Inqilab Logo

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ০১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ০৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
শিরোনাম

স্বাধীনতার স্বাদ আহলাদ এবং স্বপ্ন বাসরের ইতিকথা

| প্রকাশের সময় : ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

গোলাম মাওলা রনি : ২০১৭ সালের বিজয়ের মাসে কেন জানি বার বার স্বাধীনতার স্বাদ-আহলাদ এবং স্বপ্ন বাসরের নানা উপাখ্যান এবং কীর্তি-কাহিনীর কথা মনে ভাসছে। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের বিজয় দিবস এবং বর্তমান বছরের বিজয় দিবসের মৌলিক পার্থক্যের কথাও মন মস্তিষ্কে উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে। মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের দিনটির কথা খুব বেশি মনে করতে পারছি না সেকালে নিজের স্বল্প বয়সের কারণে। কিন্তু বিজয়ের পরে যখন বিদ্যালয়ে যেতে শুরু করেছিলাম তখন পাঠ্যসূচিতে থাকা একটি নিবন্ধের কথা কিছুতেই ভুলতে পারছি না। নিবন্ধের কাহিনীতে জনৈক শিক্ষক তার ছাত্র-ছাত্রীদেরকে স্বাধীনতার প্রকৃত সংজ্ঞা দিতে বললেন। সবাই যার যার মতো উত্তর দিল। কিন্তু শিক্ষকের নিকট একটিও গ্রহণযোগ্য বলে মনে হলো না। তিনি সবাইকে সময় নিয়ে চিন্তাভাবনা করে পরের দিন উত্তর দিতে বললেন।
জনৈক ছাত্র শিক্ষকের প্রশ্নটি মস্তিষ্কে ধারণ করে বাড়িতে ফিরল এবং চমৎকার একটি উত্তর তৈরির জন্য চেষ্টা-তদ্বির করতে লাগল। বাড়িতে ফিরে ছাত্রটি দেখল যে, তার মা ঘরে নেই। তার একমাত্র ছোট বোনটি এগিয়ে এসে জানাল যে, আমার ফিরতে দেরি হবে। বিকেলের নাস্তার জন্য আম্মা দুটো পিঠা তৈরি করে রেখে গিয়েছেন। একটি ছাত্রটির জন্য এবং অন্যটি তার বোনের জন্য। ছাত্রটি এবং তার বোন পিঠাপীঠি বয়সের। ফলে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব যেমন প্রবল তেমনি ঝগড়াঝাটির পরিমাণও নেহায়েত কম নয়। তারা সময় ও সুযোগ পেলে নিজের কর্তৃত্ব ও খবরদারি একে অন্যের ওপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করত। তাদের পিতামাতা তাদেরকে যতই বারণ করতেন তারা ততই প্রবলবেগে নিজেদের কর্তৃত্ব জাহির করত। পিতামাতার দেয়া উপহার কিংবা পরিবারে ভালো কোনো খাবার-দাবারের আয়োজন হলে ভাইবোন পরস্পরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে নিজের জন্য কেবল ভালোটি হাসিল করেই ক্ষান্ত হতো না, বরং একজন অন্যজনকে বঞ্চিত করতে পারলে এক ধরনের পুলক অনুভব করত।
আমাদের আলোচ্য ভাইবোনের জুটিটি সত্যজিৎ রায়ের অপূর্ব সৃষ্টি পথের পাঁচালীর দুর্গা ও অপুর মতো ছিল না। তারা একান্তে ঝগড়াঝাটি কম করত কিন্তু পিতামাতার সামনে তাদের পারস্পরিক শক্তি প্রদর্শনের মাত্রা বাড়িয়ে দিত। ঘটনার দিন ছাত্রটির মা বাড়িতে না থাকার কারণে সে নিজেকে প্রবল স্বাধীন এবং বেপরোয়া বলে মনে করতে লাগল। বোনের মুখে পিঠার কথা শোনামাত্রই সে সিদ্ধান্ত নিল যে, দুটো পিঠা সে একাই খেয়ে ফেলবে এবং বোনকে কিছুই দেবে না। কিন্তু তার বোন যখন দুটো পিঠা তার সামনে রাখল তখন প্রবল স্বাধীনতার আনন্দ ও উল্লাস নিয়ে সে প্রথমে পিঠার দিকে তাকাল এবং পরে বোনের দিকে বিজয়ীর বেশে তাকাতে গিয়ে জীবনে প্রথমবারের মতো প্রচ- হোঁচট খেল। বোনকে দেখে তার প্রবল মায়া হলো। সে সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছায় এবং নিজের অজান্তে দুটো পিঠার মধ্যে ভালো পিঠাটি বোনের দিকে এগিয়ে দিল।
ভাইয়ের নিকট থেকে অযাচিত ব্যবহার পেয়ে বোনটি যারপরনাই আশ্চর্য হয়ে গেল। কৃতজ্ঞ দুটি আঁখি মেলে সে ভাইটির দিকে তাকাল। তারপর অনাবিল-প্রশান্তির এক হাসি দিয়ে ভাইয়ের দেয়া উপহার গ্রহণ করল। ভাইটি জীবনে প্রথমবারের মতো বোনের চোখের কৃতজ্ঞতা, অন্তরের প্রশান্তি এবং চোখে-মুখে আনন্দের ছাপ দেখে যারপরনাই উৎফুল্ল হয়ে উঠল। ঠিক এই সময়টিতে তার মনে শিক্ষকের প্রশ্নটির উদ্রেক হলো। তার মনে হলো- এবার সে স্বাধীনতার প্রকৃত সংজ্ঞা দিতে পারবে। পরের দিন ক্লাসে শিক্ষক আসার সঙ্গে সঙ্গেই ছেলেটি দাঁড়িয়ে বললÑ যা করলে সত্যিকার আনন্দ পাওয়া যায় তারই নাম স্বাধীনতা। শিক্ষক মহোদয় ছাত্রের মুখ থেকে স্বাধীনতার অভনব সংজ্ঞা শুনে খুশি হয়ে বললেনÑ ঠিক বলেছ! স্বাধীনতা আসলে এমনটিই হওয়া উচিত।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তারিখে বাংলাদেশের মানুষ বিজয়ের আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে স্বাধীনতার সুখ-শান্তি এবং সমৃদ্ধি নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেছিল তা কালের বিবর্তনে ক্রম বর্ধমান হারে ক্ষীণতর এবং হতাশাযুক্ত নিরানন্দে পরিণত হয়েছে। স্বাধীনতার মৌলিক উপাদানগুলার মধ্যে গণতন্ত্র, বাক-স্বাধীনতা, চিন্তার স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার এবং সাম্যতা অন্যতম প্রধান বিষয়বস্তু বলে সর্বজন স্বীকৃত। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, স্বাধীনতার এত বছর পরেও আমরা ওসব বিষয়ে ক্রমাগত পিছিয়ে পড়েছি। গণতন্ত্রহীনতা, কাজ বা গোষ্ঠীর খামখেয়ালি, জাতীয় অর্থনীতির বিরাট অংশ সীমিত লোকজন কর্তৃক নিয়ন্ত্রণ, লুটপাট, দুর্নীতি, বিচারহীনতা, জুলুম-অত্যাচার এবং একরোখা ও গোঁয়ার্তুমির রাজনীতির কারণে দেশের মানুষের স্বপ্ন এখন চন্দ্রলোক ছাড়িয়ে মঙ্গলগ্রহের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে।
স্বাধীনতার স্বাদ আমরা আস্বাদন করছি ভোটারবিহীন নির্বাচনের দুঃসহ অভিজ্ঞতার মাধ্যমে। ভোট জালিয়াতি, জাল ভোট প্রদান, ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যালট বাক্স ছিনতাই এবং ভোটকেন্দ্রে সন্ত্রাসের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে ভয় দেখানোর সংস্কৃতি এখন আমাদের স্বাধীনতার প্রাচীনকালের ইতিহাস। ভোটের ফলাফল ইচ্ছেমতো বানিয়ে নেওয়া, যাকে ইচ্ছে তাকে ভোট মঞ্চে দাঁড় করিয়ে রঙ্গমঞ্চের কাহিনীর মতো রাজা-উজির কোতোয়ালের ন্যায় মেম্বার, চেয়ারম্যান, এমপি ইত্যাদি বানিয়ে ফেলা এবং লোকদেখানো নির্বাচনের মাধ্যমে ভোট ভোট খেলাও মধ্যযুগীয় ইতিহাসে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিককালের ইতিহাস হলো অপারেশন ফেনী স্টাইল। ইতিপূর্বের মাগুরা স্টাইল এবং তেজগাঁও স্টাইলের গডফাদার হিসেবে যার আবির্ভাব হয়েছে তার নাম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সংস্কৃতি।
আমাদের স্বাধীনতার আহলাদের প্রধানতম বৈশিষ্ট্য হলো জোর করে স্বীকৃতি আদায় এবং বাধ্য হয়ে সম্মান ও ভালোবাসা প্রদর্শনের ভান করা, সমাজ ও রাষ্ট্রের এক শ্রেণির ক্ষমতাবানরা আশা করেন সবাই তাদেরকে জ্বি হুজুর জ্বি হুজুর করবে। তারা যা করবে তা অনুসরণ না করে তারা যা বলবে তা অনুসরণ করার জন্য বাধ্য করবে। কোনো নির্বোদ যদি তাদের এইা দুর্বোধ্য চরিত্র অনুধাবন করতে না পারে তবে তারা একটি গল্পের মাধ্যমে বিষয়টি আমজনতার নিকট খোলাসা করার চেষ্টা করেন। কেউ যদি জিজ্ঞাসা করে বলেন, ওহে ক্ষমতাধর মহাজন, দয়া করে বুঝিয়ে বলুন আপনাদের কর্ম অনুসরণ না করে কেন এবং কীভাবে আপনাদের উপদেশ পালন করব? মূর্খজনের এহেন প্রশ্নে তারা নি¤েœর গল্পটি বলে থাকেনÑ
দেবালয়ের পূজারি তার ভক্তবৃন্দের নিকট ভালো মানুষ হয়ে সুখে-শান্তিতে বসবাস করার উপায়সমূহ বর্ণনা করছেন। তিনি বলছেন, মদ্যপান করবে না। ঘুষ-দুর্নীতি এবং পরকীয়া করা তো দূরের কথা ওগুলোর কাছাকাছিও ঘেঁষবে না। স্ত্রী-পুত্র ও কন্যাদেরকে উত্তম শিক্ষায় শিক্ষিত করবে। তাদেরকে শালীন পোশাক-আশাক পরিধান করাবে এবং মন্দ সংসর্গ থেকে দূরে রাখবে। তাদেরকে উত্তম শিক্ষায় শিক্ষিত করবে এবং তারা যেন মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করে সেই শিক্ষা দেবে। পূজারির বক্তব্য শুনে এক ঠোঁটকাটা প্রকৃতির ভক্ত ওঠে দাঁড়ালেন এবং বললেনÑ মহারাজ এটা কি ধরনের কথা। আপনি নিজে যা করেন না তা কেন আমাদেরকে করতে বলেন? আপনি শিখার সঙ্গে কী করেন তা সবাই জানে। আপনার বউ-কন্যা সব সময় টেডি পোশাক পরে আর আপনার ছেলেরা করে না এমন অপকর্ম নেই। ভক্তের কথা শুনে মহারাজ শান্তশিষ্ট কণ্ঠে বললেন, উত্তেজিত হইও না। বোঝার চেষ্টা কর, আমি তোমাদেরকে আমার বক্তব্যগুলো অনুসরণ করতে বলেছিÑ আমার কর্ম নয়। সুতরাং আমি যা বলি তা মনোযোগ সহকারে শোন। আমি কী করি আর আমার বউ, ছেলে-মেয়ে কী করে সেদিকে নজর দেয়ার কোনো উপদেশ তো আমি দেইনি।
দেবালয়ের পূজারির মতো চরিত্রের মানুষেরা আমাদের সমাজের উঁচুতলার আসনগুলো দখল করে যেভাবে মোনাফেকিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিচ্ছে তাতে ব্যক্তি স্বাধীনতার আহলাদ কোন পর্যায়ে পৌঁছে গেছে তা সহজেই অনুমেয়। বহু পূর্বে রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেনÑ বাঙালির চরিত্র হচ্ছে, তারা যা বলে তা করে না। ইদানীংকালে আমাদের অনেকের চরিত্র রবীন্দ্রনাথের অপ্তবাক্যকে অতিক্রম করে ফেলেছে। এখন আমাদের বৃহদাংশ ঘুষ খায় দশজনের নিকট থেকে কিন্তু কাজ করে দেয় একজনের। বাকিরা ঘুষের টাকা ফেরত চাইলে পেটোয়া বাহিনী দ্বারা টাঙ্গানো হয়। আমাদের সমাজে উপকারীর উপকার বা প্রতিদান প্রদানের ঘটনা বইপুস্তকে স্থান নিয়েছে। উপকারীর অপকার না করা পর্যন্ত কিছু লোকের ঘুম হারাম হয়ে যায়।
মিথ্যাচার, অনাচার এবং ব্যভিচারের উন্মুক্ত দম্ভ এখন অনেকের স্বাদ এবং আহলাদে পরিণত হয়েছে। নিজেদের ভ্রষ্টাচার এবং পাপাচারকে জুলুমের হাতিয়ার বানিয়ে নিরীহ মানুষদের জীবনকে তছনছ করে দেয়ার মতো উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে কিছু মানুষের মধ্যে। তাদের রক্তচক্ষুর সঙ্গে তুলনা করা যায় এমন কোনো জানোয়ার বনভূমিতে নেই। তাদের লোভ-লালসা এবং নৃশংসতার মাত্রা রূপকথার রাক্ষস-খোক্ষসদের গল্পকেও হার মানায়। তাদের ধনাকাক্সক্ষা এবং ধন লাভের লোভ আরব্য রজনীর আলী বাবা ও চল্লিশ চোরের কাহিনীকেও হার মানায়। তাদের লুটপাটের নির্মমতা পর্তুগিজ জলদস্যু কিংবা ভূমধ্যসাগরের মধ্যযুগের বর্বর দস্যুদের ইতিহাসকে ম্লান করে দেয়। এসব অনিয়ম, দুরাচার, অত্যাচার ও জুলুমকে যারা স্বাভাবিকভাবে জীবনের একান্ত অনুসর্গ হিসেবে মেনে নিতে পারে তারা  হয়তো বর্তমানের বাস্তবতায় নিজেদের স্বাদ-আহলাদ উপভোগ করতে পারে।
সামাজিক ন্যায়বিচার এবং সাম্যতার সংজ্ঞাও পাল্টে গিয়েছে। এখন আর মন্দ লোকদেরকে সমাজ ঘৃণা করে না। মন্দ লোকেরা সমাজকে ভয় পায় না। তারা রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা এবং নিয়মকানুনের তোয়াক্কা করে না। তাদের শক্তি, সামর্থ্য এবং অত্যাচার করার দুর্বার ক্ষমতার নিকট নীতিবোধ, মান-সম্মান এবং স্বাধীন চিন্তা-চেতনা ও বাক-স্বাধীনতা রীতিমতো জিম্মি হয়ে পড়েছে। ফলে সর্ব নিকৃষ্ট মন্দ শ্রেণির লোকেরা প্রতিটি পাড়া-মহল্লার কর্তৃত্ব গ্রহণ করে সাধারণ মানুষের স্বাধীনতা হরণ করে ফেলেছে। এরা একে অপরের সঙ্গে অর্থাৎ একজন মন্দলোক অন্য মন্দ লোকেরা সাথে আত্মীয়তা কিংবা মিত্রতার বন্ধন তৈরি করে সারাদেশে অমঙ্গলের বিরাট এক নেটওয়ার্ক তৈরি করে ফেলেছে। এদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য একমাত্র খোদায়ী সাহায্য ছাড়া অন্য কোনো প্রতিরক্ষা মানুষের জানা নেই।
মানুষের স্বাধীনতার স্বপ্ন ক্রমশ ফিকে হয়ে যাচ্ছে। আগামী এক বছর পর কী হবে এমন দুরদর্শী স্বপ্ন দেখার মতো মানুষ কয়জন আছে তা আমার জানা নেই। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের মূলমন্ত্র হলোÑ মানুষ তার স্বাধ-সাধ্য-আশা-আকাক্সক্ষা ইত্যাদি নিয়ে সুন্দর সুন্দর স্বপ্ন বাসর রচনা করবে। ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের একটি প্রেমময় সেতুবন্ধন রচনা হবে। দেশ মাতৃকার জন্য এক ধরনের মায়া-মমতা ও শ্রদ্ধা-ভালোবাসার টান সৃষ্টি হবে। দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের কিছু লোক হবেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় এবং জনগণের আশা-আকাক্সক্ষার মূর্ত প্রতীক। শত রাজনৈতিক বিবাদ ও বিসম্বাদ সত্ত্বেও দেশের প্রয়োজনে যখন মানুষ এক হয়ে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ওপর আস্থা স্থাপনের সক্ষমতা অর্জন করে তখন ধরে নেয়া হয় যে সেখানকার মানুষ স্বাধীনতার স্বপ্ন মন-মস্তিষ্কে লালন করছে।
২০১৭ সালের বিজয় দিবসে আমাদের স্বাধীনতার স্বাদ-আহলাদ কোন স্তরে রয়েছে কিংবা আমাদের স্বাধীনতা নিয়ে আমরা কিরূপ স্বপ্ন দেখার সক্ষমতা এবং মন-মানসিকতা অর্জন করেছি তা বিবেচনার ভার সম্মানীত পাঠকদের ওপর রেখে আজকের নিবন্ধের ইতি টানছি।
লেখক : সাবেক সংসদ সদ্য



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

এ সংক্রান্ত আরও খবর