Inqilab Logo

মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১৯ আশ্বিন ১৪২৯, ০৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিজরী
শিরোনাম

জিম্বাবুয়ের কাছে সিরিজ হারে যেভাবে হতাশা প্রকাশ করলেন নেটিজেনরা

সোশ্যাল মিডিয়া ডেস্ক | প্রকাশের সময় : ১২ আগস্ট, ২০২২, ১২:৪৬ পিএম

টি-টোয়েন্টির পর জিম্বাবুয়ের কাছে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজও ২-১ ব্যবধানে হেরেছে সফরকারী বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশের হার অবাক করেছে টাইগার ভক্তদের। কারণ গত পাঁচটি ওয়ানডে সিরিজেই জয় আছে বাংলাদেশের। এর মধ্যে শ্রীলংকা, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেও সিরিজ জয় ছিলো টাইগারদের।

এছাড়া বিশ্বের বড় দলগুলোকে পেছনে ফেলে বিশ্বকাপ সুপার লিগের পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয়স্থানে আছে বাংলাদেশ। এ অবস্থায় আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ের ১৫তম দল জিম্বাবুয়ের কাছে হার অবাক হয়েছে সবাই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টাইগার নিয়ে অনেকেই হতাশা প্রকাশ করে পোস্ট দিয়েছেন।

এভাবে সিরিজ হারকে ব্যাখা করতে গিয়ে বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল জানিয়েছেন, এমন হারের কোনো অজুহাত হতে পারে না। জিম্বাবুয়ে আমাদের চেয়ে ভালো খেলেছে।

ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচই ৫ উইকেটে হারে বাংলাদেশ। আর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ১০৫ রানের বড় ব্যবধানে জিতে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে সক্ষম হয় টাইগাররা।

ফেসবুকে হাসিব রেজা নামে একজন লিখেছেন, ‘রায়ান বার্লদের জুতোর স্পন্সর থাকে না, খুঁজতে হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। ব্যাটে স্পন্সর থাকে না; স্টিকার ছাড়া ব্যাটেই ছক্কার ঝড় ওঠে। সঙ্গে দেশের ক্রিকেটীয় অবকাঠামোও নামেমাত্র, সেজন্য দলটাকে নিষেধাজ্ঞাও বরণ করতে হয়েছিল। এমনকি থাকে না ক্যারিয়ারের নিরাপত্তা, আজ আছে কাল নাই! সেই বার্লরা ক্রিকেট খেলেন, লড়াই করেন সবশেষে জেতেন। কেননা তারা ক্রিকেট ওউন করেন, ক্রিকেটকে লালন করেন, ধারণ করেন...
সিকান্দার রাজার মত জিম্বাবুয়ে প্লেয়াররা মাঠে নেমেও জান দিয়ে খেলেন। কারণ তারা ক্রিকেটটাই খেলেন, ক্রিকেটই তাদের নেশা-পেশা। রাজা-বার্লরা এই কারণেই জিতে যান...।’

সমালোচনা করে আশিক নামে অপর একজন পাঠক লিখেছেন, ‘তামিমকে ক্যাপ্টেন্সি থেকে সরিয়ে দেয়া উচিত। তামিমের অধিনে দল হিসেবে বাংলাদেশ খেলতে পারছে না। তামিম অন্য প্লেয়ারদের চাপের সময় চাঙ্গা রাখতে পারে না।
দেশের বাইরে শুধু সাউথ আফ্রিকার (ভাল দল) বিপক্ষে জিতেছে। তখন সাকিব ছিল,,,তামিম যখন স্লো ব্যাটিং করে সম্মানজনকভাবে হারার মত জায়গায় রেখে আসছিল, তখন সাকিব অ্যাটাকিং ব্যাটিং করে দলকে বড় সংগ্রহ এনে দিয়েছিল বলেই সাউথ আফ্রিকার সঙ্গে জয়ের মোমেন্টাম পেয়েছিল বাংলাদেশ। মনে রাখতে হবে সাকিব দলে নেই, দলে মাহমুদউল্লাহ আছে স্লো ব্যাট করার জন্য।’

সিদ্দিকুর রহমান লিখেছেন, ‘‘বাংলাদেশের সব ক্রিকেটাররাই তারা নিজেদের জন্য খেলে থাকে, তারা দলের জন্য খেলে না। তারা মনে করে খারাপ খেললেই দল থেকে ছিটকে পরব, সেকেন্ড ম্যাচে মাহমুদউল্লাহ আর শান্তর ব্যাটিংয়ে তাই ফুটে উঠেছে, যে সময় মুসফিক আউট হয়েছে তখনও দল ভালো অবস্থানে ছিল। ওই দুই ব্যাটার ম্যাচের বারোটা বাজিয়েছেন। এই ধরনের মানসিকতা থেকে ব্যাটাররা বের না হলে বাংলাদেশের আরও পিছিয়ে পড়াবে।’

মোঃ নাইম হাসান হতাশা প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘‘তারা সারা জীবন খেলতে পারবে কিন্তু একটা শিরোপা আনতে পারবে না!!খেলাত হরতেই পারে কিন্তু দেখেন এত এত টাকা খরচ করে কি পেল বিসিবি,, দেখেন বাংলাদেশ ১৯ দল একটা শিরোপা এনে দিছে আর ন্যশনাল দল কি পারছে,,,যাইহোক এশিয়া কাপের জন্য শুভকামনা রইলো।’



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: সোশ্যাল মিডিয়া


আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ