Inqilab Logo

মঙ্গলবার, ০৯ আগস্ট ২০২২, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯, ১০ মুহাররম ১৪৪৪ হিজরী

নগরকান্দায় রাস্তার মাটি বিক্রি ৩০ পরিবার অবরুদ্ধ

ফরিদপুর জেলা সংবাদদাতা | প্রকাশের সময় : ২৯ জুন, ২০২২, ১২:০২ এএম

ফরিদপুরের নগরকান্দায় প্রায় পঁচিশ বছরের পুরোনো একটি সড়কের মাটি বিক্রি করায় জনচলাচলের ঐ রাস্তাটি এখন খালে পরিনত হয়েছে। এতে ৩০ পরিবার অবরুদ্ধ হয়ে পড়ছে। স্থানীয়দের চলাচলের এই পুরোনো সড়কটি কেটে ফেলায় দুর্ভোগে পড়েছে সেখানকার প্রায় ত্রিশ পরিবারসহ শত শত গ্রামবাসী।
জানা যায়, উপজেলার ডাংগী ইউনিয়নের আটাইল গ্রামের মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে সিরাজ মিয়া (৫৫) সম্প্রতি ভেকু মেশিন ব্যবহার করে স্থানীয়দের চলাচলের একটি সড়কের মাটি বিক্রি করে দেয়। এতে পথ বন্ধ হওয়ায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এলাকাবাসীর মাঝে।
স্থানীয়রা জানান, পুরোনো এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন এই এলাকার শিশুরা স্কুলে যাতায়াত করে ও স্থানীয়রা হাটবাজারে কৃষিপন্য আনা নেয়া করে। এছাড়া এখানকার প্রায় ত্রিশটি পরিবারের লোকজন এ পথ দিয়ে চলাচল করে।
ভুক্তভোগী বাসিন্দা আলমাস মিয়া (৫৫) জানান, গত ২৫-৩০ বছর পুর্বে সম্মিলিতভাবে আমরা এই সড়কটি নির্মাণ করি। প্রায় ত্রিশটি বাড়ির লোকজন ও আমাদের আত্মীয় স্বজনেরা এই পথ দিয়ে চলাচল করে। হটাৎ করে সিরাজ মিয়া আমাদের হাঁটাচলার রাস্তাটি কেটে ফেলায় আমরা এখন কঠিন বিপদের মধ্যে পড়েছি। আমরা এর সুষ্ঠ সমাধান চাই। স্থানীয় বাসিন্দা মাহমুদ মিয়া বলেন, মানুষের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করা কোনো ভালো কাজ নয়। সড়কটি কেটে ফেলার কারণে এখানকার মানুষ বিপদে পড়েছে। কিছুদিন পর বন্যায় এই জায়গায় কোমর সমান পানি হবে তখন বিপদ আরো বাড়বে।
পার্শ্ববর্তী জমির মালিক এরোন মোল্লা (৪৯) বলেন, মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে আমি আমার জমির কিছু অংশ ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু সিরাজ মিয়া হটাৎ করে আমার জমিসহ রাস্তার মাটি বিক্রি করে দিয়েছে। এটি কোনো ভালো মানুষের কাজ নয়। আমি এর তিব্র নিন্দা জানাই। এ ব্যাপারে সিরাজ মিয়া বলেন, আমার জায়গার মাটি আমি কেটেছি তাতে সমস্যা কোথায়? বরং আমার পুকুরে মাছ চাষের সুবিধার্থে রাস্তা নির্মাণ করেছিলাম, এখন প্রয়োজন নাই তাই কেটে দিয়েছি।
ডাংগী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজী আবুল কালাম বলেন, স্থানীয় কয়েকজন আমাকে বিষয়টি জানিয়েছে। আমি এ বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছি। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাদের চলাচলের জন্য সুব্যবস্থা করে দিবো ইনশাআল্লাহ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) এন এম আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে স্থানীয় চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিষয়টি খোঁজ খবর নিয়ে সমাধান করা হবে।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ