Inqilab Logo

সোমবার, ৩০ জানুয়ারি ২০২৩, ১৬ মাঘ ১৪২৯, ০৭ রজব ১৪৪৪ হিজিরী
শিরোনাম

১০ ডিসেম্বর আসল ঘোষণা আসবে : মির্জা ফখরুল

স্টাফ রিপোর্টার | প্রকাশের সময় : ২৪ নভেম্বর, ২০২২, ১২:০০ এএম

১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনেই বিএনপির গণসমাবেশ হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, জনগণের ঘোষণা ওই দিন নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনেই সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ সমাবেশ হবে। বিএনপি মহাসচিব আরো বলেন, এখনো তো আসল ঘোষণাটা দেইনি। আসল ঘোষণা আসবে ১০ তারিখে। সেদিন থেকে শুরু হবে একদফার আন্দোলন। এখানে (এই দাবি) কোনো কম্প্রোমাইজ, আপস নেই। যেতে হবে এবং শান্তিপূর্ণভাবে চলে যান।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গত ১৯ নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে পুলিশের গুলিতে ছাত্রদল নেতা নয়ন হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে আওয়ামী লীগ সমস্ত সীমা ছাড়িয়ে গেছে। তাদের সমস্ত দুর্নীতি, আত্মম্ভরিতা, অহংকার সবকিছু দিয়ে এ দেশের মানুষকে তারা জিম্মি করে ফেলেছে। তাদের (সরকার) কথা শুনলে মনে হয়- ওরা হচ্ছে মালিক আর আমরা হচ্ছি চাকর-বাকর-প্রজা, এ দেশের মানুষ তাদের প্রজা।

তিনি বলেন, এই সরকার আমাদের জীবন নিয়ে খেলছে, আমাদের দেশ নিয়ে খেলছে, আমাদের ছেলেদের হত্যা করা হচ্ছে। বিক্ষোভে ফেটে পড়তে হবে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে, সবাইকে একসঙ্গে জেগে উঠতে হবে। এমনি এমনি কেউ সরে না, সরাতে হবে। মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে এদেরকে পরাস্ত করতে হবে।

নয়ন হত্যার ঘটনা সম্পর্কে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘পত্রিকায় এসেছে- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, বাঞ্ছারামপুরের ঘটনা সাজানো ঘটনা। এরা কত নির্মম, অমানবিক হতে পারে যে, দুঃখ পর্যন্ত প্রকাশ করে না। আরে সাজানো নায়ক তো তোমরা। জোর করে ক্ষমতা দখল করে বন্দুক-পিস্তলের জোরে ক্ষমতায় বসে আছো।’
র‌্যাবের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির অন্যতম এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘আমরা নিষেধাজ্ঞা চাই না। অন্য রাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দেওয়া আমাদের জন্য লজ্জাকর-অপমানের। এই লজ্জা ও অপমানের জন্য দায়ী হচ্ছে এই শেখ হাসিনার সরকার। আমরা চাই না, অন্য কোনো বাহিনী আবার নিষেধাজ্ঞায় পড়ুক। তাই পরিষ্কার করে বলছি, জনগণের প্রতিপক্ষ কেউ হবেন না।’

মিথ্যা মামলা দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের আন্দোলন থেকে সরানো যাবে না উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিভাগীয় সমাবেশগুলোর পর মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। ঢাকায় এখনো সমাবেশ হয়নি। এখনই মিথ্যা মামলা শুরু হয়ে গেছে। আরে মামলা দিয়ে কি আটকানো গেছে? ১৫ বছর আটকানো গেছে? যত মামলা দেবে তত আন্দোলন শক্তিশালী হবে, মানুষ আরও রুখে দাঁড়াবে। আমি বলে দিতে চাই, বাধা দিলে বাঁধবে লড়াই।’ ওই সময় সবাইকে আন্দোলনের জন্য ‘সর্বাত্মক প্রস্তুতি’ নেওয়ার আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব। ঢাকায় ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশের স্থান নির্ধারণ নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গড়িমসির পরিপ্রেক্ষিতে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনেই বিভাগীয় সমাবেশটি করার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সেদিন থেকে শুরু হবে একদফার আন্দোলন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে এবং দক্ষিণের সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু ও উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হকের সঞ্চালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, কেন্দ্রীয় নেতা শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আজিজুল বারী হেলাল, মীর সরফত আলী সপু, কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম, সাইফুল আলম নিরব, মহিলা দলের আফরোজা আব্বাস, যুবদলের মোনায়েম মুন্না, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাদেক আহমেদ খান, কৃষক দলের হাসান জাফির তুহিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের রাজীব আহসান, ছাত্রদলের কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, মহানগর বিএনপির ইশরাক হোসেন, লিটন মাহমুদ, ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিসহ মহানগর নেতারা বক্তব্য দেন।

এদিকে সকালে ফার্মগেইটে আওয়ামী লীগের হামলায় আহত সাবেক এমপি রুমনা মাহমুদকে দেখার পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, চারদিকে তাঁকালে চোর, চুরি, চারদিকে তাঁকালে গুন্ডামি, চারদিকে তাঁকালে মারামারি। তারা এতো কিছু করছেন, গুলি করে একজন দিনমজুরকে গুলি করে তার নাড়ীভুড়ি বের করে দিতে পারছেন। আর আপনাদের (আইনশৃঙ্খলা বাহিনী) সামনে দিয়ে জঙ্গি উধাও হয়ে যাচ্ছে। বুঝতেই পারেন তাদের (সরকার) গভার্নেন্স। কোন জায়গায় তারা গভার্নেন্সকে নিয়ে এসেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে একটা গভীর সংকটে পড়ে গেছে, একেবারে খাদে এসে গেছে। একদিকে অর্থনৈতিক সংকট, আরেক দিকে রাজনৈতিক সংকট। এভাবে সমাধান না করে তারা এদেশের অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে পড়বে। আমরা এখনো মনে করি, এই সমস্ত সন্ত্রাস, অত্যাচার-নির্যাতন বাদ দিয়ে তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে এবং দেশে একটা সত্যিকার অর্থে একটা অন্তবর্তীকালীন কেয়ার টেকার সরকারের কাছে ক্ষমতা দিয়ে একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। অন্যায় কোনো মতেই সমস্যার সমাধান করার সম্ভাবনা আমরা দেখি না।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগে দেশকে জাতিকে গভীর সংকটে ফেলেছে বলে আমি মনে করি। এটা একটা ক্রিটিক্যাল টাইম মুমেন্ট। যদি নির্বাচন ঠিক মতো না হয়, নির্বাচনে যদি জনপ্রতিনিধি সঠিকভাবে নির্বাচিত না হয়, সে দেশ কিভাবে চলবে? আপনারা পাশের দেশগুলোর দিকে দেখেন। ভারতের কি কম সমস্যা আছে? ভারতে নির্বাচন হচ্ছে, সকলে সেই নির্বাচনে অংশগ্রহন করছে। নেপালে একেবারে বিপরীতমুখী রাজনৈতিক দলগুলো, সোশ্যালস্টি, র‌্যাভ্যুলেশনারী, লিবারেল ডেমোক্রেন্সি- ইলেকশন করছে এবং সবাই নির্বাচনে যাচ্ছে। সেখানে নির্বাচনে যাওয়ার পরিবেশ আছে। পাকিস্তানের মতো দেশ তারা পর্যন্ত নির্বাচনে যাচ্ছে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রতি তাদের (রাজনৈতিক দল) বিশ্বাস আছে, আস্থা আছে। দুর্ভাগ্যজনক আমরা সেটা করতে পারি নাই। ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করতে আওয়ামী লীগ এই সংকট সৃষ্টি করেছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ কোনো মতেই সন্ত্রাস ছাড়া টিকতে পারে না, প্রতিপক্ষকে তারা সহ্য করতে পারে না এবং সন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে প্রতিপক্ষকে তারা নির্মূল করতে চায়। ত্রাস না করলে তারা শাসন করতে পারে না- এটা হচ্ছে তাদের পুরনো অভ্যাস।তারা সারাদেশে ত্রাস সৃষ্টি করছে। রুমনা মাহমুদের স্বামী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর বাসায় বিএনপি মহাসচিবের সাথে মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন স্বপন ও সদস্য শায়রুল কবির খান যান।

এদিকে চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, চট্টগ্রাম নগর বিএনপির এক বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেছেন, বর্তমানে দেশের মানুষ এক জালিম সরকারের শাসনে বসবাস করছে। মানুষের বুকে গুলি চালিয়ে রক্ত ঝরাতে উন্মাদ হয়ে উঠেছে তারা। জনগণের প্রতিবাদ বিক্ষোভে দিশেহারা হয়ে মানুষ হত্যার মতো হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়ে সরকার পুরো দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। ক্ষমতা হারানোর ভয়ে আওয়ামী লীগ এখন দিশেহারা। তাই তারা মরণ কামড় দিচ্ছে। তবে জনগণের আন্দোলনের গণজোয়ারে অবৈধ সরকারের মসনদ তলিয়ে যাবে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের গুলিতে ছাত্রদল নেতা নিহতের প্রতিবাদে গতকাল বিকেলে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় মাঠে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন দলের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিন। বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর।

মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ আজিজের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটনের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার, এস এম সাইফুল আলম, নাজিমুর রহমান, শফিকুর রহমান স্বপন, মো. শাহ আলম, আবদুল মান্নান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাহবুব আলম, নিয়াজ মো. খান, এস এম আবুল ফয়েজ, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, আবুল হাশেম, আনোয়ার হোসেন লিপু, মো. কামরুল ইসলাম, মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী প্রমুখ।

নোয়াখালী ব্যুরো জানায়, নয়ন মিয়া হত্যার প্রতিবাদ, দমনপীড়ন, গণগ্রেফতার ও নেতকর্মীদের বাড়িতে তল্লাশির প্রতিবাদে নোয়াখালীতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিএনপি। গতকাল মঙ্গলবার নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে জেলা বিএনপি অংঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসির সভাপতিত্বে ও বিএনপিসাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান।

স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা থেকে জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে লিফলেট বিতরণকালে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে ছাত্রদল নেতা নয়ন নিহতের প্রতিবাদে কুমিল্লায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ। গতকাল মঙ্গলবার বেলার সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর ধর্মসাগর পাড়স্থ অস্থায়ী কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে কান্দিরপাড়স্থ কার্যালয় প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। এতে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির আহবায়ক উদবাতুল বারী আবু, সদস্য সচিব ইউসুফ মোল্লা টিপু।

এসময় বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হাজী জসিম উদ্দিন, বিএনপি নেতা শাহ মোহাম্মদ সেলিম, রেজাউল কাইয়ুম, শফিউল আলম রায়হানসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সংবাদদাতা জানান, গতকাল সকালে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে শহরের সরকারী কলেজ মোড় থেকে কালো পতাকা নিয়ে মিছিল করে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হক খোকন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজসহ দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ। এ সময় বক্তারা দেশের মানুষের জন্য প্রশাসনকে নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রশাসন কি করছে? দেশকে যদি অধঃপতনে যেতে হয়। আজ প্রশাসনের কারণে গণতন্ত্র হত্যা করে কবর দেয়া হয়েছে।

ঝালকাঠি জেলা সংবাদদাতা জানান, জেলা বিএনপি গতকাল বিকেলে শহরের আমতলা মোড়ের দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে কিছুদূর গেলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে মিছিলটি সামনের দিকে এগোলে নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ ধাওয়া করলে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরে পুলিশের বেড়িকেটের মধ্যেই দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করে জেলা বিএনপি। এতে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এজাজ আহম্মেদ, পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসিমুল হাসান, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সরদার সাফায়েত হোসেন, জেলা যুবদলের সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান ও জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক গিয়াস সরদার দ্বিপু। সমাবেশে বক্তারা পুলিশের গুলিতে নেতাকর্মীদের হত্যার বিচার দাবি করেন। পাশাপাশি আগামী সংসদ নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে না হলে দেশে কোনো নির্বাচন হবে না বলেও হুশিয়ারি দেন বক্তারা। ঝালকাঠি থানার উপপরিদর্শক গৌতম চন্দ্র ঘোষ বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের শহরের ভেতরে যেতে দেওয়া হয়নি।



 

দৈনিক ইনকিলাব সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।

ঘটনাপ্রবাহ: মির্জা ফখরুল

২৭ জানুয়ারি, ২০২৩

আরও
আরও পড়ুন
এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ