Inqilab Logo

রোববার, ২৬ জুন ২০২২, ১২ আষাঢ় ১৪২৯, ২৫ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী

পাকিস্তানে সামরিক ‘আউটপোস্ট’ বানাতে চায় চীন

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২২ মে, ২০২২, ৭:২৫ পিএম

বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (বিআরআই) অধীনে করাচি, বেলুচিস্তান এবং গিলগিট-বালতিস্তানে চায়না-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর (সিপিইসি) প্রকল্পে কাজ করছেন হাজার হাজার চীনা নাগরিক। তাদের জন্য সামরিক আউটপোস্ট নির্মাণের অনুমতি দেয়ার জন্য পাকিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে চীন। এমন রিপোর্ট করা হয়েছে ভারতীয় মিডিয়া উইওয়ানে।
সম্প্রতি পাকিস্তানে চীনা নাগরিকদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েক দফা সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে এমন চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। সম্প্রতি করাচি ইউনিভার্সিটি চত্বরে বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মির (বিএলএ) আত্মঘাতী এক নারী চীনা শিক্ষকদের বহনকারী মাইক্রোবাসে বোমা হামলা চালায়। এতে চীনা তিনজন নাগরিক ও তাদের পাকিস্তানি চালক নিহত হন।
নিউজ ১৮-এর ইসলামাবাদের সূত্র উল্লেখ করে খবর দিয়েছে যে, দীর্ঘদিন নিজের নাগরিকদের নিরাপত্তা দাবি জানিয়ে আসছে চীন। তারা এমন সব স্থানের সন্ধান করছে, যেসব স্থান শীতল যুদ্ধের সময় ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ব্যবহার করেছিল বা তাদের প্রভাব ছিল।
ওই সূত্রগুলো আরও বলেছেন, সিপিইসি প্রকল্পে যেসব ঋণ দিয়েছে চীন, তাতে শিথিলতা দেয়ার প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে পাকিস্তানকে রাজি করানোর চেষ্টা করছে চীন। সিপিইসি প্রকল্পের যে ঋণ তা অর্থনৈতিক সংকটের কারণে দীর্ঘদিন শোধ করতে পারছে না ইসলামাবাদ। সব পরিবেশে পাকিস্তানের মিত্র চীন
কিন্তু সেই পাকিস্তানে চীন ক্রমশ বাধার মুখোমুখি হচ্ছে। বিশেষ করে প্রতিকূল বেলুচিস্তানে বিএলএ’র বাধার মুখোমুখি হয়েছে তারা।
বেলুচিস্তান হলো ইরান ও আফগানিস্তান সীমান্ত সংলগ্ন। দীর্ঘদিন সেখানে বিদ্রোহ সহিংস আকার ধারণ করেছে। এর আগে বেলুচ বিদ্রোহী গ্রুপগুলো বেশকিছু হামলা করেছে। তাতে তারা টার্গেট করেছে ৬০০০ কোটি ডলারের চায়না-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর প্রকল্প। উচ্চাভিলাষী ৬০০০ কোটি ডলারের সিপিইসি হলো ৩০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ অবকাঠামো বিষয়ক রুট। এই রুটটি চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সিনজিয়াং উইঘুর অটোনোমাস রিজিয়ন এবং পাকিস্তানের পশ্চিমাঞ্চলে বেলুচিস্তান প্রদেশের গোয়েদার বন্দরকে সংযুক্ত করেছে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: চীন


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ