Inqilab Logo

ঢাকা রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ৮ কার্তিক ১৪২৭, ০৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী

নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ হবে

প্রার্থী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে মতবিনিময় সভায় সিইসি

| প্রকাশের সময় : ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, ১২:০০ এএম

সুন্দর নির্বাচন উপহার দেয়ার আহ্বান আইভী / নেতা-কর্মীদের হুমকি দেয়া হচ্ছে -সাখাওয়াত
নারায়ণগঞ্জ থেকে স্টাফ রিপোর্টার : প্রধান নির্বাচন কমিশনার সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেছেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরেপক্ষ হবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণার পর্যবেক্ষণে আমি আশাবাদী আপনারা ইচ্ছা করলেই এ নির্বাচন  সমগ্র বাংলাদেশের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারবেন।
ভোটকেন্দ্রে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সকল সময়ে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। শুধু ভোটের দিন নয়, ভোটের আগের দিন আমাদের মালপত্র ভোট কেন্দ্রে পৌঁছানোর পর থেকে সারা রাত্রি পাহারা দেয়া হবে। এ নির্বাচনে কোনো রকমের বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) সকালে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন-২০১৬-এর মেয়র প্রার্থী, সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলরসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে এক  মতবিনিময় তিনি এসব কথা বলেন।
নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে জেলা প্রশাসক রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে অনু্িষ্ঠত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন নির্বাচন কশিনার মোহাম্মদ আব্দুল মোবারক, মোহাম্মদ আবু হাফিজ, বিগ্রেডিয়ার (অব:) জাভেদ আলী ও শাহনেওয়াজ, সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, বিভাগীয় কমিশনার হেলালুদ্দীন আহমেদ এবং পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি  এস. এম মাহফুজুল হক নূরুজ্জামানসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
তিনি আরো বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আমার নির্দেশ তারা যেন দুষ্কৃতকারীদেরকে দুষ্কৃতকারী বলেই মনে করে। তারা কোনো প্রার্থীর সমর্থক নয়। প্রার্থীরা সবাই বলেছে তারা কোনো মারামারি, হানাহানির পক্ষে নন, কাজেই দুষ্কৃতকারীদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না।
সিইসি বলেন, ভোটাররা এখন অনেক ওয়াকিবহাল। অনেক সতর্ক। তাদেরকে ভয় দেখানো, ভুল বোঝানো সম্ভব না। নারয়ণগঞ্জবাসী বহুদিন ধরে আপনাদের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন। আপনারা সকল প্রার্থী মিলে প্রমাণ করুন যে সকল আচরণবিধি মেনে একটি সুন্দর, সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে  আপনারা সক্ষম। আমরা সকলেই আপনাদের সাথে আছি।
নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন,  নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার ঠেকাতে রাতের বেলাও  মোবাইল কোর্ট সতর্ক অবস্থায় থাকবে। আগাম খবর দিলে আমরাও ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
সুষ্ঠু পরিবেশ ভোটের দিনের আগের রাত থেকে ভোট গণনা শেষ হওয়া পর্যন্ত চলবে। আমাদের আইনেই আছে ভোট কেন্দ্রেই  ফলাফল প্রকাশ করতে হবে। আমরা করিও এটা। এবারও এ নিয়মের কোনো ব্যতিক্রম হবে না।
ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের যাতে কেউ কোনো ভয়ভীতি প্রদর্শন করতে না পারে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি সকলের সহযোগিতা চান। পোলিং এজেন্ট নিয়ে প্রার্থীদের শঙ্কার প্রেক্ষিতে তিনি বলেন,  প্রতিটি প্রার্থী তাদের পোলিং এজেন্ট দিবেন প্রতিটি বুথে। কোনো প্রার্থীর পোলিং এজেন্টকে যেন পোলিং কেন্দ্র থেকে বের করে না দেয়া হয়। এদিকে নির্বাচন কর্মকর্তাগণ এবং আইন-শৃঙ্খলা প্রতিনিধিবৃন্দ অত্যন্ত সতর্ক দৃষ্টি রাখবেন। বুথে এবং পোলিং এরিয়াতে শুধুমাত্র অনুমোদিত লোকেরাই প্রবেশ করবে।
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা কেন্দ্রে যেতে পারবেন। তবে বেশিক্ষণ অবস্থান করতে পারবেন না। বেশিক্ষণ থাকলে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অসুবিধা হয়। অল্পসময় অবস্থান করবেন যাতে করে অন্য সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা সময় সুযোগ পান।
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি নিয়ে কোনো সন্দেহের অবকাশ নেই বলে তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য কোনো রকম ছাড়  দিতে দেয়া হবে না। তাৎক্ষণিক মামলা দেয়ার সুযোগ আছে তবে এর ব্যত্যয় ঘটলেও রয়েছে ব্যবস্থা। কেউ মিথ্যা মামলা রুজু করলে তদন্ত শেষে বাদীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আপনারা এমন নির্বাচন উপহার দেন যেন সরকার বিতর্কিত না হয় -আইভী
নারায়ণগঞ্জে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সেলিনা হায়াত আইভী নির্বাচন কমিশনের কাছে অনুরোধ জানান আপনারা ২০১১ সালে যে নির্বাচন উপস্থাপন করেছিলেন সারা বাংলাদেশে সেটা প্রশংসিত হয়েছিল।  আমি জিতেছিলাম বলে নয়, একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছিল, নারায়ণগঞ্জের মানুষ নির্বিঘেœ ভোট দিতে পেরেছিল বলেই।
বেলা ১১টায় নারায়ণগঞ্জ ক্লাব কনভেনশন সেন্টারে নাসিক নির্বাচনের প্রার্থী ও নির্বাচন সংক্রান্ত সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সিইসির মতবিনিময় সভায়  তিনি এসব কথা বলেন।
আইভী আরো বলেন, আমি ঠিক তদরূপভাবে বলতে চাই আমি যদিও সরকারী দলীয় প্রার্থী, আমার প্রতিক নৌকা। কিন্তু আমি বিগত ৫ বছর কাজ করেছি অত্যন্ত প্রতিকূল পরিবেশের মধ্য দিয়ে, এবং এটা নারায়ণগঞ্জবাসী সকলেই জানেন, এখনও নানা ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে কাজ করতে করতে হচ্ছে। আমি শুধু আপনাদের কাছে অনুরোধ করবো আপনারা সুন্দর একটা নির্বাচন উপহার দেন যেন সরকার বিতর্কিত না হয়। এই নির্বাচন সরকার পরিবর্তনের কোনো নির্বাচন নয়। এটা স্থানীয় সরকার নির্বাচন। আমি স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে চাই। যদিও প্রতীক দেয়া হয়েছে। মার্কা নৌকা বা ধানের শীষ যেটাই হোক না কেন। জনগণ কিন্তু স্থানীয়ভাবেই নেতা নির্বাচিত করবে। প্রতীক যাই হোক না কেন। এবং মানুষ যাকে পছন্দ করে তাকেই নির্বাচিত করবে। মানুষ সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে। এখানে ভয় বা শঙ্কা কোনো কিছুই কাজ করবে না।
বিএনপির মেয়র প্রার্থী সাখাওয়াতের উদ্দেশ্যে আইভী বলেন, আমার বিরুদ্ধে তিনি যে সব অভিযোগ করছেন আমি কি আসলেই সে রকম? আমার কি কোনো নিজস্ব বাহিনী আছে? আমি কি সন্ত্রাসী লালন করি? আমি কি আপনাদের কারো গায়ে হাত দিতে পারি? আমি কিন্তু এখানে ঢুকেই মিলন ভাইকে সালাম দিয়েছি। গতকালও আমার সাথে মিসেস আব্বাসের দেখা হয়েছে, আমি নিজে তার সাথে কথা বলেছি, সালাম দিয়েছি। নারায়ণগঞ্জের নির্বাচনের অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় আছে। আমি সাখাওয়াতকে আহ্বান জানাবো, আসুন আমরা এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে জনগণের কাছে ভোট চাই। জনগণ যাকেই ভোট দিবে সেটাই হবে সঠিক সিদ্ধান্ত।
আইভী আরো বলেন, আমি সরকারের কাছে একান্ত অনুরোধ জানাতে চাই, ২২ ডিসেম্বরের নির্বাচন কোনো রকম অনিয়ম যেন না হয়। বিএনপির যে শঙ্কা, সেই শঙ্কা যেন মিথ্যায় পরিণত হয়। আমি কোনো ধরনের ফেবার নিয়ে নির্বাচন করতে চাই না। নারায়ণগঞ্জবাসীর প্রতি আমার আস্থা ও বিশ্বাস আছে।
২২ ডিসেম্বর নির্বাচন শেষ হয়ে যাবে, কেউ জিতবে, কেউ হারবে। কিন্তু আমিও এই শহরে থাকব, সাখাওয়াতও এই শহরে থাকবে। আমি দাওয়াত করছি, যদি আমি জিতে যাই, পরদিন যেন সকালে সাখাওয়াত ভাই আমার সাথে মিষ্টি খায়, আর সাখাওয়াত জিতে গেলেও আমিও পরের দিন ওনার বাসায় যাবো সে ধরনের পরিবেশ যেন বজায় থাকে।  
সরকারি দলীয় লোকদের যেন  আনসারের জ্যাকেট পরিয়ে নিয়োজিত করা না হয় -শাখাওয়াত
বিএনপির প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অন্যান্য বাহিনীর সাথে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। বিএনপি এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার জন্য। আমি অতীতের নির্বাচনের ব্যাপারে কিছু বলবো না। আমি নির্বাচন কমিশনের কাছে আহ্বান করবো, আগামী ২২ ডিসেম্বরের নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পূর্ণ করা হয়, আপনারা সেই ব্যবস্থা করবেন। ইতিমধ্যে আমার নেতা-কর্মীদের নানা ধরনের হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছে, তাদের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হচ্ছে। আমি শংকিত এই নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে। সকল প্রার্থী লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখনও নিশ্চিত হয়নি। শঙ্কায় আছি, আমার পুলিং এজেন্টদের নাম চাওয়া হয়েছে। নাম দিয়ে দিলে তাদের নানাভাবে হয়রানি করা হতে পারে। সরকারি দলের লোকদের যাতে আনসারের জ্যাকেট পরিয়ে দায়িত্বে নিয়োজিত করা না হয়। প্রকৃত আনসারদের নিয়োজিত করা হয়।
বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ ক্লাব কনভেনশন সেন্টারে নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক রাব্বি মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্টিত মতবিনিময় সভায় সিইসির উপস্থিতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
সাখাওয়াত বলেন, সংবাদ কর্মীদের প্রতি আহ্বান থাকবে, আপনারা অতীতের মতো এবারের নির্বাচনেও অতন্ত্রপ্রহরীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন। মিডিয়া যাতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে পুলিং এজেন্টদের সাথে কথা বলতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে। পুলিশ, র‌্যাবসহ সকল বাহিনীর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা আছে। কিন্তু ভোটারদের শঙ্কা ও ভয় দূর করতে নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি জানাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি’র মনোনয়নে এবং ২০ দলীয় জোটের সমর্থনে আমি প্রার্থী হয়েছি। অতীতের অনেক নির্বাচনে বিএনপি অংশ নেয়নি। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে ১৫৩ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে। এটা খুবই লজ্জাজনক। সরকার গঠন করতে তাদের ভোটের প্রয়োজন পড়েনি। তাই জনগণকে তাদের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার জন্য আমরা এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। মতবিনিময় সভায় সিইসি ছাড়াও নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারক, মোহাম্মদ আবু হাফিজ, মো. শাহনেওয়াজ উপস্থিত ছিলেন ও কমিশন সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। প্রার্থীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পাটির অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান ইসমাইলসহ অন্য মেয়র, কাউন্সিলর ও নারী কাউন্সিলর প্রার্থীরা।
নারায়ণগঞ্জ সদর ও বন্দরে বিএনপির গণসংযোগ
১২নং ওয়ার্ডঃ বিনএনপি কেন্দ্রীয় গনশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকন এর নেতৃত্বে বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ে ব্যাপক প্রচারনা চালায়।১৩নং ওয়ার্ডে কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ যুব বিষয়ক সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী ও সাইফুল ইসলাম নিরব,
১৬নং ওয়ার্ডে ঃ  সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ও আ.খ.ম মুজাম্মেল হকের নেতৃত্বে ১৮নং ওয়ার্ডে ঃ মুস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু ও মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়ার নেতৃত্বে করে। ২০নং ওয়ার্ডে ঃ বদরুজ্জামান খান খসরু ও মোস্তাক মিয়ার নেতৃত্বে ২১নং ওয়ার্ডে ঃ এড. গৌতম চক্রবর্তী  আমিনুল ইসলাম শিমুল ও জয়ন্ত কুমার কুন্ডুর নেতৃত্বে
২২নং ওয়ার্ডে ঃ আমান উল্লাহ্ আমান ও শহীদুল ইসলাম বাবুলের নেতৃত্বে ।
২৪নং ওয়ার্ডে ঃ মনিরুল হক চৌধুরী ও হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে ২৬নং ওয়ার্ড ঃ  আজিজুল বারি হেলালের নেতৃত্বে ২৭নং ওয়ার্ডে ঃ অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন ভিপি ও রাশেদা বেগম হীরার নেতৃত্বে ধানের শীষের পক্ষে গনসংযোগ করেন।



 

Show all comments
  • সজিব ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, ৪:০৮ এএম says : 0
    নির্বাচনের আগে এমন কথাই শুনি।
    Total Reply(0) Reply
  • Shahabuddin Akand ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, ৯:৪৯ এএম says : 0
    এবং স‌ে‌ই নি‌র্বাচন‌ে অাপন‌ি জিতব‌ে‌ন ।
    Total Reply(0) Reply
  • Ismail Hossain ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, ৯:৫০ এএম says : 0
    hat pakhay vot din
    Total Reply(0) Reply

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: নাসিক নির্বাচন

২৩ ডিসেম্বর, ২০১৬
২২ ডিসেম্বর, ২০১৬

আরও
আরও পড়ুন
গত​ ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ