেটরির পরিচালক ফিলিপ ল্যান্ড্রিগান বলেন, ৯০ লাখ মানুষের মৃত্যু আসলে অনেক বড় বিষয়। খারাপ খবর হচ্ছে, মৃত্যুর এ হার কিন্তু কমছে না। আমরা যতই বিভিন্ন দিকে সফলতা অর্জন করি, অন্য কোনো দিকে অবস্থা তত খারাপ হয়। বায়ু দূষণ এখনও বেড়েই চলেছে। সূত্র : আরব নিউজ



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: গবেষণা

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

আরও
আরও পড়ুন