Inqilab Logo

রোববার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৩, ১৫ মাঘ ১৪২৯, ০৬ রজব ১৪৪৪ হিজিরী
শিরোনাম

বজ্রপাতে ১০ মার্কিন সেনা হতাহত, দাবদাহে ১ কোটি মানুষ

যুক্তরাষ্ট্রের ১২ রাজ্যে দাবানল

ইনকিলাব ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ২২ জুলাই, ২০২২, ১২:০১ এএম

যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় এক সেনাঘাঁটিতে বজ্রপাতে এক সেনার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৯ জন। তারা সবাই হাসপাতালে ভর্তি। বুধবার জর্জিয়া স্টেটের অগাস্টা শহরে ফোর্ট গর্ডন এলাকার সেনাঘাঁটিতে এ ঘটনা ঘটে। মার্কিন সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জর্জিয়ায় বহুদিন ধরে ওই সেনাঘাঁটি আছে। বুধবার সেখানে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। সঙ্গে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছিল। আচমকাই বজ্রপাত পড়ে সেনাঘাঁটির ভেতরে। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় এক সেনা কর্মকর্তার এবং আহত হন আরও ৯ জন। তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বুধবার স্থানীয় বেলা ১১টা নাগাদ এ ঘটনা ঘটেছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনী। অপরদিকে, ভয়াবহ দাবানলে জ্বলছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ১২টি অঙ্গরাজ্যের প্রায় ৩০ লাখ একর জায়গা পুড়ছে ৮৫টি দাবানলে। এক কোটিরও বেশি নাগারিক ‘সিদ্ধ’ হচ্ছেন তাপপ্রবাহে এবং তাপ সতর্কতার মধ্যে। আরও ১৪টি বড় দাবানলের খবর প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। টেক্সাসে সাতটি, আলাস্কায় দুটি, ওয়াশিংটনে দুটি, অ্যারিজোনা, আইডাহো এবং ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি। দেশটিতে বর্তমানে প্রায় ৬৮০০-এর বেশি বন্য এলাকা অগ্নি নির্বাপণকারীর সঙ্গে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে কাজ করছেন আগুন নিয়ন্ত্রণে। কিছু কিছু জায়গার তাপমাত্রা পৌঁছাতে পারে ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। কর্তৃপক্ষদের মতে, এমন রেকর্ডভাঙা গরম প্রবাহ করতে পারে পরের সপ্তাহ পর্যন্ত। অপরদিকে ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের রাজধানী বোস্টন থেকে পেনসিলভ্যানিয়ার ফিলাডেলফিয়ায় বুধবার তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ওয়েস্টার্ন সার্ভিস (এনডবিøউএস) রেড ফ্ল্যাগ জারি করেছে দাবানল সম্ভাব্য এলাকাগুলোতে। টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের উত্তর এবং মধ্যাঞ্চল, দক্ষিণপশ্চিম ওয়াইওমিং, পশ্চিম নেব্রাস্কা, মিসিসিপি ভ্যালির অন্তর্র্বতী। এপ্রিল থেকে প্রায় ৫০০টিরও বেশি দাবানলের শিকার হয়েছে আলাস্কা অঙ্গরাজ্য। জাতিসংঘ জানিয়েছে, চলতি ইউরোপের দাবানলের সংখ্যা বাড়তির মুখ দেখবে দিন দিন। ২০৬০ সাল পর্যন্ত আরও ঘনঘন দাবদাহের কবলে পড়বে বিশ্ব। বিশ্ব আবহাওয়া অধিদপ্তর (ডবিøউইএমও)-এর মতে, অতিমাত্রায় কার্বন নিরসনকারী দেশগুলোর জন্য সতর্কবার্তা হিসাবে কাজ করবে চলমান দাবদাহ। আবহাওয়া প্রশমন প্রচেষ্টার স্বতন্ত্র সাফল্য লাভ করলেও নিয়মিত দাবদাহ এবং এর নেতিবাচক প্রভাব চলবে অন্তত ২০৬০ সাল পর্যন্ত। ডবিøউইএমও প্রধান পেট্টেরি টালাস জেনেভায় অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা রেকর্ড ভাঙতে শুরু করেছি, ধন্যবাদ আবহাওয়া পরিবর্তনকে। ভবিষ্যতে আরও স্বাভাবিক হয়ে আসবে এমন দাবদাহ। তীব্র হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়বে প্রকোপ। তিনি আরও বলেন, নিরসন এখনো বেড়েই চলছে, তাই ২০৬০ সালে এর শেষ দেখা সম্ভব নাকি নিশ্চিত নয়। যদি কিনা নিরসন বৃদ্ধির বাঁক ঘুরিয়ে ফেলা হয়। রয়টার্স, সিএনএন, ওয়াশিংটন পোস্ট।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: দাবানল


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ