Inqilab Logo

শুক্রবার, ০১ জুলাই ২০২২, ১৭ আষাঢ় ১৪২৯, ০১ যিলহজ ১৪৪৩ হিজরী

চালাকি করে ধরা খেলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১৮ জুন, ২০২২, ৩:০৪ পিএম

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন শুক্রবার আচমকা কিয়েভ সফর করেন। গত দু’মাসের মধ্যে কিয়েভে এটি তার দ্বিতীয় সফর। তবে এ সফর নিয়ে নিজের দলের ভেতরেই সমলোচিত হচ্ছেন তিনি।

শুক্রবার ডনকাস্টারে একটি দলীয় সম্মেলনে যোগদানের কথা ছিল জনসনের। শেষ মূহুর্তে তিনি সেই সম্মেলন যোগ না দিয়ে আচমকা কিয়েভ সফরে যান। আয়োজকদের প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে মধ্যাহ্ন পর্যন্ত বলা হয়েছিল যে, প্রধানমন্ত্রী কর্মীদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন বলে আশা করছেন। কিন্তু বিকেলে হঠাৎ জানা গেল তিনি আসলে ইউক্রেনে রয়েছেন।

সম্মেলনে তার দলের কয়েক ডজন এমপি উপস্থিত ছিলেন। যারা জনসনের এমন হঠকারী আচরণে হতাশা প্রকাশ করেছেন। একটি সরকারী সূত্র জানিয়েছে যে, জনসন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে শুক্রবারের বৈঠকটি এক সপ্তাহ আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল। ‘এটি কোনও অজুহাত নয় - তিনি যে কোনও সময় সেখানে যেতে পারতেন,’ একজন এমপি বলেছেন, যিনি যোগ করেছেন, ‘এমনকি এখানে তার সবচেয়ে অনুগত সমর্থকরাও বেশ বিরক্ত।’

আরেকজন বলেছেন, ‘এতে আমাদের কোনো ক্ষতি নেই কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর উচিত সেই সব লোকদের সমর্থন ও সম্মান করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা, যারা তার ভবিষ্যত নিজেদের হাতে ধরে রেখেছেন। তারা যোগ করেছে যে, টম তুগেনধাতের জন্য এটি ‘খুব ভাল’ ছিল, যাকে জনসন না আসার কারণে তার জায়গায় বসানো হয়েছিল এবং তিনি পরবর্তী রক্ষণশীল নেতা হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

নর্দার্ন রিসার্চ গ্রুপের কনফারেন্সের আরেকটি উৎস এটিকে ‘ভয়াবহ, সত্যিই দুর্বল রাজনীতি’ বলে অভিহিত করেছে, যা দেখে মনে হচ্ছে জনসন ‘তার এমপিদের কাছ থেকে পালিয়ে যাচ্ছেন’। কারণ মাত্র এক সপ্তাহ আগেই তার দলের এমপিদের মধ্যে ৪১ শতাংশ ঘোষণা করেছে যে, জনসনের প্রতি তাদের আস্থা নেই। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ