Inqilab Logo

রোববার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০ আশ্বিন ১৪২৯, ২৮ সফর ১৪৪৪

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘একাডেমিক জীবনে বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক একক বক্তৃতা

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ১৯ আগস্ট, ২০২২, ১২:০৫ এএম

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গীভূত বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশ গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে ‘একাডেমিক জীবনে বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক একক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার ধানমণ্ডিতে ইনস্টিটিউট কার্যালয়ে এই একক বক্তৃতানুষ্ঠান আয়োজিত হয়। এতে বক্তা হিসেবে একক বক্তৃতা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সাবেক প্রফেসর ও চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু প্রফেসর ড. মুনতাসীর মামুন। বক্তৃতানুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান।
সভাপতির বক্তব্যে ভিসি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখালেখি কম হয়েছে এটি নিঃসন্দেহে সত্য। কিন্তু যেসব পণ্ডিত ব্যক্তিরা সমৃদ্ধ লেখা লিখেছেন তারা অনেকেই নেই। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে। তারপরে তাঁকে আরেকবার হত্যা করা হয়েছে যখন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশ গবেষণা ইনস্টিটিউট বন্ধ করা হয়েছে। এটি আমাদের জন্য লজ্জার। যেই বঙ্গবন্ধুর নামে মুক্তিযুদ্ধ এবং বাংলাদেশ- সেটি নিয়ে যখন একটি ইনস্টিটিউট হয়, রাজনীতির পটপরিবর্তন হতেই পারে, তাই বলে এরকম একটি কাজকে বন্ধ করে দেয়ার দুঃসাহস দেখানো হয়েছে। সেটিকে মেনে নেয়ার মতো সংস্কৃতিও আমাদের সমাজে ছিল। সেটিই বড় প্রমাণ- কেন অ্যাকাডেমিক রিসার্চ হলো না। তারপরেও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী বঙ্গবন্ধু সম্পর্কিত কিছু মূল্যবান দলিলপত্র আগলে রেখেছেন, যে কারণে আমরা এটি আবার শুরু করতে পেরেছি। গোপালগঞ্জে এই ইনস্টিটিউট আবার আমরা ফিরে পেয়েছি। সেখানেও পুরোদমে কাজ শুরু করা হবে। খুব শিগগিরই এই ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গবেষণা গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।’
বিশিষ্ট এই সমাজবিজ্ঞানী বলেন, ‘এই ইনস্টিটিউটকে সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে তৈরি করতে আমরা বদ্ধপরিকর। এটিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ-গবেষক ও পণ্ডিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে এবং তাদের প্রজ্ঞাদীপ্ত মতামতের আলোকে সাজানো হবে। যাতে করে আগামী তরুণ প্রজন্ম বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারে। তারা যেন বিশ্বে মাথা উঁচু করে বলতে পারে আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত এক অনন্য বাংলাদেশের সুনাগরিক।’



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ