Inqilab Logo

রোববার, ২৬ জুন ২০২২, ১২ আষাঢ় ১৪২৯, ২৫ যিলক্বদ ১৪৪৩ হিজরী
শিরোনাম

দেবিদ্বারে আলোচিত ফাহিমা হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল, ৫ আসামি অভিযুক্ত

বাবাকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলায় শিশু খুন

দেবিদ্বার (কুমিল্লা) উপজেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২৩ মে, ২০২২, ৯:০২ পিএম

কুমিল্লার দেবিদ্বারে আলোচিত ফাহিমা আক্তার হত্যাকান্ডে পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন পুলিশ। সোমবার কুমিল্লা জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন বলে নিশ্চিত করেছেন থানার ওসি আরিফুর রহমান ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাজমুল হাসান।

জানা যায়, বাবাকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলায় পাঁচ বছরের শিশু ফাহিমাকে গলায় ছুরি চালিয়ে হত্যা করে ফাহিমার বাবাসহ পাঁচ আসামি। আসামিরা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। অভিযোগপত্রে সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করা হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন, ঘাতক বাবা আমির হোসেন (২৫), রবিউল আউয়াল (১৯), রেজাউল ইসলাম ইমন (২২), লাইলি আক্তার (৩০) ও সোহেল রানা (২৭)।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, গত বছরের ৭ নভেম্বর বিকেলে কুমিল্লার দেবিদ্বারে শিশু ফাহিমা আক্তার নিখোঁজ হয়। পরে এ বিষয়ে শিশু ফাহিমার বাবা আমির হোসেন দেবিদ্বার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। নিখোঁজের পর শিশু ফাহিমার বাবা আমির হোসেন ৭ ও ৮ নভেম্বর আশ-পাশের বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করেন। এমনকি গত ৮ নভেম্বর ঝাড়-ফুঁক দিয়ে মেয়েকে খোঁজার জন্য একজন কবিরাজকেও খবর দেয়। পরে গত ১৪ নভেম্বর উপজেলার এলাহাবাদ ইউনিয়নের কাচিসাইর জনৈক নজরুল মাস্টারের বাড়ির সামনে কালভার্টের নিচে সরকারি খালের ডোবা থেকে নিহত ফাহিমার বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ পরিপ্রেক্ষিতে আমির হোসেন মরদেহটি তাঁর মেয়ে ফাহিমা আক্তারের বলে শনাক্ত করেন।
এই বিষয়ে শিশু ফাহিমার বাবা ঘাতক আমির হোসেন বাদী হয়ে দেবিদ্বার থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১১ এর অভিযানে দেবিদ্বার ও রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা হতে ভিকটিমের বাবাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। র‌্যাব ও পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা এই নির্মম হত্যাকান্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি স্বীকার করে।

দেবিদ্বার থানার ওসি আরিফুর রহমান দৈনিক ইনকিলাবকে জানান, ‘দেবিদ্বারে আলোচিত শিশু ফাহিমা হত্যাকান্ডে জড়িত ৫ আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। ৫ আসামির মধ্যে একজন ছাড়া বাকি চারজন হত্যাকান্ডে সরাসরি জড়িত হওয়ার কথা আদালতে স্বীকার করেছেন।’



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ